ঢাকা, বুধবার, ২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

আমদানি করা স্মার্টফোনের দাম বাড়ছে

হাসান মাহামুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৩ ৫:৩০:২২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৬-১৩ ৫:৪৪:৫৭ পিএম

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্মার্টফোনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে আমদানি করা স্মার্টফোনের দাম বেশ বেড়ে যাবে। এই সিদ্ধান্ত দেশীয় উৎপাদক কোম্পানিগুলোর জন্য উৎসাহব্যঞ্জক হতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে নতুন অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ তথ্য জানান।

প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়, স্মার্টফোন সমাজের বিত্তবান লোকজন ব্যবহার করে বলে এর আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ফিচার ফোন নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠি ব্যবহার করে। বর্তমানে ফিচার ফোনের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ, যা অব্যাহত থাকবে।

আইসিটি খাতের অন্যতম অনুষঙ্গ সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনে রেয়াতি সুবিধার কারণে দেশে পাঁচ-ছয়টি কারখানা স্থাপিত হয়েছে, উল্লেখ করে এবারের বাজেটে সেই সুবিধা রেখে সেলুলার ফোন উৎপাদনে কিছু যন্ত্রাংশ আমদানির শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলে ফিচার ফোনের দাম কমবে
অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়, ‘আইসিটি খাতের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনে রেয়াতি সুবিধা প্রদানের কারণে স্থানীয় পর্যায়ে ৫-৬টি সেলুলার ফোন উৎপাদন ও সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এ খাতে বিদ্যমান সুবিধা অব্যাহত রেখে সেলুলার ফোন উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কতিপয় যন্ত্রাংশের আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব করছি।

আমদানি পর্যায়ে ফিচার ফোন ও স্মার্টফোনে বর্তমানে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রযোজ্য রয়েছে। ফিচার ফোন কম দামের বলে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষ ব্যবহার করে। স্মার্টফোন ব্যবহার করে উচ্চবিত্তরা। তাই স্মার্টফোনে ২৫ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

এর মধ্যে ট্রানজিস্টরের শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, ক্রিস্টাল ডায়োডস ৫ শতাংশ থেকে ১ শতাংশ, চার্জার কানেক্টর পিন ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ, সিম স্লট ইজেক্টর পিন ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।’

এবারের বাজেটের আকার ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। এবারের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩ লাখ ২০ হাজার ৪৬৯ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।

এটি অর্থমন্ত্রী হিসেবে আ হ ম মুস্তফা কামালের প্রথম বাজেট। বাংলাদেশের ৪৮তম, আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর চলতি মেয়াদের প্রথম ও টানা ১১তম বাজেট এবং সব মিলিয়ে ১৯তম বাজেট। প্রস্তাবিত এই বাজেট ৩০ জুন সংসদে পাস হবে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৩ জুন ২০১৯/হাসান/রফিক/সাইফুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন