ঢাকা, রবিবার, ১৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৯ মার্চ ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

রুপালি পর্দা থেকে রাজনৈতিক মঞ্চ

বিনোদন ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০২-১৮ ১১:০৯:৩৭ এএম     ||     আপডেট: ২০২০-০২-১৮ ১১:৪৬:৪৬ এএম

ভারতীয় বাংলা সিনেমার বরেণ্য অভিনেতা তাপস পাল। জীবদ্দশায় অসংখ্য দর্শকপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন। রুপালি জগতে পা রেখেই মূলত খ্যাতি পান তিনি। পরবর্তীতে নাম লেখান রাজনীতিতে। চিত্রনায়ক থেকে জনপ্রতিনিধি। যদিও দুটি মাধ্যমের দুরত্ব আকাশ-জমিনের। তারপরও নিজ দক্ষতা আর জনপ্রিয়তা দিয়ে এই দূরত্ব ঘুচিয়ে ছিলেন তাপস।

২০০১ সাল। পশ্চিমবঙ্গে বাম সরকারের আধিপত্যের বিরুদ্ধে অল্প অল্প ক্ষোভের দানা বাঁধছে। এমন সময় বিরোধী দলনেত্রী মমতা ব্যানার্জির হাত ধরে রাজনীতিতে পা রাখেন তাপস পাল। বাম প্রার্থী আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে ওই বছর আলিপুরের বিধায়ক হয়েছিলেন তাপস। সেই থেকে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু। পাঁচ বছরের শ্রম ও ভালো কাজের পুরস্কার হিসেবে ২০০৬ সালে পুনরায় বিধায়ক নির্বাচিত হন তিনি। ততদিনে বিরোধী রাজনৈতিক মঞ্চে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন তাপস পাল। অন্যদিকে মমতা ব্যানার্জিও এই অভিনেতার উপর ভরসা করতে শুরু করেন।

২০০৯ সালে তাপস পালকে আরো বড় ময়দানে নামান মমতা ব্যানার্জি। কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হলেন তাপস পাল। প্রথমবারে সাংসদ নির্বাচিত হন ‘দাদার কীর্তি’ খ্যাত এই নায়ক। প্রবীণ রাজনীতিবিদ বিজেপির সত্যব্রত মুখার্জি তার কাছে পরাজিত হন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটেও অপ্রতিরোধ্য ইনিংস খেলেন তাপস। এতে আবারো পরাজিত হন প্রতাপশালী সেই সত্যব্রত।

তবে তাপস পাল দ্বিতীয়বার সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর তার জীবনে কিছু কালিমা লেগে যায়। তাকে নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। তারপর অনেকটা কঠিন পথ তাকে পাড়ি দিতে হয়। বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা রোজভ্যালির সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে সিবিআইয়ের নজরে পড়েন তাপস। গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। প্রায় দেড় বছর ভুবনেশ্বরে সিবিআই হেফাজতে ছিলেন তিনি। এসময় অসুস্থ হয়ে পড়েন এই নায়ক। ২০১৮ সালের প্রথম দিকে জামিন পান তাপস পাল। তারপর আর রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায়নি প্রয়াত তাপসকে।



ঢাকা/শান্ত