ঢাকা, সোমবার, ১১ ভাদ্র ১৪২৬, ২৬ আগস্ট ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

মার্সেল ফ্রিজে লাখ টাকা পেলেন চাঁদপুরের মজিবুর রহমান

অগাস্টিন সুজন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০২-২৭ ৩:২৮:২২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৩-২১ ৮:৪৮:১৭ পিএম
মার্সেল ফ্রিজে লাখ টাকা পেলেন চাঁদপুরের মজিবুর রহমান
Walton E-plaza

নিজস্ব প্রতিবেদক: মাস তিনেক হলো বাড়িতে বিদ্যুৎ এসেছে। স্ত্রীর আবদার বড় আকারের ফ্রিজ কিনতে হবে। স্ত্রীকে নিয়ে তাই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমে ঘুরলেন মজিবুর রহমান। সবকিছু দেখে-শুনে তাদের পছন্দ হলো দেশীয় ব্র্যান্ড মার্সেলের ফ্রিজ। সেই ফ্রিজ কিনেই এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পেয়েছেন মজিবুর। যা দিয়ে আত্মীয়-স্বজনকে এবং স্থানীয় মাদ্রাসায় দিয়েছেন বিভিন্ন উপহার।

মজিবুর রহমানের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব থানার বাহাদুরপুর গ্রামে। পেশায় ড্রেজিং ব্যবসায়ী। দুই মেয়ে আর দুই ছেলে তার। মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। ছেলেরা লেখাপড়া করছে।

মজিবুর রহমান জানান, সামর্থ থাকলেও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বাড়ির জন্য টিভি বা ফ্রিজ কেনা সম্ভব হচ্ছিল না। মাস তিনেক আগে বাড়িতে বিদ্যুৎ আসে। তবে শীতের মৌসুম থাকায় তখনই ফ্রিজ কেনেন নি তিনি। শীত শেষ হতেই স্ত্রীকে নিয়ে বিভিন্ন শোরুম ঘুরে দেখেন। দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের মধ্যে তাদের নজর কাড়ে দেশীয় ব্র্যান্ড মার্সেলের ফ্রিজ।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘মার্সেল ফ্রিজের ডিজাইন এবং গুণগতমান খুব ভালো। যারা ব্যবহার করেন তাদের জিজ্ঞাসা করেছি। সবাই ভালো বলেছে। তাই আমি এবং আমার স্ত্রী দুজনই মার্সেল ফ্রিজ কেনার সিদ্ধান্ত নেই।

তিনি জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ছেঙ্গারচর বাজারে মার্সেলের এক্সক্লুসিভ ডিলার শোরুম ‘আল ওয়াফা ইলেকট্রনিক্স’ থেকে ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে ২১ সিএফটির একটি ফ্রিজ কেনেন তিনি। এরপর ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের সিজন-ফোর এ মোবাইল নাম্বার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করলে এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার পাওয়ার মেসেজ যায় তার মোবাইল ফোনে। যা দেখে তিনি আনন্দে আপ্লুত হয়ে পড়েন।



মজিবুর জানান, এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার দিয়ে তিনি আরো একটি ফ্রিজ, ২টি ৩২ ইঞ্চি এলইডি টেলিভিশন, ১টি মাইক্রোওয়েব ওভেন, ৭টি ফ্যানসহ বিভিন্ন পণ্য কিনেছেন। এর মধ্যে ছোট মেয়ে-জামাইকে ১টি ফ্রিজ এবং টিভি, বড় মেয়েকে দুইটি ফ্যান এবং স্থানীয় মাদ্রাসায় ২টি ফ্যান উপহার দিয়েছেন। বাকি পণ্যগুলো নিজেরা ব্যবহার করবেন।

গত বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মজিবুর রহমানের হাতে ক্যাশ ভাউচার এবং অন্যান্য পণ্য তুলে দেওয়া হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উত্তর মতলব থানার পুলিশ পরিদর্শক মোরশেদুল আলম ভুঁইয়া, ছেঙ্গারচর পৌর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মনির হোসেন ব্যাপারী, মার্সেল মার্কেটিংয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর নুরুল ইসলাম রুবেল, এরিয়া ম্যানেজার সাখাওয়াত হোসেন এবং আল ওয়াফা ইলেকট্রনিক্স-এর স্বত্ত্বাধিকারী হাজী মোহাম্মদ বিল্লাল সরকার।

মার্সেল কর্তৃপক্ষ জানায়, এখন চলছে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ৪র্থ পর্ব বা সিজন ফোর। এর আওতায় দেশের যে কোনো পরিবেশক শোরুম থেকে মার্সেল ফ্রিজ, টিভি এবং এসি কিনে রেজিস্ট্রেশন করলেই ক্রেতারা পাচ্ছেন সর্বোচ্চ এক লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার। আছে মোটরসাইকেল, এয়ার কন্ডিশনার, ল্যাপটপ, ফ্রিজ, এলইডি টিভিসহ অনেক পণ্য ফ্রি পাওয়ার সুযোগ। এসব না মিললেও রয়েছে নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ সুযোগ থাকবে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯/সুজন/শাহনেওয়াজ

Walton AC
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
       

Walton AC
Marcel Fridge