ঢাকা, সোমবার, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

তামিমের ফেরার দিনে উজ্জ্বল ‘বোলার’ মাহমুদউল্লাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-১০ ৬:২৪:৩০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-১০ ৭:২৫:৩৪ পিএম

ওয়ালটন ২১তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের প্রথম দিনে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিভাগের সাদিকুর রহমান। ঢাকা মেট্রোর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ পেয়েছেন ৩ উইকেট। তবে বিরতির পর মাঠে ফিরে তামিম ইকবাল রাঙাতে পারেননি প্রথম ইনিংসটি।

চার বছর পর মিরপুর শের-ই-বাংলায় ফিরেছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ। নিজ নিজ দলের হয়ে মাঠে নেমেছেন জাতীয় দলের দুই তারকা ক্রিকেটার তামিম ও মাহমুদউল্লাহ। জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে উদ্বোধন করা হয় ঘরোয়া ক্রিকেটের সবথেকে বড় আসর। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় চট্টগ্রামের অধিনায়ক মুমিনুল হক।

শুরুটা ভালো করেছিলেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার সাদিকুর ও তামিম। দারুণ এক চারে তামিম রানের খাতা খোলেন প্রথম ওভারেই। পরবর্তীতে মেহরাব হোসেন জসিকে কাভার ড্রাইভে লং অন দিয়ে  দ্বিতীয় চার মারেন। তবে ইনিংসের শুরু থেকেই তামিম ছিলেন অতি সাবধানী। রয়েশয়ে খেলছিলেন দুই পেসার শহিদুল ও জসিকে।

অন্যদিকে দুই পেসার নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেও উইকেট টেকিং ডেলিভারি ছিল খুব সামান্য। তামিম সাবধানী ব্যাটিং করলেও সাদিকুর শট খেলছিলেন অনায়াসে। তৃতীয় পেসার সৈকত আলীকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে লং অফ দিয়ে উড়াতে কাপর্ণ্য করেননি। তার ব্যাট থেকে আসে ম্যাচের প্রথম ছক্কা। উইকেটের চারপাশে শট খেলে দ্রুত হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিমের সতীর্থ। তবে নিজের ইনিংস বড় করতে পারেননি।

মাহমুদউল্লাহর স্পিনের বিপক্ষে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে বল মিস করে স্টাম্পড  হন সাদিকুর।  দ্রুতই ফিরে যেতে পারতেন তিনে নামা পিনাক ঘোষ। মাহমুদউল্লাহর বলে শর্ট লেগে ক্যাচ তুলে ১ রানে বেঁচে যান। তার ক্যাচটি ছাড়েন রাকিন।

স্পিনার আরাফাত সানীকে স্লগ সুইপে চার মেরে চাপ কমান তামিম। বাঁহাতি স্পিনারের বিপক্ষে ভুগছিলেন দেশসেরা ওপেনার। লাঞ্চের আগে ২৬ রানে অপরাজিত থাকা এ ব্যাটসম্যান বিরতির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।

মাহমুদউল্লাহর শর্ট ডেলিভারি চাইলেই যেকোনো প্রান্ত দিয়ে উড়াতে পারতেন। কিন্তু টাইমিংয়ে গড়বড় করে তামিম ক্যাচ তোলেন নীল আকাশে। নিজের বোলিংয়ে ফিল্ডিং করে সহজেই বল তালুবন্দি করেন মাহমুদউল্লাহ। তামিম ১৩২ মিনিট ক্রিজে থেকে ৩০ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন। বল খেলেছিলেন ১০৫টি।

চট্টগ্রামের অধিনায়ক মুমিনুল মাহমুদউল্লাহর তৃতীয় শিকারে পরিণত হন। ইনসাইড আউট শট খেলতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে পয়েন্টে শুভর হাতে ক্যাচ দেন ১১ রানে। এরপর দুই দফা বৃষ্টির বাগড়ায় নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘন্টা আগে ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায়। মাঝে একবার বজ্রপাতে খেলা বন্ধ ছিল দীর্ঘক্ষণ।

প্রথম দিন শেষে চট্টগ্রামের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৪৭। পিনাক ঘোষ ৩০ ও তাসামুল ১৭ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন।


ঢাকা/ইয়াসিন/পরাগ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন