ঢাকা, শনিবার, ৯ ভাদ্র ১৪২৬, ২৪ আগস্ট ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

কটরেল-হোপে উড়ে গেল বাংলাদেশ

আবু হোসেন পরাগ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-১২-১৭ ১২:০৫:৪১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৮-১২-১৭ ১০:৫৫:০৪ পিএম
কটরেল-হোপে উড়ে গেল বাংলাদেশ
Walton E-plaza

আবু হোসেন পরাগ : প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বড় পরাজয়

ব্যাটিংয়ে ছিল না বড় পুঁজি। সাকিব আল হাসানের একার লড়াইয়ে তবুও ১২৯ রান করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। শেলডন কটরেলের ৪ উইকেটের পর শাই হোপের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে স্রেফ উড়ে গেছে স্বাগতিকরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ জিতেছে ৫৫ বল বাকি থাকতেই।

ওয়ানডে সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হোপ মাত্র ২৩ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে খেলেন ৫৫ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে তার বিদায়ের পর ১৯ বলে ৩২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে বাকি কাজটা সেরেছেন নিকোলাস পুরাণ (১৭ বলে ২৩) ও কিমো পল (১৪ বলে ২৮)।

টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারের পর প্রথম টি-টোয়েন্টি জিতে তিন ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষ দুই ম্যাচ হবে ঢাকায়, ২০ ও ২২ ডিসেম্বর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ১৯ ওভারে ১২৯ (তামিম ৫, লিটন ৬, সৌম্য ৫, সাকিব ৬১, মুশফিক ৫, মাহমুদউল্লাহ ১২, আরিফুল ১৭, সাইফউদ্দিন ১, মিরাজ ৮, আবু হায়দার ১*, মুস্তাফিজ ০; কটরেল ৪/২৮, পল ২/২৩, ব্রাফেট ১/১৩, অ্যালেন ১/১৯, টমাস ১/৩৩)।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ১০.৫ ওভারে ১৩০/২ (লুইস ১৮, হোপ ৫৫, পুরাণ ২৩*, পল ২৮*; মাহমুদউল্লাহ ১/১৩, সাইফউদ্দিন ১/১৩)।

হোপকে থামালেন মাহমুদউল্লাহ

প্রথমবারের মতো আক্রমণে এসে বিপজ্জনক শাই হোপকে ফিরিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। অফ স্পিনারের অফ স্টাম্পের বলে ডিপ এক্সট্রা কভারে মুস্তাফিজুর রহমানের হাতে ক্যাচ দেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

মাত্র ২৩ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে ৫৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন হোপ। তার বিদায়ের সময় ৭.৪ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৯৮ রান। নিকোলাস পুরাণের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কিমো পল।

পাওয়ার প্লেতে রেকর্ড রান

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৯১ রান তুলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ার প্লেতে যৌথভাবে সর্বোচ্চ রান এটি। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নেদারল্যান্ডস ও এ বছর ত্রিদেশীয় সিরিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ৬ ওভারে ৯১ রান তুলেছিল।

তৃতীয় দ্রততম হোপ

হোপের ১৬ বলে ফিফটি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তৃতীয় দ্রততম। ২০১৬ সালে অকল্যান্ডে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১৪ বলে ফিফটি করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের কলিন মানরো। আর ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডারবানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের যুবরাজ সিংয়ের ১২ বলে ফিফটি সবচেয়ে দ্রততম।

হোপের ঝোড়ো ফিফটি

ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৬ বলেই ফিফটি তুলে নিয়েছেন শাই হোপ। ৬ ছক্কা ও ৩ চারে ফিফটি করেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। এর মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজের দুই ওভারে তিনি হাঁকিয়েছেন পাঁচটি ছক্কা ও একটি চার।

জুটি ভাঙলেন সাইফউদ্দিন

আগের বলে হজম করেছিলেন ছক্কা। পরের বলেই এভিন লুইসকে ফিরিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ডানহাতি পেসারের শর্ট বল পুল করতে গিয়ে লং অনে আরিফুল হকের ক্যাচে পরিণত হন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

লুইস ১১ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় করেন ১৮ রান। ৩.২ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ তখন ১ উইকেটে ৫১ রান। ২৯ রানে ব্যাটিং করা শাই হোপের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন নিকোলাস পুরাণ।

১৯ বলেই পঞ্চাশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় উড়ন্ত সূচনা পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৩.১ ওভারেই দলীয় পঞ্চাশ ছুঁয়েছে তাদের স্কোর। এর মধ্যে দ্বিতীয় ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজকে তিন ছক্কা হাঁকান শাই হোপ। হোপ ৯ বলে ২৯ ও এভিন লুইস ১০ বলে ১৮ রানে অপরাজিত আছেন।

২০ ওভারও খেলতে পারল না বাংলাদেশ

পুরো ২০ ওভারও খেলতে পারল না বাংলাদেশ। ১৯তম ওভারের শেষ তিন বলের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ ও মুস্তাফিজুর রহমানকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দিয়েছেন কিমো পল। এক ওভার বাকি থাকতে ১২৯ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ।

বেশিরভাগই ব্যাটসম্যানই আউট হয়েছেন শর্ট বলে। দলকে একাই টেনেছেন সাকিব আল হাসান। সাকিব ৪৩ বলে ৬১ রান না করলে বাংলাদেশের একশ হওয়াও কঠিন ছিল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ রান আরিফুল হকের। দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন আর মাত্র একজন- মাহমুদউল্লাহ করেছেন ১২ রান।

২৮ রানে ৪ উইকেট নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা বোলার শেলডন কটরেল। এটিই তার টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার সেরা বোলিং। ৪ উইকেটই শর্ট বলে পেয়েছেন বাঁহাতি এই পেসার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

বাংলাদেশ: ১৯ ওভারে ১২৯ (তামিম ৫, লিটন ৬, সৌম্য ৫, সাকিব ৬১, মুশফিক ৫, মাহমুদউল্লাহ ১২, আরিফুল ১৭, সাইফউদ্দিন ১, মিরাজ ৮, আবু হায়দার ১*, মুস্তাফিজ ০; কটরেল ৪/২৮, পল ২/২৩, ব্রাফেট ১/১৩, অ্যালেন ১/১৯, টমাস ১/৩৩)।

সাকিবের ৪৩ বলে ৬১

আগের বলেই শেলডন কটরেলকে লং অন দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন সাকিব। পরের বলেও বাঁহাতি পেসারকে উড়াতে গিয়ে অবশ্য আউট হলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। শর্ট বল পুল করেছিলেন সাকিব। বল উঠে যায় আকাশে। নিজের বলে নিজেই ক্যাচ নেন বোলার।

দলকে একাই টেনেছেন সাকিব। ৪৩ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ৬১ রান করেছেন অধিনায়ক। তখন ১৭.৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ১২২ রান।

এসেই আউট সাইফউদ্দিন

দুই বল খেলেই আউট হয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। কার্লোস ব্রাফেটকে পুল করতে গিয়ে লং অনে ক্যাচ দেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ১৬.১ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৭ উইকেটে ১০৬ রান।

দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সাকিবের ফিফটি

সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে দলকে একাই টানছেন সাকিব আল হাসান। অধিনায়ক তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ব্যক্তিগত ৪৫ থেকে বাঁহাতি স্পিনার ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে মিড উইকেটের ওপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে পঞ্চশ পূর্ণ করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ৪০ বলে পঞ্চাশ করতে ৭টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান সাকিব।

রান তোলার তাড়ায় ফিরলেন আরিফুল

রান তোলার তাড়ায় আউট হয়েছেন আরিফুল হক। বাঁহাতি স্পিনার ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে স্লগ সুইপে উড়াতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। সীমানার কাছে ক্যাচ নেন নিকোলাস পুরাণ।

১৮ বলে ২ চারে ১৭ রান করেন আরিফুল। তার বিদায়ে ভাঙে ৩০ রানের ষষ্ঠ উইকেট জুটি। ১৫.৪ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৬ উইকেটে ১০৩ রান। সাকিব আল হাসান ৪৫ রানে ব্যাট করছেন। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

বাংলাদেশের একশ

১৫তম ওভারে কিমো পলের প্রথম পাঁচ বলে কোনো রানই নিতে পারেননি আরিফুল হক। তবে শেষ বলে কভারের ওপর দিয়ে চার হাঁকিয়ে বোলারকে মেডেন নিতে দেননি ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তার এই চারে বাংলাদেশ ছুঁয়েছে দলীয় শতরান।

১৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১০২ রান। অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৪৪ ও আরিফুল হক ১৭ রানে অপরাজিত আছেন।

পারলেন না মাহমুদউল্লাহও

সাকিব আল হাসানকে ভালোই সঙ্গ দিচ্ছিলেন। উইকেটে থিতুও হয়ে গিয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। বাঁহাতি পেসার শেলডন কটরেলের অফ কাটারে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

১৯ বলে একটি চারে ১২ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ১০.২ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৫ উইকেটে ৭৩ রান। দলকে একাই টানছেন সাকিব। অধিনায়ক অপরাজিত আছেন ৩৪ রানে। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন আরিফুল হক।

পাওয়ার প্লেতে পঞ্চাশ

পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের স্কোর। ৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৫৪ রান। সাকিব আল হাসান ২৩ ও মাহমুদউল্লাহ ৪ রানে অপরাজিত আছেন।

মুশফিক রান আউট

রান আউট হয়ে ফিরলেন মুশফিকুর রহিম। ষষ্ঠ ওভারে প্রথমবারের মতো আক্রমণে আসা কিমো পলের গুড লেংথ বল ডিফেন্স করেছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। নন স্ট্রাইকে থাকা সাকিব আল হাসানের ডাকে সাড়া দিয়ে রান নিতে যান মুশফিক। কিন্তু দৌড় শুরু করেও কিছুটা থেমে গিয়েছিলেন। কাল হলো সেটিই। কিছুটা সামনে এগিয়ে এসে বল ধরেই সরাসরি থ্রোয়ে নন স্ট্রাইক প্রান্তের স্টাম্প ভেঙে দেন রোভম্যান পাওয়েল। মুশফিক তখন অনেকটা দূরেই।

৩ বলে একটি চারে ৫ রানে শেষ মুশফিকের ইনিংস। তখন ৫.১ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৪৮ রান। ২৩ রানে ব্যাটিং করছেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ।

আরেকটি শর্ট বল, আরেকটি উইকেট

পরপর তিন ওভারে তিনটি শর্ট বলে আউট হলেন বাংলাদেশের প্রথম তিন ব্যাটসম্যান। এবার বাঁহাতি পেসার শেলডন কটরেলের শর্ট বল পুল করতে গিয়েছিলেন সৌম্য সরকার। টপ এজ হয়ে বল উঠে যায় আকাশে। মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ নেন রোভম্যান পাওয়েল।

৪ বলে একটি চারে ৫ রান করে ফেরেন সৌম্য। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৩ উইকেটে ৩১ রান। ১১ রানে ব্যাটিং করা সাকিব আল হাসানের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম।

টিকলেন না লিটন

আগের ওভারে ফিরে যান তামিম ইকবাল। পরের ওভারে ফিরলেন তার ওপেনার সঙ্গী লিটন দাসও। তিনিও আউট হয়েছেন তামিমের মতো করেই। ওশানে টমাসের শর্ট বল পুল করতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। টপ এজ হয়ে সহজ ক্যাচ উঠে যায় মিড অফে।

৫ বলে একটি চারে ৬ রান করেন লিটন। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ২ উইকেটে ১৯ রান। সৌম্য সরকারের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

পারলেন না তামিম

প্রথম ওভারেই জীবন পেয়েছিলেন। সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেন না তামিম ইকবাল। ফিরলেন পরের ওভারেই। বাঁহাতি পেসার শেলডন কটরেলের শর্ট পল পুল করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। টপ এজ হয়ে বল উঠে যায় মিড অফে। সহজ ক্যাচ নিতে ভুল করেননি কার্লোস ব্রাফেট।

৭ বলে ৫ রান করেন তামিম। তার বিদায়ে ভাঙে ১১ রানের উদ্বোধনী জুটি। লিটন দাসের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সৌম্য সরকার।

জীবন পেলেন তামিম

শূন্য রানে জীবন পেলেন তামিম ইকবাল। ইনিংসের সেটি ছিল মাত্র দ্বিতীয় বল। পেসার ওশানে টমাসের অফ স্টাম্পের বলে ড্রাইভ করেছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ক্যাচ উঠে যায় মিড অফে। কঠিন ছিল, তবুও ডান দিকে ঝাঁপিয়ে চেষ্টা করেছিলেন কার্লোস ব্রাফেট। বলে হাত ছোঁয়ালেও তালুবন্দি করতে পারেননি তিনি।

সুযোগ পেলেন আরিফুল

দলের সঙ্গেই থাকছেন সব সময়। কিন্তু আরিফুল হক সুযোগ পাচ্ছিলেন না ম্যাচ খেলার। এবার সুযোগটা পেলেন এই অলরাউন্ডার। একাদশে জায়গা হয়নি মোহাম্মদ মিথুনের। বাংলাদেশ একাদশ সাজিয়েছে তিন পেসার নিয়ে। সেখানে জায়গা হয়নি রুবেল হোসেনেরও। মুস্তাফিজুর রহমান ও আবু হায়দার রনির সঙ্গে আছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

বাংলাদেশ একাদশ

তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মাহমুদউল্লাহ, আরিফুল হক, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, আবু হায়দার  রনি, মুস্তাফিজুর রহমান।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ

এভিন লুইস, শাই হোপ, শিমরন হেটমায়ার, ড্যারেন ব্রাভো, নিকোলাস পুরাণ, রোভম্যান পাওয়েল, কার্লোস ব্রাফেট (অধিনায়ক), ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, কিমো পল, শেলডন কটরেল, ওশানে টমাস।

 



টস

টস জিতে আগে ব্যাটিং নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরু দুপুর সাড়ে ১২টায়।

তিন সিরিজই জিততে চায় বাংলাদেশ

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হারানোর পর ওয়ানডেতে বাংলাদেশ জিতেছে ২-১ ব্যবধানে। এবার টি-টোয়েন্টির পালা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটিতে আজ মুখোমুখি দুই দল। প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষকে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজে তিন ফরম্যাটেই সিরিজ হারাতে মুখিয়ে আছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস বলেছেন, ‘নিশ্চিতভাবেই সম্ভব। খেলাধুলা সব সময়ই কঠিন। আপনি কখনো কখনো হারবেন, আবার কখনো কখনো জিতবেন। কিন্তু কখনো কখনো মনে হবে কেন আপনি জিতলেন আবার কেন আপনি হারলেন। তাই বলছি, এখানে আগের থেকে আগাম কিছু ধারণা করা কঠিন। আমাদের পক্ষে যেটা করা সম্ভব, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৭ ডিসেম্বর ২০১৮/পরাগ

Walton AC
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
       

Walton AC
Marcel Fridge