ঢাকা, বুধবার, ২৫ চৈত্র ১৪২৬, ০৮ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

দুই ঘণ্টার ব‌্যবধানে গণফোরামের ভিন্ন বক্তব‌্য

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-১৩ ৭:৫৬:৪৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-১৩ ৮:১৬:০৩ পিএম

ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামে অন্তর্দ্বন্দ্ব আরও নাটকীয়তায় মোড় নিয়েছে। দুই ঘণ্টার ব্যবধানে গণফোরামের নাম করে দুই রকম দুইটি মেইল পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল ৩টা ৪২ মিনিটে সম্প্রতি ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া স্বাক্ষরিত একটি মেইল পাঠানো হয়।

এরপর বেলা ৫ টা ৫৪ মিনিটে মো. আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত আর একটি মেইল পাঠানো হয়।  তাতে তিনি নিজেকে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক বলে উল্লেখ করেছেন।

ড. রেজা কিবরিয়া স্বাক্ষরিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়েছে, 'করোনাভাইরাস পৃথিবীব্যাপী মহামারি আকার ধারণ করেছে। আমাদের দেশও এই মহামারির বাইরে নয়। সেজন্য সরকার ও প্রশাসন গণজমায়েত না করার জন্য সতর্ক করেছে। এ অবস্থায় আমাদের গণফোরাম কার্যালয়ে পরবর্তী নোটিশ না দেওয়া পর্যন্ত কোন সভা করা যাবে না।'’

দুই ঘণ্টা পরে মো. আজাদ হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে আগামীকাল গণফোরাম কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আহ্বান করা হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'গণফোরামের কেন্দ্রিয় কমিটির বর্ধিত সভা আগামী ১৪ মার্চ বিকাল ৩টায় দলের কেন্দ্রিয় কার্যালয় ইডেন কমপ্লেক্স ২/১ এ, আরামবাগ, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে । দলের উদ্ভূত পরিস্হিতিতে এ জরুরি সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আগামী দিনের কর্মপন্থা নির্ধারণ করবেন। বর্ধিত সভায় গণফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সকল সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সকলকে যথা সময়ে উপস্হিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

দুই ধরনের বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে গণফোরামের আহ্বায়ক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, 'তা হবে না। আজাদ (গণফোরামের) কোনো কিছু নয়। কোনো পদে নেই । আগে ছিল। এটা অথরাইজ না। ওটা আমরা পাত্তা দিচ্ছি না। করোনাভাইরাস সিরিয়াস বিষয়। সেজন্য গণফোরাম বিষয়টিকে সেইভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।'

তিনি বলেন, 'আজকেই গণফোরামের অফিসে আপাতত শেষ বৈঠক। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত গণফোরামের কার্যালয়ে আর কোনো প্রকার সভা করা হবে না।’

যোগাযোগ করা হলে আজাদ হোসেন জানান, গণফোরামে এখন দুইটি পক্ষ রয়েছে। একটি পক্ষ মনে করে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী গণফোরামের আগের কমিটি সঠিক, আহ্বায়ক কমিটিকে তারা মানতে নারাজ। সে কারণে আমি যেহেতু আগের কমিটির দপ্তর সম্পাদক ছিলাম, আমাকে তারা দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ধরেই আমার নামে হয়তো মেইলটি পাঠিয়েছে।’

আজাদ মনে করেন, এই দ্বিধা-বিভক্তি এক সময় থাকবে না। এটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়ে যাবে।


ঢাকা/সাওন/সাজেদ