ঢাকা, শুক্রবার, ২৬ চৈত্র ১৪২৬, ১০ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

করোনার প্রভাব: ছাপানো বন্ধ হলো সুপ্রিম কোর্টের কার্যতালিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-১২ ৯:১২:১৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-১৩ ২:২০:৫৩ পিএম

করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে। যার ফলে প্রকাশিত হচ্ছে না হাইকোর্ট বিভাগের মামলার দৈনন্দিন কার্যতালিকা (কজ-লিস্ট)।

কার্যতালিকা ছাপানোর অন্যতম উপাদান পি.এস প্লেট আসে চীন থেকে। ভাইরাসের প্রভাবে এখন চীন থেকে ওই প্লেট আমদানি করা যাচ্ছে না।  ফলে ছাপানো যাচ্ছে না কার্যতালিকা।  কবে নাগাদ চীন থেকে ওই প্লেট আমদানি করা সম্ভব হবে তাও নিশ্চিত করে বলতে পারেননি আমদানিকারকরা।

এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অনলাইন কার্যতালিকা ব্যবহার করার জন্য বিচারক, আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২ মার্চ ঢাকার তেজগাঁওয়ের গভর্নমেন্ট প্রিন্টিং প্রেসের উপ-পরিচালক সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনকে একটি চিঠি দেন। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, কজ-লিস্ট প্রকাশের অন্যতম উপাদান পি.এস প্লেট শেষ হয়ে গেছে।  করোনাভাইরাসের কারণে আমদানিকারকরা চীন থেকে পি.এস প্লেট আমদানি করতে পারছেন না। এ অবস্থার অবসান হতে কতদিন সময় লাগবে তা অনুমান করা যাচ্ছে না।  প্লেট সরবরাহ না হলে কার্যতালিকা মুদ্রণ কাজ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে না।

এমন প্রেক্ষাপটে পি.এস প্লেট সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সময়ে বিজি প্রেস হাইকোর্ট বিভাগের দৈনন্দিন কার্যতালিকা ছাপাতে পারছে না। এ সময়ে অনলাইন কজ-লিস্ট ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে। একইসঙ্গে কজ-লিস্ট ছাপাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে অনুরোধ করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে জানা যায়, স্বাধীনতার পর সুপ্রিম কোর্টের দৈনন্দিন কার্যতালিকা কাগজে ছাপানো হয়ে আসছে।  সাধারণত আগের দিন রাত আটটার মধ্যে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ কর্মকর্তারা পরের দিনের মামলার তালিকার খসড়া পাঠিয়ে দেন বেঞ্চ ও ডিক্রি শাখায়। সংশ্লিষ্ট শাখার তত্ত্বাবধায়ক তা সংগ্রহ করে ছাপানোর জন্য পাঠিয়ে দেন বিজি প্রেসে। প্রতিদিন ভোরে প্রায় ৫০০ পৃষ্ঠার কজ-লিস্ট ছাপা হয়। ওই কজ-লিস্ট সুপ্রিম কোর্ট থেকে সংগ্রহ করেন আইনজীবীরা।


ঢাকা/মেহেদী/জেডআর