ঢাকা, শনিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩০ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

দুঃসময়ে ডাক্তার-নার্সদের সেবায় মাহমুদউল্লাহর কৃতজ্ঞতা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-২৮ ১:০৩:৪১ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-২৮ ৪:০১:১৫ পিএম

মহামারী করোনার সময় ডাক্তার ও নার্সরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিচ্ছেন সেবা। আক্রান্তকে করে তুলছেন সুস্থ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাচ্ছেন নিজেদের ওয়ার্কিং স্টেশনে। এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল ডাক্তার ও নার্সদের স্যালুট দিয়েছেন। শনিবার (২৮ মার্চ) মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলেন।

মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘আমাদের ডাক্তার, নার্সরা এবং যারা চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত আছেন সবাইকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। এ দুঃসময়ে, করোনার মতো মহামারী ব্যাধির সময় তাঁরা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, দেশকে সেবা দিচ্ছেন সেজন্য মন থেকে আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং আমি বিশ্বাস করি এ মহৎ কাজের জন্য আপনারা অবশ্যই পুরস্কৃত হবেন।’

করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচার সমাধান একটাই, ‘স্টে হোম, স্টে সেইফ।’ মাহমুদউল্লাহ আরও একবার এ বার্তা মনে করিয়ে দিলেন সবাইকে।

মাহমুদউল্লাহ বলেছেন,‘আমাদের ভেতরে হয়তো একুট অবসাদ চলে আসতে পারে। একটু একঘেয়েমি অনুভব হতে পারে। মাথায় আসতে পারে একটু বাসার নিচে যাই। একটু কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলি বা বাসার সামনের মোড় থেকে একটু হেঁটে আসি। যদি কারো মাথায় কিংবা মনে এরকম চিন্তাধারা উঁকি দিয়ে থাকে সেগুলোও যেন আমরা মাথা থেকে ঝেরে ফেলি। কারণ এ মুহূর্তে বাসায় থাকাটাই নিরাপদ। এটা সময়ের দাবি। এই নিয়মটা যেন আমরা মেনে চলি। এটা যতটুকু আমার জন্য প্রযোজ্য ঠিক আমাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য। আবার অন্যদের এবং তাঁদের পরিবারের জন্য প্রযোজ্য। নিজে নিরাপদে থাকি এবং অন্যদের নিরাপদে রাখার চেষ্টা করি।’

ঘরে নিজের দিন কিভাবে কাটছে তা জানিয়েছেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক, ‘কয়েকদিন বাসায় বসে আছি। বাসার নিত্য দিনের কাজগুলো করছি। গাছে পানি দিচ্ছি। বই পড়ছি। ব্যয়াম করছি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছি।’

খেটে খাওয়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান করেছেন জাতীয় দলের তারকা, ‘যারা শ্রমজীবি মানুষ আছে তাঁরা হয়তো এ মুহূর্তে বেকার হয়ে পড়ছে। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো জরুরী। আমরা চেষ্টা করবো যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার। তাঁদের সাহায্য করার।’

মাহমুদউল্লাহর বিশ্বাস অস্থির এ সময় দ্রুত কেটে যাবে। শঙ্কার মেঘ সরে দেখা দিবে নতুন সূর্য। তাঁর ভাষ্য, ‘আমরা জিনিসগুলো আমরা কিছুদিন মেনে চলি। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একত্রে কাজ করি। ইনশাআল্লাহ আমরা এ কঠিন সময় দ্রুত কাটিয়ে উঠবো। ওই ভালো সময় আমাদের থেকে খুব বেশি দূরে নয়, এটা আমি বিশ্বাস করি। সবাই একত্রে দেশকে ভালো কিছু দেওয়ার চেষ্টা করি।’     

 

ঢাকা/ইয়াসিন