ঢাকা, শুক্রবার, ২০ চৈত্র ১৪২৬, ০৩ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

মার্সেল ফ্রিজ কিনে আরেকটি ফ্রি পেলেন সিলেটের মুদি দোকানদার

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-০৪ ৬:২৮:৩৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-০৪ ৬:২৮:৩৯ পিএম
মার্সেল ফ্রিজ কিনে ফ্রি পাওয়া ফ্রিজটি জয়নাল আবেদীনের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে

দেশব্যাপী চলছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল—এর ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৬। এর আওতায় রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন এবং এয়ারকন্ডিশনার ক্রেতাদের জন্য রয়েছে ৬০০ ফ্রিজ ফ্রি পাওয়ার সুযোগ।

এছাড়াও সবার জন্য আছে নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার। ক্যাম্পেইনের আওতায় একটি মার্সেল ফ্রিজ কিনে আরেকটি ফ্রি পেয়েছেন সিলেটের বিশ্বনাথের জয়নাল আবেদীন। নিজের মুদি দোকানের জন্য মার্সেলের একটি ফ্রিজ কিনে আরেকটি ফ্রি পাওয়ায় মহাখুশি জয়নাল।

উল্লেখ্য, অনলাইনে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাস্টমার ডাটাবেজ তৈরি করছে মার্সেল। এজন্য তারা চালাচ্ছে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পেইন। এ প্রক্রিয়ায় ক্রেতার নাম, ফোন নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উদ্বুদ্ধ করতে ৬০০ ফ্রি ফ্রিজের সুযোগসহ নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার দিচ্ছে মার্সেল।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি গোবিন্দগঞ্জের ‘হাজী ইলেকট্রনিক্স’ থেকে মার্সেল ফ্রিজটি কেনেন জয়নাল আবেদীন। এরপর নিয়মানুযায়ী ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করে দেন বিক্রেতা। ফ্রিজ নিয়ে বাড়ি ফেরার আগেই তিনি আরেকটি ফ্রি পাওয়ার মেসেজ পান। বিষয়টি নিশ্চিত হলে আনন্দের ঢল নেমে আসে জয়নালের পরিবারে।

রোববার (১ মার্চ) ফ্রি পাওয়া ফ্রিজটি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দগঞ্জ বাজার সমিতির সভাপতি মনু মিয়া, স্থানীয় ব্যবসায়ী শফিক মিয়া ও শাহজাহান মিয়া এবং ‘হাজী ইলেকট্রনিক্স’—এর স্বত্ত্বাধিকারী আবুল কাহারসহ স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

জয়নাল আবেদীন জানান, তার বাড়ি বিশ্বনাথের আমতৈল গ্রামে। দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ ছয় সদস্যের পরিবার তার। সংসার চলে মুদি দোকানের আয়ে। বাড়ির জন্য না হলেও অন্তত দোকানের জন্য একটি ফ্রিজ কেনার চেষ্টা ছিল অনেক দিনের। কিন্তু সামর্থ ছিল না। অল্প করে টাকা জমিয়ে ১৪৫ লিটারের ফ্রিজটি কেনেন তিনি। ফ্রি পাওয়া ফ্রিজটি বাড়িতে ব্যবহার করবেন বলে জানান জয়নাল।

তিনি বলেন, এই ফ্রিজটি পাওয়ায় বাড়ির জন্য তার আর চিন্তা করতে হবে না। ফ্রিজ পেয়ে পরিবারের সবাই মহাখুশি।

মার্সেল সূত্রে জানা গেছে, তাদের রয়েছে শতাধিক মডেল ও ডিজাইনের ফ্রস্ট, নন—ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর এবং ফ্রিজার বা ডিপ ফ্রিজ। দাম ১০ হাজার থেকে ৬৪৯০০ টাকার মধ্যে। নিজস্ব কারখানায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি মার্সেল ফ্রিজ ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী সংস্থা নাসদাত—ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মার্সেলের প্রতিটি ফ্রিজের মান নিশ্চিত করেই বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্টের পাশাপাশি কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে মার্সেল। রয়েছে সহজ কিস্তির সুবিধা। গ্রাহককে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস ম্যানেজমেন্টের সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে মার্সেলের রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার।


ঢাকা/অগাস্টিন সুজন/সাইফ