ঢাকা, শনিবার, ২০ চৈত্র ১৪২৬, ০৪ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

প্রাণবন্ত উইকেটে টেস্ট উপভোগ্য হবে: শরীফুল

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০২-১৮ ৮:৪০:৪১ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০২-১৮ ৯:১৪:৫৩ পিএম

দক্ষিণ আফ্রিকার গতিময় ও বাউন্সি উইকেটে বোলিংয়ের দারুণ কারিশমা দেখিয়েছেন শরীফুল ইসলাম।

ধ্রুপদী বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে করেছেন দিশেহারা। ব্যাটসম্যানদের ভুগিয়েছেন, রানের চাকা আটকে রেখেছেন আর উইকেট পেয়েছেন টপাটপ। পেস বান্ধব সেসব উইকেট বরাবরই পেসারদের মন জয় করে। বোলিং হয়ে উঠে উপভোগ্য।

কিন্তু দেশের মাটিতে পেসাররা এ ধরণের উইকেট পেয়ে থাকেন কালেভদ্রে। বিসিবি একাদশের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী পেসার শরীফুল মঙ্গলবার নেমেছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে। দুদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে শুরুতেই বোলিংয়ের সুযোগ আসে শরীফুলের। নতুন উইকেট, নতুন বল। কোথায় গতির ঝড় তুলবেন, বাউন্স দেবেন!

কিন্তু বিকেএসপির মন্থর উইকেটে বোলিং করে কোনো মজা-ই পেলেন না বাঁহাতি পেসার। পুরো দিন তিন স্পেলে ১৫ ওভার বোলিং করে ৪৫ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। ভেতরে ঢোকানো বলে ব্রিয়ান মুদজিনগানিয়ামাকে উইকেটের পেছনে তালুবন্দি করান। কিন্তু উইকেট নিয়ে নিজের ক্ষোভ ঝাড়লেন দিন শেষে। 

‘এখানে যেরকম উইকেট আমরা আশা করেছিলাম সেরকম না। আমরা যে উইকেটে বোলিং করে এসেছি সেসব আর এই উইকেট ভিন্ন। এসব উইকেটে পেস বোলাররা আসলে কখনো মন মতো বোলিং করতে পারে না।’ – বলেছেন শরীফুল।

উইকেট নিয়ে ‘মন খারাপের ক্লাবে’ শরীফুল নবীনতম। মাশরাফি, রুবেল, তাসকিন, মুস্তাফিজরা এমন অভিযোগ করেছেন বছরের পর বছর। শুধু তাঁরাই নন, তাদের আগে-পরেও এমন অভিযোগ হয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ হয়েছে কম। এমন উইকেটে বোলিং করা যে বাড়তি খাঁটুনি তা বলতেও দ্বিধা করেননি শরীফুল।

‘এসব উইকেটে বোলিং করা কঠিন। অনেক বাড়তি এফোর্ট দিতে হয়।আজ তেমন কষ্টই হয়েছে। ওখানে (দক্ষিণ আফ্রিকায়) গরম ছিল। এখানে অতো গরম না। তবে ওখানে গরম থাকলেও বোলিং করতে ভালো লাগত। বোঝা যেত না। ঘাম হতো না। এখানে ঠাণ্ডা থাকলেও ঘাম হচ্ছিল।’

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৮ ম্যাচ খেলেছেন শরীফুল। লাল বলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে আগেও। কিন্তু এমন উইকেটে আর খেলতে চান না বিশ্বকাপ জয়ী পেসার। তাইতো উপভোগ্য উইকেটের দাবি জানিয়ে রাখলেন।

‘এসব উইকেটে খেললে কম উপভোগ্যই হবে টেস্ট ক্রিকেট। বাইরের দেশে যেসব উইকেটে খেলা হয়, সেখানে হয় বলেই উপভোগ্য হয়। উইকেটের একটা ব্যাপার আছে। উপভোগ করার মতো উইকেট হলে তো উপভোগ্য হবেই। উইকেট প্রাণবন্ত হলে লাল বলের ক্রিকেটও উপভোগ্য হবে।’


ঢাকা/ইয়াসিন/কামরুল