ঢাকা, বুধবার, ২৮ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

৮৭১ কোটি পাচারে শুল্ক গোয়েন্দার ১৫ মামলা

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৮ ১২:৪১:২৭ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-০৮ ১:২৫:০৪ এএম

৮৭০ কোটি ৮৬ লাখ ২১ হাজার টাকা পাচারের দায়ে মেসার্স হেনান আনহুই এগ্রো এলসি ও মেসার্স এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি নামের দুইটি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে পৃথক ১৫ মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির আড়ালে সিগারেট, এলইডি টেলিভিশন, ফটোকপিয়ার মেশিন ও মদ এনে ওই অর্থ পাচার করেছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় সংস্থাটির  কর্মকর্তা বিটন চাকমা, শামসুন নাহার ও আছমা বেগম বাদী হয়ে পৃথক পৃথক মামলাগুলো দায়ের করেন।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সহিদুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনের বিষয়ে জানা যায়, এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপির ৯টি বি অব এন্ট্রির বিপরীতে ৪৩১ কোটি ৭৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮৩ টাকার মানিলন্ডারিং অপরাধের প্রমাণ পাওয়ায় দায়ের হচ্ছে পৃথক ৯টি মামলা।  যেখানে আসামির তালিকায় রয়েছে ১১ জন।

অন্যদিকে হেনান আনহুই এগ্রো এলসি ৬টি বিল অব এন্ট্রির বিপরীতে ৪৩৯কোটি ১০লাখ ৭১ হাজার ৪৯৯ টাকা পাচার বা মানিলন্ডারিং অপরাধ করেছেন। যেখানে ৬ মামলায় ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সূত্র  আরো জানায়, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে মেসার্স হেনান আনহুই এগ্রো এলসি ও মেসার্স এগ্রো বিডি অ্যান্ড জেপি নামে দুইটি প্রতিষ্ঠানের নামে ১৭টি চালানে ৯০টি কনটেইনারে পণ্য আমদানিতে মূলধনী যন্ত্রপাতি ঘোষণা দিলেও পাওয়া যায় সিগারেট, এলইডি টেলিভিশন, ফটোকপিয়ার মেশিন ও মদ।

এছাড়া দুইটি প্রতিষ্ঠান গত তিন বছরে ১৫টি বিল অব এস্ট্রির বিপরীতে ৭৮টি কনটেইনারে পণ্য আমদানি করেছে। এগ্রো বিডি প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার খোরশেদ আলমের নামে ২০১৬ ও ১৭ সালে ৯টি এলসিতে ৪৬টি কনটেইনারে পণ্য আমদানির আড়ালে টাকা পাচার করেছে।  দুই প্রতিষ্ঠানের যেমন অস্তিত্ব নেই, তেমনি এলসি খোলা থেকে শুরু করে পণ্য খালাস প্রতিটি পর্যায়ে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহায়তার প্রমাণ মিলেছে।

এর আগে অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে এলসি খুলে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি কিংবা পণ্য রপ্তানির জাল নথিপত্র দেখিয়ে দেশ থেকে ১৬৮১ কোটি টাকা পাচারের দায়ে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ৬ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মালিক ও ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৬৮ জনকে আসামি করে ২৫ মামলার অনুমোদন দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

***বাণিজ্য ফাঁদে পাচার ১৬৮১ কোটি টাকা, ২৫ মামলার প্রস্তুতি

 

ঢাকা/এম এ রহমান/নাসিম

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন