ঢাকা     শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭ ||  ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

বৈশ্বিক গবেষণা খাতের দুর্বলতা ও প্রসঙ্গ বাংলাদেশ

|| রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:২৩, ৪ জুলাই ২০২০  

করোনাভাইরাসের সংক্রমণে বিশ্বব্যাপী যে মহাতাণ্ডব শুরু হয়েছে তার অনিশ্চয়তা নিয়ে ভাবতে বসলে একজন সম্ভাব্য আক্রান্ত মানুষ হিসেবে বিশ্বের গবেষণা খাতের দুর্বলতাই সবার আগে চোখে পড়ে। উন্নত দেশগুলোর সম্পদের সক্ষমতা থাকলেও মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য গবেষণা খাতে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর হলো, ৯০-এর দশক থেকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের চেয়ে সামরিক খাত, ব্যবসা ও বাণিজ্য নিয়ে এসব দেশের আগ্রহ অনেক বেশি। ফলে বিস্কুটের মান বাড়ানোর চেয়ে এর মোড়কের পরিবর্তন লক্ষণীয়। গবেষণা বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য-উপাত্ত পাওয়া যায় না। ওইসিডি-ভুক্ত দেশগুলো বিবেচনা করলেও এই চিত্র ফুটে ওঠে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, গবেষণার জন্য অর্থায়নের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে ব্যবসা সংক্রান্ত ও ব্যক্তিখাত থেকে, ২৫ শতাংশের মতো আসে সরকারিভাবে এবং বাকি অংশ আসে শিক্ষা ও অন্যান্য বেসরকারি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান থেকে। ২০০০ সালে স্বাক্ষরিত ‘লিসবন স্ট্র্যাটেজি’তে সরকারি-বেসরকারি মিলে ইউরোপের দেশগুলোর জন্য গবেষণা খাতে জিডিপির ৩ শতাংশ ব্যয় করার ঘোষণা রয়েছে যেখানে দুই-তৃতীয়াংশ ব্যক্তিখাত থেকে আসার কথা। বৈশ্বিক গবেষণা খাতের মূল যোগান দাতা বেসরকারি খাত হলেও সরকারি গবেষণার গুরুত্ব অনেক। একটি সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, সরকারি অর্থায়নে গবেষণাখাতে ১ ডলার বিনিয়োগ করলে বেসরকারিখাত কর্তৃক ১.৬ ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ বাড়তে পারে যা আসলে সমষ্টিক অর্থনীতির ‘ক্রাউডিং ইন’-কে প্রতিফলিত করে।

গবেষণা খাতের প্রবৃদ্ধি ছাড়া সব দেশের জন্য বাণিজ্যের সুফল, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, অটোমেশনের মাধ্যমে দ্রব্য ও সেবার উৎপাদন বৃদ্ধিসহ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। দীর্ঘমেয়াদে সম্পদ সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গবেষণা খাতে বিনিয়োগের বিকল্প নেই। স্বল্প মেয়াদেও অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও অন্যান্য সংকট মোকাবিলায় গবেষণার বহুল প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি মিলে গবেষণাখাতে বৈশ্বিকভাবে বছরে ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলারের মতো ব্যয় হয় যার ৮০ শতাংশই আসে মাত্র ১০টি দেশ থেকে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, গবেষণা খাতে ওইসিডি দেশগুলোর ব্যয় মোট জিডিপির ২.৪ শতাংশ যা ২০৩০ পর্যন্ত ৩ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী জিডিপি-এর অনুপাতে শীর্ষ দশটি দেশ হলো ইসরাইল (৪.৫৮%), দক্ষিণ কোরিয়া (৪.৫৫%), সুইজারল্যান্ড (৩.৩৭%), সুইডেন (৩.৩১%), জাপান (৩.২০%), অস্ট্রিয়া (৩.১৬%), ডেনমার্ক (৩.১০%), জার্মানি (৩.০৪%), ইউএসএ (২.৮০%) ও ফিনল্যান্ড (২.৭৬%)। এর মাঝে গবেষণা খাতে সরকারি বিনিয়োগের শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আইসল্যান্ড, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক যাদের নিজ নিজ অবদান মোট জিডিপির ১ শতাংশের বেশি। অন্যান্য সকল দেশের ক্ষেত্রে তা ১ শতাংশের নিচে।

গবেষণা খাতে বিনিয়োগের সাথে উদ্ভাবন উদ্যোগের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। সামান্য ব্যতিক্রম বাদ দিলে গবেষণা খাতে যেসব দেশের বিনিয়োগ বেশি সেসব দেশগুলোর উদ্ভাবন উদ্যোগ বেশি। ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অরগেনাইজেশন-এর গ্লোবাল ইনভেশন ইনডেক্স, ২০১৯-এর তথ্য থেকে দেখা যায় শীর্ষ দশ দেশ হচ্ছে সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, ইউএসএ, নেদারল্যান্ড, ইউকে, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক, সিঙ্গাপুর, জার্মানি ও ইসরাইল। এছাড়া দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের অবস্থান যথাক্রমে ১১তম ও ১৫তম। মজার বিষয় হচ্ছে, সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সুবিধাজনক অবস্থানে থাকায় ছোট অর্থনীতির দেশগুলো এ তালিকায় দাপট দেখাচ্ছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী অর্থ ব্যয়ের (বিলিয়ন মার্কিন ডলার) হিসাব অনুসারে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলো হলো ইউএসএ (৫১১), চীন (৪৫২), জাপান (১৬৬), জার্মানি (১১৯), দক্ষিণ কোরিয়া (৭৮), ফ্রান্স (৬২), ভারত (৫০), ইউকে (৪৮), ব্রাজিল (৪১) ও রাশিয়ান ফেডারেশন (৩৭)।   

তৃতীয় বিশ্বের দেশ বা অন্যভাবে বললে অনুন্নত দেশসমূহের যে সকল প্রচলিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে তার মধ্যে দুর্বল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ভঙ্গুর স্থানীয় সরকার, কপিরাইট আইনের ন্যূনতম প্রয়োগ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখ্য। প্রসঙ্গত, মাথাপিছু আয়ের স্বল্পতা কিংবা কম গড় আয়ুসহ অন্যান্য বিষয় তো আছেই। তবে অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সম্পদের সীমাবদ্ধতার কারণে গবেষণা খাতের দুর্বলতাই অন্যতম। স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহে যতটুকু গবেষণা হয় তার একটি বড় অংশই গড় ও শতাংশ ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল। অথচ, এগুলো সিদ্ধান্ত গ্রহণকে ভুল পথে চালিত করতে পারে। একটি উদাহরণ দেই। ধরা যাক, বর্ষা মৌসুমে দশজনের দল একটি খাল পার হবে। তাদের উচ্চতার পার্থক্য রয়েছে, কেউ ৫.৫ ফুট, কেউ আবার ৩ ফুট উচ্চতার। গড়ে তাদের উচ্চতা ৪.৫ ফুট যেখানে খালের গভীরতা ৪ ফুট বলে জানা যায়। এখন যদি খাল পার হবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তবে সবাই কি পার হতে পারবে? গড় হিসাবের সাথে স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও তা সঠিক হবে না। বাস্তবে সবাই খাল পার হতে পারবে না। এভাবে গড় ও শতাংশের উপর নির্ভর করে পরিচালিত গবেষণা থেকে ফলপ্রসূ কিছু পাওয়া যায় না।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশসমূহে গবেষণা থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের চেয়ে সুপারিশ অনেক বেশি থাকে যার ফলে গবেষণার ফলাফল বাস্তবায়ন দুষ্কর হয়ে পড়ে। আরও লক্ষণীয় যে, প্রায় সকল গবেষণায় কিছু সাধারণ সুপারিশ উঠে আসে। যেমন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, দুর্নীতি হ্রাস, সরকারের দক্ষতা বাড়ানো ইত্যাদি। এমনকি রসায়নের কোন গবেষণায় এসব বিষয় উঠে এলেও অবাক হবার কিছু নেই! দুর্বল গবেষণা খাতের জন্য অনেক ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ সঠিক হয় না। সরকার পরিচালনায় এসব দেশ মূলত অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। আর অভিজ্ঞতার একটি বড় অংশ নেতিবাচকভাবেই ব্যবহৃত হয়। উন্নত দেশের মতো এসব দেশেও মোট গবেষণায় সরকারি খাতের অবদান খুবই অল্প। সরকারি ও ব্যক্তি খাতের লক্ষ্য ও অর্জনের ভিন্নতা থাকায় তা স্বাভাবিক বলে মনে হতে পারে। সরকারের উদ্দেশ্য যেখানে সেবা নিশ্চিতকরণ সেখানে ব্যক্তি খাতের উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন। সে বাস্তবতায় গবেষণায় সরকারের কার্যত স্বল্পমেয়াদে কোনো ইনসেন্টিভ নেই বলে সরকারের বিনিয়োগের আগ্রহ কম। আর দীর্ঘমেয়াদী ইনসেন্টিভ নিয়েও সরকারের সঠিক হিসাব নেই, পাশাপাশি আগ্রহ অনেক কম। তাছাড়া সম্পদের সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক কারণ তো রয়েছেই।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করে শেষ করতে চাই। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও মানব উন্নয়ন সূচকে বর্তমান বিশ্বে ইতিবাচকভাবে বহুল আলোচিত দেশ বাংলাদেশ। এসব অর্জন ধরে রেখে সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০৪১ অর্জন করতে হলে গবেষণায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। জাতিসংঘের ধারণা অনুযায়ী ‘উন্নত বাংলাদেশ’ ও একইসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুসারে ‘উচ্চ আয়ের দেশে’ উন্নীত হতে হলে গবেষণায় আমাদের অধিক মনোযোগ দেবার অবকাশ রয়েছে। এক হিসাব বলছে, ১৯৮০ সাল থেকে যেসব দেশ ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদ’ অতিক্রম করে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হতে উচ্চ আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে তাদের সাফল্যের মূলে ছিল গবেষণা ও উদ্ভাবনে অধিক বিনিয়োগ। এক্ষেত্রে দক্ষিন কোরিয়া, তাইওয়ান, সিঙ্গাপুরের নাম স্মরণ করা যেতে পারে। বাংলাদেশের জন্য মধ্যম আয়ের ফাঁদ ধারণার পাশাপাশি বর্তমান নিম্ন-মধ্যম আয় হতে উচ্চ-মধ্যম আয়ে উন্নীত হবার চ্যালেঞ্জও রয়েছে। সরকারের এ সকল লক্ষ্য বাস্তবায়নে কী করণীয়?

সচেতনভাবে একটি মাত্র প্রস্তাবনা দিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আলোকপাত করতে চাই। বাংলাদেশের আগামী দিনের প্রকল্প নির্ধারণ, অর্থায়ন ও বাস্তবায়নে অনেক বেশি গবেষণানির্ভর হতে হবে। ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ কৌশলের মতো শুধু গাণিতিক কিছু সংখ্যার উপর নির্ভরতা কমিয়ে সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি ও সমাজের উপর এসব প্রকল্পের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করতে হবে। যদিও বৈদেশিক অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্প ছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই পরিপূর্ণভাবে ইমপ্যাক্ট এনালাইসিস অনুপস্থিত। প্রকল্প তৈরি ও বাস্তবায়নে সামাজিক খরচ ও লাভের পরিপূর্ণ হিসাব না করতে পারলে সকল আয়ের মানুষের জন্য উন্নয়ন অসম্ভব হবে। ফলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। এক টাকা বিনিয়োগ করলে বা এক টাকার সমপরিমাণ সম্পদ সৃষ্টির হলে তা যতটুকু সম্ভব সকল আয়ের মানুষের মাঝে সমভাবে বণ্টন করার প্রক্রিয়াকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। মাথায় রাখতে হবে, আমাদের এ বিশাল অর্থনৈতিক যজ্ঞে একজন প্রতিবন্ধী কিংবা সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পক্ষে তার আয় বাড়ানো অসম্ভব।

এ কথা অনস্বীকার্য, শুধু এনপিভি (Net Present Value), আইআরআর (Internal Rate of Return), মডিফাইড আইআরআর, প্রফিটাবিলিটি ইনডেক্স, ইত্যাদির উপর নির্ভর করে প্রকল্প নির্ধারণ একেবারেই অযৌক্তিক। একটি উদাহরণ দিলে পরিষ্কার হবে। ধরুন, গ্রামের জনগণের আয় বৃদ্ধির জন্য একটি প্রকল্প নেয়া হল। সেজন্য প্রকল্প পরিচালকের জন্য একটি গাড়ি ও অফিস বরাদ্দ করা হলো। বছর শেষে যদি আর কোনো কাজ নাও করা হয় তবুও গাড়ি ও অফিস বাবদ অর্থ বরাদ্দের জন্য এনপিভি এর মান ধনাত্মক হবে। কারণ অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি ও নন-জিরো সুদের হারের জন্য একটি ধনাত্মক time value for money বিদ্যমান। ব্যক্তিখাতের বিনিয়োগের জন্য এনপিভি, আইআরআর, মডিফাইড আইআরআর, প্রফিটাবিলিটি ইনডেক্স, ইত্যাদি গাণিতিক ফর্মুলা কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে যেকোন দেশের সার্বিক অর্থনীতির অগ্রযাত্রায় সরকারি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণে তা আশানুরূপভাবে কার্যকর নয়। এনপিভি থেকে সম্ভাব্য খরচ (cost of capital) ও আইআরআর থেকে সম্ভাব্য প্রাপ্তির (rate of return) যে হার পাওয়া যায় তা ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য যথার্থ। কারণ ব্যক্তিখাত এসব হিসাব মেলানো ও অর্জনের মাধ্যমেই তার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে থাকে। পূর্বে উল্লেখিত ব্যক্তিখাত ও সরকারের উদ্দেশ্যের পার্থক্যই এর মূল কারণ।

ব্যক্তিখাতের লক্ষ্য যেখানে accounting profit সরকারের লক্ষ্য সেখানে economic profit অর্জন করা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সরকারের এ উদ্দেশ্য বিবেচনায় নিয়ে ব্যাপক ও সুনির্দিষ্ট গবেষণা করেই প্রকল্প নির্ধারণ করা উচিত হবে। কোভিড-১৯ থেকে বৈশ্বিকভাবে গবেষণাখাতের যে দুর্বলতা উঠে এসেছে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলার প্রতিফলনে ‘রূপকল্প-২০৪১’ বিনির্মাণে গবেষণায় অধিক বিনিয়োগ করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এ চ্যালেঞ্জ জয় করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

লেখক: উন্নয়ন অর্থনীতি গবেষক


ঢাকা/তারা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়