ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ০৩ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত        রাত পোহালেই ওয়ারী লকডাউন, প্রস্তুত ডিএসসিসি        আমাদের কাছে সুমন ব্যাপারীর প্রধান পরিচয় রোগী: মিটফোর্ড পরিচালক        স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ        পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির        আগামী সপ্তাহে জুনের মজুরি পাবেন পাটকল শ্রমিকরা: পাটমন্ত্রী        করোনায় ৪২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩১১৪        সিরাজগঞ্জে ফের বেড়েছে যমুনার পানি, বন্দি দেড় লাখ মানুষ        সব রেকর্ড ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত        কষ্টের জয়ে এগিয়েই থাকলো রিয়াল       

মিরপুরে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যার প্রতিবেদন ১৯ মে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-২৪ ২:০২:৪৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-২৪ ২:০৩:০৫ পিএম

রাজধানীর মিরপুর পুলিশলাইনে নায়েক শাহ মো. আবদুল কুদ্দুসকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ১৯ মে ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।

এজন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া প্রতিবেদন দাখিলের এ তারিখ ধার্য করেন।

স্ত্রী সৈয়দা হাবিবুন্নাহার ওরফে নাহিন এবং শাশুড়ি রুনিয়া বেগমকে আসামি করে গত ৪ ফেব্রুয়ারি আবদুল কুদ্দুসের মা সৈয়দা হেলেনা খাতুন মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, আবদুল কুদ্দুসের স্ত্রী সৈয়দা হাবিবুন্নাহার ওরফে নাহিন পরকীয়ায় আসক্ত ছিলেন। সারাক্ষণ ফোনে কথা বলতেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সালিশ হয়। পরে সমঝোতা হয়। কিন্তু নাহিন এরপরও পরকীয়া চালিয়ে যায়। আবদুল কুদ্দুস তার শাশুড়িকে এ বিষয়ে জানালে ভিকটিমের পরিবারকে নারী নির্যাতনের মামলার ভয় দেখায় এবং চাকরি হারানোর ভয় দেখায়। মূলত তাদের কারণে আবদুল কুদ্দুস আত্মহত্যায় প্ররোচিত হয়।

গত ২৩ জানুয়ারি ভোরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশলাইনে আবদুল কুদ্দুস নিজের রাইফেল দিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভোর সোয়া ৫টার দিকে তিনি অস্ত্রাগার থেকে অস্ত্র নিয়ে ডিউটির জন্য বের হন। পরে পুলিশলাইনের মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে আত্মহত্যা করেন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের হবিগঞ্জের রসুলপুরে। বাবার নাম শাহ মো. আবদুল ওয়াহাব (মৃত)।

মৃত্যুর আগে ওই পুলিশ সদস্য ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। ওই স্ট্যাটাসে নিজের মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী না করলেও স্ত্রী ও শাশুড়ির নামে ভিন্ন কথা লিখেছেন।


ঢাকা/মামুন খান/টিপু