ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পাচ্ছে আর্থিক সহায়তার চেক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-০৫ ১:৪৩:১৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-০৫ ৬:৩৩:১৫ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলস্টেশনে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেকের পরিবার অর্থ সহায়তার চেক পাচ্ছে।

আগামী রোববার (০৮ মার্চ) প্রত্যেক পরিবারকে এক লাখ টাকা করে এ সংক্রান্ত চেক বুঝিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শরিফুল আলম।

পরিবারগুলোর হাতে চেক তুলে দেবেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন। ওইদিন রেল ভবনের যমুনা সম্মেলন কক্ষে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত বছরের নভেম্বরে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা অভিমুখী তুর্ণা নিশীথা ও সিলেট থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষের ঘটনায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীনসহ মোট ১৬ জন নিহত হন।নিহত ওই ১৬ জনের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সরকার।

নিহতরা হলেন-চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের পশ্চিম রাজারগাঁওয়ের মুজিবুর রহমান (৫৫), হবিগঞ্জের ভোল্লার ইয়াছিন আরাফাত (১২), চুনারুঘাটের তিরেরগাঁওয়ের সুজন আহমেদ (২৪), মৌলভীবাজারের জাহেদা খাতুন (৩০), চাঁদপুরের কুলসুম বেগম (৩০), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের আল-আমিন (৩০), হবিগঞ্জের আনোয়ারপুরের আলী মোহাম্মদ ইউসুফ (৩২), হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের আদিবা (২), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের সোহামনি (৩), চাঁদপুরের উত্তর বালিয়ার ফারজানা (১৫), চাঁদপুরের হাইমচরের কাকলী (২০), হবিগঞ্জের রিপন মিয়া (২৫), চাঁদপুরের হাইমচরের মরিয়ম (৪), নোয়াখালীর মাইজদির রবি হরিজন (২৩), চাঁদপুর সদরের ফারজানা (১৫) এবং হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের পিয়ারা বেগম (৩২)।

২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর দিনগত রাত পৌনে ৩টা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় ঢাকা অভিমুখী আন্তঃনগর ট্রেন তুর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম অভিমুখী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় ট্রেনের ১৬ জন নিহত হন ও আহত হন পঞ্চাশের বেশি যাত্রী।

এ ঘটনার পর তূর্ণা নিশীথার চালক, সহকারী এবং গার্ডকে গাফিলতির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে পাঁচটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত শেষে ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য তূর্ণা নিশীথার কর্মীরা দায়ী বলে তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়।কমিটিগুলোর প্রতিবেদনে দেখা যায়, আন্তঃনগর ৭৪১ নম্বর তূর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকোমাস্টার, সহকারী লোকোমাস্টার ও গার্ডের সিগন্যালগুলো যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ না করে ট্রেন পরিচালনার কারণে এ দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়। যাতে ঝরে যায় অনেকগুলো তাজাপ্রাণ।


ঢাকা/হাসান/জেনিস