ঢাকা, বুধবার, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৬ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:
উপকূলে নারী-২

অনটনে নারী প্রধান পরিবার

রফিকুল ইসলাম মন্টু : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৯-১৭ ১২:৩৭:৪৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৯-১৭ ৩:১১:৪৪ পিএম

উপকূলে নারী- অবহেলা, বৈষম্য আর নির্যাতনের শিকার ভাগ্য বিড়ম্বিত এক জীবন। যে জীবনে সংকট নিত্যদিনের, নেই সমাধান। দুর্যোগ-দুর্বিপাকে স্বামীর অনুপস্থিতিতে সংসারের বোঝা চাপে নারীর ওপর। পুরুষবিহীন সংসারে নারী হয়ে ওঠেন পরিবারের প্রধান। অথচ কোথাও নেই এতটুকু স্বীকৃতি। উপরন্তু আছে যৌতুকের চাপ, তালাকের ভয়। স্বামীর একাধিক বিয়ে শেষ জীবনেও নারীকে দেয় না স্বস্তি। ওদিকে জীবনের রঙিন দিনগুলোর শুরুতেই বাল্যবিয়ের ভোগান্তি চাপে নারীর কাঁধেই। তবুও নারীকে সইতে হয় নানাবিধ গঞ্জনা। দুর্যোগ এলে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি বাড়ে নারীর। লঙ্ঘিত হয় অধিকার। তবুও টিকে থাকার লড়াইয়ে সে শামিল হয়। ভয়াল নদীতে মাছ ধরার মতো পেশায় দেখা মেলে উপকূলের নারীর। জীবিকার তাগিদে বনে গিয়ে স্বামী বাঘের পেটে গেলেও নারীকে নামতে হয় জীবন সংগ্রামে। উপকূলে নারীর সংগ্রামের ইতিবৃত্ত নিয়ে প্রকাশিত হলো ‘উপকূলে নারী’ শীর্ষক ধারাবাহিকের দ্বিতীয় পর্ব। উপকূল অঞ্চল ঘুরে এসে লিখেছেন রফিকুল ইসলাম মন্টু

মেঘনা অববাহিকার দ্বীপ হাইমচরের সুফিয়া বেগম (৪৫), দক্ষিণের চর কুকরী মুকরীর বিলকিস বেগম (৩৫), কিংবা নূরজাহান বেগম (২৩) বহু আগে থেকেই পরিবারের প্রধান। একই সারিতে ফেলা যায় চরমোন্তাজের পারভীন আক্তার (৩৭), ময়না বিবি (৩৫), অথবা কুকরির শিরিন আক্তার (২৪)-কেও। মাত্র এই পাঁচজন নয়, উপকূল অঞ্চলে এমন দৃষ্টান্ত রয়েছে হাজারো। কারও স্বামী অসুখে মারা গেছেন, কারও স্বামী ফেলে চলে গেছেন, আবার কারও স্বামী দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হয়েছেন। বোঝা নারীর কাঁধে। ফলে পরিবারে অনটন বারোমাস। পরিবারের প্রধান দুঃস্থ-অভাবী নারীদের দুঃখ পিছু ছাড়ে না। এখানে ওখানে চেয়েচিন্তে খাওয়া, ধারকর্জ করে চলা, সাহায্যের জন্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থায় হাত বাড়ানো তাদের নিত্য সঙ্গী। তবুও আটার রুটি-পায়েশ খেয়ে জীবন ধারণ, কখনো অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটানো। দুঃস্থ এই নারীদের সংসার চালিয়ে নিতে সরকারি সাহায্য থাকলেও তা পাওয়ার সৌভাগ্য হাতে গোনা কয়েকজনের হয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, নারী প্রধান পরিবার তথা দুঃস্থ নারীদের জন্য সরকার থেকে যে সহায়তা আসে, তা একেবারেই অপ্রতুল।

চাঁদপুরের দ্বীপ ইউনিয়ন হাইমচরের সরকারকান্দির বাসিন্দা সুফিয়া বেগম। স্বামী আবদুল হক বয়াতি মারা গেছেন প্রায় ৯ বছর আগে। সেই থেকে রাস্তার ধারে ছোট্ট ভিটেয় চার ছেলেমেয়ে নিয়ে অতিকষ্টে দিনযাপন করছেন। বড় ছেলে আয়নাল হকের দোকান ছিল ঢাকায়। বাবার মৃত্যুর পর এখন মায়ের কাছে। মাকে সহায়তা করছে, ভাইবোনদের পাশে থাকছে। কিন্তু পরিবারের প্রধান হিসাবে সুফিয়া বেগমকেই সব সামলাতে হচ্ছে। বিধবা ভাতা পেয়েছেন মাত্র বছরখানেক আগে। ভর দুপুরে সুফিয়া বেগমের ঘরে গিয়ে তার বিপন্নতায় বসবাসের চিত্র চোখে পড়ে। একটি ছোট্ট ঘর, এক কোণে একটি চৌকি, আরেক কোণে সব আসবাবপত্র গুছিয়ে রাখা হয়েছে। এখানেই তিনি থাকেন সন্তানদের নিয়ে। ছোট ছেলে মাহফুজ পড়ে এখনও, তার আগেরজন বাবু ইসলামের লেখাপড়া পঞ্চমেই বন্ধ হয়ে গেছে, আর বড় ছেলে আয়নালের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে সপ্তমে। সুফিয়া বেগমের ঘরের চালা ফুটো। বেড়ার পাতা ক্ষয়ে পড়ছে। এগুলো সংস্কারের মতো সামর্থ্য তার নেই। স্বামীর মৃত্যুর পর যে ৭০ হাজার টাকা দেনা হয়েছিলেন, তা শোধ হয়নি।
 


কুকরী মুকরীর বিলকিস বেগমের স্বামী বাচ্চু মিয়া ফকির দুই সন্তান জন্মের পর বিনা নোটিশেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। প্রথম স্ত্রী বিউটি বেগম দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত বলে বিলকিসকে বিয়ে করেন বাচ্চু মিয়া। কিন্তু বিয়ের পর বিলকিস গিয়ে দেখতে পান বিউটি বেগম সুস্থ। একে একে দুটো সন্তান আসে বিলকিসের ঘরে। ছেলে মান্না আর মেয়ে লামিয়া। এক সময় বাচ্চু মিয়া চলে যান বিলকিসকে ফেলে। অনটনের মধ্যেও সন্তানদের লেখাপড়া করানোর ইচ্ছে ছিল বিলকিসের। মান্না পড়েছিল ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত। অবশেষে তাকে স্কুল ছাড়তে হয়েছে। লামিয়া এখন পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ছে। তার লেখাপড়াও কতদূর যায়, কে জানে! রাস্তার পাশে ছোট্ট ঝুপড়ি ঘরে থেকে বিলকিস টেনে নিয়ে যাচ্ছেন সংসার। কুকরী মুকরীর বাবুগঞ্জ লঞ্চঘাটে শিরিন আক্তারের বসবাস স্বামী আর দু’সন্তান নিয়ে। রাস্তার পাশে টং ঘর বানিয়ে একটি দোকান করেছেন। পাশের ছোট্ট ঘরটিতে বসবাস। স্বামী জয়নাল আবেদীন দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত। শিরিনকে এখন শুধু সংসারের বোঝাই বইতে হচ্ছে না, স্বামীর চিকিৎসার ব্যবস্থাও করতে হচ্ছে। সারাদিন দোকানে বসে বেচাকেনা, চা বানানোর কাজ। পাশাপাশি সুযোগ বুঝে রান্নাবান্নার কাজটিও সেরে ফেলেন। এক দুপুরে শিরিনের কর্মব্যস্ততায় দেখি তার দুই ফুটফুটে শিশু কন্যা স্বর্না আর ঝর্না খেলছে ঘরের কাছেই। দোকানে ক্রেতা, ওদিকে রান্নার আয়োজন। হয়তো হাটবাজারের চিন্তাটাও তাকেই করতে হয়েছে।

কয়রা উপজেলার সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামগুলোতে বহু নারীর দেখা মেলে, যাদের জীবন চলছে ধুঁকে ধুঁকে। কারও স্বামী মারা গেছে, কারও স্বামী ফেলে রেখেই চলে গেছে, আবার কারও স্বামী কঠিন অসুখে অচল ঘরে পড়ে আছে। স্বামীর অনুপস্থিতি কিংবা কর্মক্ষমতায় এই নারীরা হয়ে উঠেছেন পরিবারের প্রধান। সন্তান লালন-পালন থেকে শুরু করে রোজগার করা, বাজার থেকে সদাইপাতি কেনা, সবাই এই নারীদের কাজ। এ ধরণের দুঃস্থ নারীদের জন্য সরকার ভিজিডি বরাদ্দ দিচ্ছে। দুই বছর মেয়াদে প্রতি মাসে ত্রিশ কেজি করে চাল কিংবা গম দেয়া হয়। কিন্তু ভিজিডি তালিকায় খুব কমসংখ্যক দুঃস্থ নারীদের নাম ওঠে। একটি ইউনিয়নে দুই থেকে আড়াই হাজার দুঃস্থ নারী থাকলে সেখানে বরাদ্দ পাওয়া যায় মাত্র দুই-আড়াইশ জনের জন্য। অন্যদিকে এই ভিজিডি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগও আছে। ৩০ কেজির স্থলে কেউ পান ২২ কেজি, আবার কেউ ২৫ কেজি।  দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ভিজিডি বিতরণের দিন গিয়ে দেখা গেছে, মাস শেষে এই বরাদ্দটি নিতে দূর থেকে ভিড় জমিয়েছেন বহু নারী। কেউ নিজেই এসেছেন, আবার কেউবা পাঠিয়েছন নিকট স্বজনদের। এবার দেয়া হচ্ছে গম। অপেক্ষমান নারীদের একজন ঘাটে বাঁধা নৌকায় উঠছেন, বস্তায় ভরে গম নিচ্ছেন, আবার আরেকজন যাচ্ছেন। এভাবে দীর্ঘ সময়ে বিতরণ শেষ হয়। বিতরণের সময়ই অনেকের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলো, ৩০ কেজি বরাদ্দ থাকলেও ওজনে কম দেয়া হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, স্বামী নেই, স্বামী পরিত্যক্তা, আয়ের পুরুষ সদস্য নেই, নারী পরিবার প্রধান, এমন নারীদের সংখ্যা ইউনিয়নে প্রায় আড়াই হাজার। কিন্তু দুঃস্থ-অভাবী নারীর তালিকায় নাম রয়েছে মাত্র ২২৬ জনের। বাকি দুঃস্থ নারীদের সহায়তার কোনো সুযোগ পরিষদে নেই। ফলে তাদের দিন কাটে অতিকষ্টে। আংটিহারা গ্রামের মাহফুজা বেগমের স্বামী শহিদুল ইসলাম স্ত্রীকে ফেলে চলে গেছে তিন বছর আগে। নয় বছরের একটি ছেলে আছে। তাকে নিয়ে এখন থাকে বাবার বাড়িতে। দুঃস্থ নারী হিসেবে ভিজিডি তালিকায় নাম আছে তার। এই সাহায্য তার সংসার চালাতে অনেক সহায়তা করে। তারপরও তাকে কাজ করতে হয় বাইরে। প্রতিনিয়ত কাজের সন্ধানে ছুটতে হয় বাইরে। মাটিয়াভাঙার কাকলী রানী বাইনের স্বামী কীর্তিবাস বাইন বেঁচে আছেন, তবে তিনি প্রতিবন্ধী। যে কারণে কাজ করতে পারেন না। তাই তার নাম দুঃস্থ তালিকায়। ভিজিডি সাহায্য হিসেবে গম দেয়া হলে তা মেশিনে আটা করে বাড়ি ফেরেন। আটার রুটি কিংবা আটা দিয়ে এক প্রকার ভাত বানিয়ে খান। এই সাহায্য দিয়ে তার চলে ১২-১৪ দিন মাত্র। হাড়ভাঙা খাটুনি ছাড়া কোন পথ নেই।  কয়রার সুন্দরবন লাগোয়া গ্রামগুলোর যেখানেই খোঁজ নেই, দেখা মেলে এমন দুঃস্থ-অভাবী নারীদের। সামাজিক নানা সমস্যা তাদের ওপর বোঝা হয়ে আছে। এই নারীদের অধিকাংশের বিয়ে হয়েছে অল্প বয়সে। এদের অনেকেই লেখাপড়ার সুযোগ পান নি। সামাজিক ন্যায় বিচার থেকে এরা বারবার বঞ্চিত হয়েছে। এক পর্যায়ে স্বামী হারিয়ে হয়েছেন পরিবারের প্রধান। সেই সঙ্গে সংকটও তাদের আষ্টেপৃষ্টে ঘিরে রেখেছে।
 


পটুয়াখালীর চরমোন্তাজের বউ বাজারের পারভিন আক্তারকে দুই স্বামীর ঘর করতে হয়েছে। হুমায়ূন মল্লিকের দ্বিতীয় বউ হিসেবে ঘরে উঠেছিলেন। প্রায় ১৩ বছর পরে হুমায়ূন না বলেই পারভিনকে ছেড়ে চলে যান। দুই স্বামীর দুই সন্তান শিপলু এবং বিপ্লবকে নিয়ে চলছে পারভিনের জীবন। বউ বাজারের বেড়িবাঁধের পাশে ছোট্ট ঘরে বসবাস করেন তিনি। স্বামীর মাছধরা, ছেলেদের লেখাপড়া, এই নিয়ে ভালোই চলছিল পারভিনের সংসার। কিন্তু মায়ের অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে হুমায়ূন মল্লিক একদিন উধাও হয়ে যান। হুমায়ূন চরমোন্তাজে অস্থানীয়। এখানে এসেছিলেন মাছ ধরতে। তার আগের স্ত্রী মরিয়ম বেগম তারই এক ভগ্নিপতির সঙ্গে চলে গেছেন বলে হুমায়ূনের কাছ থেকে সে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেখানে হুমায়ূনের ছিল তিনটি সন্তান। পারভিন এখন শুধু ঘর সামলাচ্ছেন না, ছেলেদের মাছধরা, মাছ বেচাকেনা, সবকাজেই তার সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, দেশে নারী প্রধান পরিবারের সংখ্যা বাড়ছে। ‘শ্রমশক্তি জরিপ ২০১৬-১৭’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬-১৭ সালে জরিপটি পরিচালনার সময় দেশে নারী প্রধান পরিবারের সংখ্যা ছিল ১৪.২ শতাংশ। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরেরর একই জরিপে এ ধরনের পরিবারের সংখ্যা ছিল ১৩.৫ শতাংশ। পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, এক বছরের ব্যবধানে নারী প্রধান পরিবারের সংখ্যা বেড়েছে ০.৭ শতাংশ। ধীরে হলেও এ হার বাড়ছে। এর বিপরীতে স্বাভাবিকভাবেই কমছে পুরুষ প্রধান পরিবারের সংখ্যা। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে পুরুষ প্রধান পরিবারের সংখ্যা ছিল ৮৬.৫ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ৮৫.৮ শতাংশ।  শ্রমশক্তি জরিপ প্রকল্পের পরিচালক মো. কবীর উদ্দিন আহমেদ বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘দেশে নারী প্রধান পরিবারের সংখ্য বৃদ্ধি ইতিবাচক। কারণ, এতে নারীদের সক্ষমতা ও তাদের উন্নতির দিকটি ফুটে ওঠে। অনেক পরিবারের সব বিষয়ই দেখভাল করেছেন স্ত্রীরা। স্বামীরা চাকরি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় সন্তানদের স্কুলে আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে পরিবারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নারীরা নিচ্ছেন। এভাবে তারা হয়ে উঠছেন পরিবারের প্রধান বা মূল চালিকাশক্তি।’

তবে উপকূলের প্রেক্ষাপটে নারী প্রধান পরিবারের এই সংকটের বিষয়টিকে কোনভাবেই ইতিবাচক হিসাবে দেখছেন না স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, স্ত্রীকে রেখে স্বামী চলে যাওয়ায় কিংবা স্বামীর মৃত্যুর ফলে নারীদের পরিবারের বোঝা টেনে নেওয়ার বিষয়টি তাদের ওপর বাড়তি বোঝাস্বরূপ। একদিকে এদের নেই সহায় সম্পদ, অন্যদিকে নেই শিক্ষা। পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি পর্যায় থেকে বিশেষ সহায়তাও নেই। বিভিন্ন কর্মসূচিতে বিধবা নারীদের সহায়তার কথা বলা হলেও তা একেবারেই অপ্রতুল। কুকরী মুকরী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, উপকূল অঞ্চলে নারীদের মধ্যে যারা পরিবারের প্রধান, তাদের অনেকেই দুঃস্থ, অসহায়। এদের জন্য সরকারি বেসরকারি কিছু প্রকল্প থাকলেও তা একেবারেই অপ্রতুল। সহায়তার পরিমাণ বাড়িয়ে এবং এদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলে এদের অবস্থার উন্নয়ন ঘটতে পারে।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮/তারা

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন