ঢাকা, শুক্রবার, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

রাতভর সংঘাতের পর বিমানবন্দর অবরোধের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৯-২২ ৯:৪৭:৫১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-১৮ ৮:৫২:০৩ এএম

রাতভর সহিংসতার পর হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থি বিক্ষোভকারীরা এবার বিমানবন্দর অবরোধ করার ঘোষণা দিয়েছে। রোববার দুপুর থেকে তাদের এ কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এর আগেও সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীরা বিমানবন্দরের আগমন হল অবরোধ করেছিলেন। এছাড়া বিমানবন্দরে আসার সড়কও অবরোধ করেছিল তারা।

২৩ বছরের এক তরুণ বলেন, ‘বিমানবন্দর এখনো সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি। আমরা আঘাত কর ও দৌঁড়ে পালাও নীতি অবলম্বন করব, যা প্রত্যেকবার আমাদের অভিজ্ঞতা দেবে। এ কারণেই আমি এখনো লোকজনকে বিমানবন্দরে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিভিন্ন স্থান থেকে বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের বহন করলেও এটি রোববার কেবল একটি এলাকা থেকে যাত্রী বহন করবে। এতে কেবল বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের ওঠার সুযোগ দেওয়া হবে।

শনিবার গণতন্ত্রের আহ্বান জানিয়ে ছোট ছোট রংবেরংয়ের কাগজ সাঁটানো ‘লেনন ওয়ালস’ নাম দেওয়া কয়েকটি দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে বেইজিংপন্থিরা। এরপরই গণতন্ত্রপন্থিরা কাঠের ও লোহার বেড়া ভেঙে এবং রাস্তার দিকনির্দেশনা খুঁটি তুলে সড়কে প্রতিবন্ধক বসানোর চেষ্টা করে। কয়েকজন চীনের একটি পতাকায় অগ্নিসংযোগ করে। পুলিশ তাদের দিকে এগিয়ে গেলে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে দুটি পেট্রল বোমা নিক্ষেপ করে।  এরপরই তাদের লক্ষ্য করে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।

রোববার এক বিবৃতিতে পুলিশ বলেছে, ‘তারা পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়েছে, এমনকি পুলিশের কাছ থেকে পিস্তল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।’

বেইজিংপন্থি হিসেবে পরিচিতি প্রধান নির্বাহী ক্যারি ল্যাম প্রস্তাবিত অপরাধী প্রত্যার্পণ বিলকে কেন্দ্র করে জুনে হংকংয়ে অস্থিরতা শুরু হয়েছিল। ওই বিলে বিচারের জন্য হংকংয়ের কোনো বাসিন্দাকে চীনের মূলভূখণ্ডে পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল। আন্দোলনের মুখে চলতি মাসের প্রথমদিকে বিলটি বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপরই পূর্ণ গণতন্ত্রের দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে গণতন্ত্রপন্থিরা। এই আন্দোলন থেকে অনেক বিক্ষোভকারী হংকংয়ের  স্বাধীনতাও দাবি করেছেন।

 

ঢাকা/শাহেদ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন