ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭, ০৩ জুলাই ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত        রাত পোহালেই ওয়ারী লকডাউন, প্রস্তুত ডিএসসিসি        আমাদের কাছে সুমন ব্যাপারীর প্রধান পরিচয় রোগী: মিটফোর্ড পরিচালক        স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে যুব আন্দোলনের বিক্ষোভ        পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান ওয়ার্কার্স পার্টির        আগামী সপ্তাহে জুনের মজুরি পাবেন পাটকল শ্রমিকরা: পাটমন্ত্রী        করোনায় ৪২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৩১১৪        সিরাজগঞ্জে ফের বেড়েছে যমুনার পানি, বন্দি দেড় লাখ মানুষ        সব রেকর্ড ভেঙে যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত        কষ্টের জয়ে এগিয়েই থাকলো রিয়াল       

বোলিংয়ে সেই স্পিনারদের দাপট

ইয়াসিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-১১-০৮ ৯:২৭:০৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-১১-০৯ ৯:১৪:২৩ এএম
সানজামুল ইসলাম, আরাফাত সানী ও সোহাগ গাজী

ক্রীড়া প্রতিবেদক : পর্দা নেমেছে ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগের ২০তম আসরের। সবাইকে টপকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী বিভাগ।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের মর্যাদার এ শিরোপা জিততে রাজশাহীর বোলাররা ছিলেন অসাধারণ, অনন্য। বোলিং সাফল্য তাদেরকে এগিয়ে নিয়েছে অনেকদূর। শীর্ষ পাঁচ উইকেট সংগ্রাহকের তালিকায় দুজনই রাজশাহীর। বাকিরা চট্টগ্রাম, ঢাকা মেট্রো ও বরিশাল বিভাগের। তবে সেরা পাঁচের চারজনই হলেন স্পিনার।

২৮ উইকেট নিয়ে সবার উপরে রয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের স্পিনার নাঈম হাসান। ডানহাতি এ অফস্পিনার খেলেছেন লিগের সবকটি ম্যাচ। ২৫.০৩ গড়ে, ২.৮৯ ইকোনমি রেটে নিয়েছেন ২৮ উইকেট। দুর্দান্ত বোলিং সাফল্যের পথে এক ইনিংসেই ৮ উইকেট পেয়েছিলেন নাঈম। কক্সবাজারে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে নাঈম ১০৬ রানে নেন ৮ উইকেট, যা এবারের লিগে সেরা বোলিং ফিগার।

 



দুইয়ে আছেন আফারাত সানী। বোলিং অ্যাকশনে ক্রুটি থাকায় জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েন। অ্যাকশন শুধুরে খেলছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে। এবারই প্রথম এলেন লাইমলাইটে। বাঁহাতি স্পিনার ৫ ম্যাচ কম খেলে পেয়েছেন ২৩ উইকেট।  তার বোলিং ইকোনমি রেট ২.৯০।

পরের দুটি জায়গা দখল করেছেন ফরহাদ রেজা ও সানজামুল ইসলাম। দুজনই চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী বিভাগের। ডানহাতি পেসার ফরহাদ পেয়েছেন ২২ উইকেট। ২০ উইকেট পকেটে পুরেছেন সানজামুল। দলকে চ্যাম্পিয়ন করাতে দুজন বড় ভূমিকা রেখেছেন।

পাঁচে আছেন বরিশাল বিভাগের সানজামুল ইসলাম। ১৯ উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে এক ম্যাচে হ্যাটট্রিক ও সেঞ্চুরি হাঁকানো সোহাগ গাজী।

 



এছাড়া লিগে উল্লেখযোগ্য বোলিং সাফল্য ছিল একাধিক। এবারের লিগে হ্যাটট্রিক হয়েছে তিনটি। প্রথম হ্যাটট্রিকটি করেন পেসার দেলোয়ার হোসেন। পরের দুটি দুই স্পিনার মনির হোসেন ও এনামুল হক জুনিয়রের। এক ম্যাচে সবথেকে বেশি উইকেট পেয়েছেন পেসার খালেদ। সিলেটের এ পেসার দুই ইনিংসে ৫টি করে উইকেট পান। চতুর্থ রাউন্ডে তার বোলিং সাফল্যে জিতেছিল সিলেট। দ্যুতি ছড়ানো বোলিং সাফল্যের পরপরই জাতীয় দলে ডাক পান খালেদ।

এছাড়া লিগে অভিষিক্ত রাজশাহীর মোহর শেখ নজর কেড়েছেন সবার। ২ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছেন রাজশাহীর এ পেসার।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/৮ নভেম্বর ২০১৮/ইয়াসিন/আমিনুল