ঢাকা, বুধবার, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

১৬ উইকেট পতনের দিনে চট্টগ্রামের লিড

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-২৮ ৬:৪৫:৩৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-২৮ ৬:৫৯:১৩ পিএম

রাজশাহীর শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডে মুখোমুখি হয়েছে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ। দ্বিতীয় স্তরের এই ম্যাচের প্রথম দুইদিন বৃষ্টির পেটে গিয়েছে। প্রথম দিন মুষলধারে বৃষ্টির কারণে একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। পরদিন ছিল তার রেশ। মাঠ ভেজা থাকায় বল মাঠে গড়ানো সম্ভব হয়নি।

আজ সোমবার তৃতীয় দিনে এসে বল গড়ালো মাঠে। চট্টগ্রাম বিভাগ টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। বোলাররা তার সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে। ইরফান হোসেন ৬ উইকেট নিয়ে সিলেট বিভাগকে ৪৪.২ ওভারে মাত্র ১৬৩ রানে অলআউট করে। জবাবে চট্টগ্রাম তাদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে পিনাক ঘোষের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করেছে। লিড নিয়েছে ২৮ রানে। ক্রিজে আছেন মাহিদুল ইসলাম আকন (২) ও মেহেদী হাসান রানা (১)। তারা দুজন আগামীকাল মঙ্গলবার সকালে চতুর্থ ও শেষ দিনে ব্যাট করতে নামবেন।

টস হেরে ব্যাট করতে নামা সিলেট বিভাগের শুরুটা ভালোই হয়েছিল। উদ্বোধনী জুটিতে ইমতিয়াজ হোসেন চৌধুরী তান্না ও তৌফিক খান তুষার ৫২ রানের জুটি গড়েন। এই রানে মেহেদী হাসান রানার বলে মাহিদুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তান্না। ৪৫ বল খেলে ২৪ রান করে যান তিনি। ৫৬ রানে ফিরে যান তৌফিক খানও। সেখান থেকে জাকির হাসান ও অলক কাপালি দলীয় সংগ্রহকে ১০০ পর্যন্ত নিয়ে যান। এই রানে ব্যক্তিগত ২১ রান করে জাকির হাসান বিদায় নেওয়ার পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে সিলেটের ব্যাটিং লাইন-আপ। ১১৫ রানে চতুর্থ, ১২০ রানে পঞ্চম, ১২৭ রানে ষষ্ঠ, ১৪৫ রানে সপ্তম, ১৫০ রানে অষ্টম, ১৫৫ রানে নবম ও ১৬৩ রানে অলআউট হয় সিলেট। অলক কাপালি ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন।

বল হাতে সিলেটের ব্যাটিং লাইনআপে ধ্বস নামান চট্টগ্রামের ইরফান হোসেন। তিনি ১৩.২ ওভার বল করে ২ মেডেনসহ ৫৭ রান দিয়ে ৬টি উইকেট নেন। ৩টি উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। অপর উইকেটটি নেন মেহেদী হাসান রানা।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৯ রানেই উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। ১ রান করে ফিরে যান ইরফান শুক্কুর। এরপর সাদিকুর রহমান ও পিনাক ঘোষ মিলে ৯৩ রান পর্যন্ত টেনে নেন দলীয় সংগ্রহকে। এই রানে সাদিকুর রহমান আউট হন। ৩৭ রান করে যান তিনি। তৃতীয় উইকেটে মুমিনুলকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ১৭৫ পর্যন্ত টেনে নেন পিনাক। এই রানে ফিরেন অধিনায়ক মুমিনুল হকও। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৭টি রান।

দলীয় ১৮২ রানের মাথায় তাসামুল হক ব্যক্তিগত ১ রানে সাজঘরে ফেরেন। ১৮৬ রানের মাথায় আউট হন পিনাক ঘোষ। মাত্র ৮৩ বল খেলে ১৬টি চার ও ২ ছক্কায় ১০০ রান করে যান। ১৯০ রানের মাথায় মাসুম খান টুটুল আউট হওয়ার পর মাহিদুল ইসলাম আকন ও মেহেদী হাসান রানা মিলে দিন শেষ করেন। কালকে তারা দুজন দলকে কতদূর টেনে নিতে পারেন দেখার বিষয়।

বল হাতে সিলেটের আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী ও এনামুল হক জুনিয়র ২টি করে উইকেট নেন।


ঢাকা/আমিনুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন