ঢাকা, বুধবার, ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

বাড়তি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত তামিম-মাহমুদউল্লাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-২১ ৭:২৯:১২ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-২১ ৯:২৫:৪৬ পিএম

পাকিস্তানে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে অংশ নিতে বুধবার রাতে ঢাকা ছাড়বে বাংলাদেশ জাতীয় দল।

১৫ সদেস্যর দলের কেবল দুজনের এর আগে পাকিস্তান সফরের অভিজ্ঞতা আছে। ২০০৮ এশিয়া কাপ খেলতে গিয়েছিলেন তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। এ দুজন নিজেদের সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন এক ঝাঁক তরুণ ও প্রতিভাবান ক্রিকেটারকে। তাইতো অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ বলতে দ্বিধাবোধ করলেন না, ‘আমি এবং তামিম- আমরা দুজনই ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করি আমাদের দায়িত্ব বেশি থাকবে।’

‘টপ অর্ডারে তামিমের অভিজ্ঞতা অনেক বেশি কাজে আসবে। ও খুব ভালো ছন্দে আছে, রান করেছে এই বিপিএলে। আমি ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করব যে আমার দায়িত্ব যেন ভালোভাবে পালন করতে পারি। আমার যে ভূমিকা থাকবে, শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করা- আমি ওই জিনিসটা করার চেষ্টা করব।’ – যোগ করেন মাহমুদউল্লাহ।

যে দল নিয়ে মাহমুদউল্লাহ পাকিস্তানের বিপক্ষে লড়াইয়ের অপেক্ষায় সেখানে মিডল অর্ডার একেবারেই অনভিজ্ঞ। সাকিবের পাশাপাশি এবার নেই মুশফিকুর রহিমও। বিপিএলে মধ্যভাগের ব্যাটসম্যানরা কেউই ভালো করতে পারেনি। তাই বাধ্য হয়ে সব টপ অর্ডার ব্যাটসম্যনদের দলে ভিড়িয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্ট। তাদের দিকেই তাকিয়ে দল।

‘আমার মনে হয় সবারই দায়িত্ব থাকবে। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন আসতে পারে। এ জিনিসটা ওরা (নতুন ক্রিকেটাররা) এরই মধ্যে নিজেদের মধ্যে গেঁথে নিয়েছে। আশা করছি তারাও দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে।’ 

‘আফিফ শেষ কয়েকটি সিরিজে মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করেছে। ও হয়তোবা টপ অর্ডারে দারুণ ব্যাটিং করেছে বিপিএলে। অনেক টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানকে লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করতে হতে পারে। এটা মানসিকভাবে মানিয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।’

পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগীতাকে মাহমুদউল্লাহ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

‘সৌম্য বেশ কয়েক বছর ধরে টানা খেলছে। আফিফ নতুন ক্রিকেটার, নাঈমও নতুন। তবে তারা সবাই ভালো করছে কন্ডিশন এবং পরিস্থিতি বিবেচনায়। এটা খুবই ভালো একটা দিক। আমার মনে হয় এই জিনিসটি দলের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। এটা আমাদের সবার জন্যই ভালো। আমি এই জিনিসটি এভাবে দেখছি।’ – বলেছেন মাহমুদউল্লাহ।

তবে সবকিছুর পর একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে। মাহমুদউল্লাহ কি নিজের পজিশনে স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যাটিং করতে পারবেন? টি-টোয়েন্টিতে ইনিংসের শেষ দিকে ব্যাটিংয়ে নামেন মাহমুদউল্লাহ। ৬-৭ ওভার বাকি থাকতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংস ভালোমতো শেষ করে আসার কাজটা তারই। বলার অপেক্ষা রাখে না মিডল অর্ডারে সঙ্গীর উপর নির্ভর করবে তার ব্যাটিং পরিকল্পনা। মোদ্দাকথা নিজের ব্যাটিংয়ের থেকে দলের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে মাহমুদউল্লাহ।

‘আমি চেষ্টা করব আমার জায়গা থেকে পারফর্ম করার। ক্রিকেট একটি দলীয় খেলা আমি সবসময় বিশ্বাস করি। একটি দল হিসেবে যদি আমরা ভালো খেলতে পারি তাহলে আমার মনে হয় আমাদের ভালো ফলাফল করার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।’


ঢাকা/ইয়াসিন/আমিনুল

     
 
রাইজিংবিডি স্পেশাল ভিডিও