ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১২ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ওয়ানডেতে সাফল্যের রহস্য জানালেন মিরাজ

ইয়াসিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-১২-১৪ ৯:৪৪:০৫ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-১২-১৫ ১০:২৭:২০ এএম

ক্রীড়া প্রতিবেদক: সাদা পোশাকে মেহেদী হাসান মিরাজ নিজের গ্রহণযোগ্যতা বুঝিয়েছেন নিজের অভিষেক সিরিজ থেকেই। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অভিষেকে মিরাজ ২ টেস্টে নিয়েছিলেন ১৯ উইকেট।

এরপর ধারাবাহিক বল হাতে দ্যুতি ছড়িয়ে যাচ্ছেন। টেস্টে এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে পেয়েছেন ৮৪ উইকেট। সাকিব, মিরাজ ও তাইজুল; বাংলাদেশের এ স্পিন ত্রয়ীর পারফরম্যান্স নজরকাড়া এবং তাদের হাত ধরে ধারাবাহিক সাফল্য আসছে। টেস্টে যেভাবে মিরাজ শুরুতে নিজেকে মেলে ধরেছিলেন সেভাবে ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টিতে পারেননি। দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের শুরু থেকে রঙিন পোশাকে নিজেকে চেনা রূপে ফিরে পান মিরাজ।

২২ ওয়ানডেতে ২৪ উইকেট পাওয়া মিরাজ চলতি বছর ১৫ ওয়ানডেতে পেয়েছেন ১৮ উইকেট। আজ সিলেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪ উইকেট পেয়েছেন মিরাজ। দলকে সিরিজ উপহার দিতে পেরে বেশ খুশি মিরাজ,‘খুব ভালো লাগছে। ফিল্ডিং নেওয়ার পর মাশরাফি (ভাই) আমাকে এক প্রান্ত দিয়ে টানা আট ওভার বোলিং করিয়েছিলেন। পরে ফিরে দুইটা ‘ব্রেক থ্রু’ দিতে পেরেছিলাম। এটা করতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছে।’

পুরো বছরে নিজের পারফরম্যান্সে বেশ খুশি মিরাজ। ভালো পারফরম্যান্সে রহস্য জানিয়েছেন ম্যাচ শেষে,‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর দিয়ে আমি এই সংস্করণে নিয়মিত খেলছি। আমাকে মাশরাফি (ভাই), মুশফিক (ভাই) সব সময় বলে, এই সংস্করণে আঁটসাঁট বোলিং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি যদি আঁটসাঁট লাইনে বোলিং করি, ইকোনমি যদি ঠিক থাকে তাহলে অন্য প্রান্তে উইকেট পড়ার সম্ভাবনা থাকে। দীর্ঘ দিন আঁটসাঁট বোলিং করে যাওয়ার কারণেই হয়তো আজকে চারটা উইকেট পেয়েছিল। তারা আমাকে সব সময় বলে আঁটসাঁট বোলিং করার জন্য। এটা হতে থাকলে তিন-চার-পাঁচটা উইকেট হয়ে যাবে। টানা যদি চাপটা ধরে রাখা যায় উইকেট আসবেই। দেখা গেল, পাঁচ ম্যাচ পরে একটা চার উইকেট হল।’



নতুন বলে ইনিংসের শুরু থেকেই তাকে আক্রমণে আনছেন অধিনায়ক। নতুন বলে বল করেও বেশ সাচ্ছন্দ্য এ অফস্পিনারের। বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানদের থামিয়ে রাখার কাজটা সহজ না। কিন্তু বেশ আরামেই কাজটা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছেন বাংলাদেশ দলের সর্বোকনিষ্ঠ ক্রিকেটার। এতে চ্যালেঞ্জ আসছে কিন্তু চ্যালেঞ্জ জয় করে বেশ তৃপ্ত মিরাজ,‘শুরুতে বোলিং করা একটু কঠিন। মাত্র দুই জন ফিল্ডার বাইরে থাকে। ওই খানে কিন্তু একটু এদিক-সেদিক হলে বাউন্ডারির সম্ভাবনা বেশি থাকে। শুরুর দিকে বোলিং করতে ভালো লাগে। এই সময়ে ভালো জায়গায় বোলিং করলে কিন্তু সুযোগও বেশি থাকে উইকেট পাওয়ার। ডট বল খেলানোরও সুযোগ বেশি থাকে।’

‘আমাকে যখন নতুন বল দেওয়া হয়, আমি চেষ্টা করি জায়গায় বোলিং করে যাওয়ার আর বাউন্ডারির সুযোগ যেন না পায়। ওখানে এক রান হোক, কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু বাউন্ডারির সুযোগ পেয়ে গেলে ব্যাটসম্যানের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। চেষ্টা করি যদি আঁটসাঁট লাইনে জায়গায় বোলিং করে যাওয়ার। এক-দুই রান হোক কিন্তু বাউন্ডারিটা যেন না হয়।’ – বলেছেন মিরাজ।



রাইজিংবিডি/সিলেট/১৪ ডিসেম্বর ২০১৮/ইয়াসিন

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন