ঢাকা     সোমবার   ১০ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭ ||  ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

তামিম-‍মুশফিকের উইকেট বোনাস ছিল

38 || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৬:০১, ১৬ জুন ২০১৭  
তামিম-‍মুশফিকের উইকেট বোনাস ছিল

ক্রীড়া ডেস্ক: রানের চাকায় লাগাম টানতে মাহেন্দ্র সিং ধোনির পরামর্শে কেদার যাদবকে বোলিংয়ে এনেছিলেন বিরাট কোহলি। অভিজ্ঞ দুই খেলোয়াড় ভরসা রেখেছিলেন যাবদের ওপর।

চিন্তা ছিল, তামিম ও মুশফিক যেভাবে রান করছিলেন সেই রানের চাকায় যাদব লাগাম টেনে ধরবেন! কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে যাদব ভারতকে দিয়েছিলেন সবথেকে বড় সাফল্য। তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের উইকেট নেন ডানহাতি এ স্পিনার। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের পরিস্থিতি পাল্টে দেন যাদব। অপরপ্রান্তে সাকিব আল হাসানের উইকেট নিয়ে রবীন্দ্রর জাদেজা বাংলাদেশকে চাপে ফেলেন। এরপর আর ম্যাচে ফিরেনি বাংলাদেশ। যাদবের ওই দুই উইকেটে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

ভারতের অধিনায়ক বিরাট কোহলির মতে, কেদার যাদবের দুই উইকেট ছিল টিম ইন্ডিয়ার জন্য বোনাস! যাদবকে কৃতিত্ব দিলেও উইকেট পাবে এমনটা ভাবেননি বিরাট। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ভারতের অধিনায়ক বলেন,‘যাদবের উইকেটগুলো অবশ্যই বোনাস ছিল। হার্দিক শুরুর কয়েকটি ওভারে অনেক রান দিয়েছিল। ওকে ব্রেক দেয়া দরকার ছিল। এমএসের (মাহেন্দ্র সিং ধোনি) পরামর্শে কেদারকে বোলিংয়ে নিয়ে আসি। ধারণা ছিল, ও অন্তত প্রতি ওভারে দুই-তিনটি ডট বল করবে। কিন্তু ও আমাদের হয়ে পুরো ম্যাচের চিত্রটাই পাল্টে দিয়েছিল।’

‘আমি এমএসকে জিজ্ঞেস করি কি করা উচিত? কারণ বাংলাদেশ দ্রুত রান পাচ্ছিল। ও জানাল, কেদারকে বোলিংয়ে আনতে। আমাদের জন্য সেটা ছিল সেরা অপশন। সে দারুণ বল করেছে। ক্রেডিট তাকে দিতে হবে। নেটে সে বোলিং করে না। কিন্তু সে স্মার্ট ক্রিকেটার। ব্যাটসম্যানকে কিভাবে বোলিং করতে হবে সেটা ও ভালোভাবে বুঝে। ম্যাচে ও এটা প্রয়োগ করতে পেরেছে।’

৩১ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তামিম ও মুশফিকের ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে ছিল বাংলাদেশ। তামিম ৭০ রানে যাদবের বলে আউট হলে দুজনের ১২৩ রানের জুটি ভাঙে। এরপর ২৫ রানের ব্যবধানে সাকিব ও মুশফিক দ্রুত সাজঘরে ফিরেন। ম্যাচটা বাংলাদেশের হাত থেকে ফসকে যায় সেখান থেকেই।

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৬ জুন ২০১৭/ইয়াসিন

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

আরো পড়ুন  

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়