ঢাকা, বুধবার, ২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

২৮ দপ্তরে দুদকের চোখ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৭ ১০:৩৬:০০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-০৮ ৮:৪০:২১ এএম

২৮টি দপ্তরে দুর্নীতির রয়েছে, সেসব অফিসের  কর্মকর্তাদের গতিবিধির প্রতি দৃষ্টি রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)  চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে বিদেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

সম্প্রতি ভারতের সিবিআই একাডেমিতে ক্রয় ও চুক্তি সংক্রান্ত জালিয়াতির মামলার তদন্তের বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী কর্মকর্তারা আজ ‍দুদক চেয়ারম্যানে সাথে সাক্ষাৎ করেন।

এ সময় সংস্থাটির গোয়েন্দা ইউনিটের প্রধানকে উদ্দেশ্যে করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, জনশ্রুতি রয়েছে এমন দুর্নীতি প্রবণ ২৮টি দপ্তরের দুর্নীতি  রয়েছে সেসব কর্মকর্তাদের গতিবিধির প্রতি দৃষ্টি রাখবেন।  যাতে তারা ঘুষ খাওয়ার সুযোগ ও সাহস না পায়।  এরা যেন দুর্নীতি করার ধৃষ্টতা না দেখায়। তারপরও দুর্নীতি করলেই তাৎক্ষণিকভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বলেন, দুদকের যেসব কর্মকর্তারা বিদেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন এবং করবেন তাদের স্ব-স্ব দাপ্তরিক কর্মে এর অন্তত: একটি লার্নিংয়ের প্রয়োগ ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রে পদ্ধতিগত কোনো সমস্যা হলে সবার মতামত নিয়ে একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করবেন এবং তা কমিশন বিচার-বিশ্লেষণ করে কমিশনের কর্ম-প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করবেন।

তিনি বলেন, দুদক সিবিআইয়ের আদলে জ্ঞাত আয়ের বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জনের ক্ষেত্রে মামলায় দায়েরের সাথে সাথে আইনি প্রক্রিয়ায় এসব সম্পদ  জব্দ করতে পারে  এবং এটা করাই সমীচীন বলে আমি মনে করি। এছাড়া ফাঁদ মামলায় আসামিদের গ্রেফতারের সাথে সাথে তাদের বাসায় তল্লাশি করার বিষয়টিও বিবেচনা করা যেতে পারে।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, দুদক আইন অনুসারে কমিশন অত্যন্ত শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। তবে আমাদের সক্ষমতার কিছুটা ঘাটতি রয়েছে।  আর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেশ-বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশের মানুষের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।  দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের যে অঙ্গীকার তা বাস্তবায়নে সবাইকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নিজের প্রতি যেমন নিজের অঙ্গীকার রয়েছে, তেমনি নিজের দায়িত্বের প্রতিও অঙ্গীকার থাকতে হবে।

কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, দুদকের যেসব কর্মকর্তা প্রশিক্ষণে গিয়েছিলেন তারা সঠিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন বলে আমার মনে হচ্ছে।  প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে।

আরো বক্তব্য রাখেন দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখ্ত, মহাপরিচালক এ এন এম আল ফিরোজ,  মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) সাঈদ মাহবুব খান, মহাপরিচাল (প্রশাসন) মো. জহির রায়হান, মহাপরিচালক (প্রশিক্ষণ ও আইসিটি) এ কে এম সোহেল, পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী, মো. মঞ্জুর মোর্শেদ প্রমুখ।


ঢাকা/এম এ রহমান/সাইফ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন