ঢাকা, সোমবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

সেকায়েপ প্রকল্পের শিক্ষকদের স্থায়ী নিয়োগ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৬ ১০:১৬:৩৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-০৭ ৯:২৮:০৩ এএম

করোনার প্রভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড অ্যাকসেস অ্যানহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) প্রকল্প কর্তৃক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা।

গত আড়াই বছর ধরে বিনা বেতনে স্কুলে পাঠদান করে যাচ্ছেন তারা। আগে স্কুল থেকে কিছু অর্থ পেলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটিও বন্ধ। সবমিলিয়ে খুব নাজুক অবস্থায় দিনযাপন করছেন তারা।

বাংলাদেশ এসিটি অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি রাফিউল ইসলাম রাফি বলেন, ২০১৫ সালে আমরা সেকায়েফ প্রকল্পের আওতায় চুক্তিভিত্তিক চাকরিতে যোগদান করি। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর আমাদের মেয়াদ শেষ হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক মেয়াদ শেষে সেকায়েপভুক্ত পাঁচ হাজার ২০০ জন অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের (এসিটি) চাকরি স্থায়ীকরণ বা পরবর্তী প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্তি করার আশ্বাস দেয়। কিন্তু বিগত ২৮ মাসে তা বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বেতনহীন অবস্থায় বিপাকে পড়তে হয়েছে আমাদের।

এর সঙ্গে করোনা ভাইরাসের প্রভাব তাদের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে বলে জানান রাফিউল।

শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানান, শিক্ষকদের করোনা পরিস্থিতি  বিবেচনা করে তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক। পাশাপাশি করোনা মোকাবেলার জন্য আর্থিক প্রণোদনার দাবিও জানান তারা।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে মাধ্যমিক পর্যায়ে বিষয়ভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষককের অনুপস্থিতির কারণে সরকার সেকায়েপ প্রকল্পের মাধ্যমে সারা দেশে পাঁচ হাজার ২০০ জন বিষয়ভিত্তিক  (ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান) অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক (এসিটি) হিসেবে তিন বছর মেয়াদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর তাদের মেয়াদ শেষ হয়।

 

ইয়ামিন/সাইফ