ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৬ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

করোনার বিরুদ্ধে লড়তে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ!

ক্রীড়া ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৯ ৬:৩০:২৭ এএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৪-০৯ ৬:৩০:২৭ এএম

এক সময় ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট যুদ্ধের আবেদন ছিল অন্যরকম। ক্রিকেট বিশ্ব এই দুটি দলের খেলা দেখার জন্য মুখিয়ে থাকতো। লড়াই হতো সেয়ানে-সেয়ানে। কিন্তু ২০০৭ সালের পর থেকে দ্বিপাক্ষিক কোনো সিরিজ খেলছে না দল দুটি। সেটার পেছনে অবশ্য রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক কারণ রয়েছে। যতোই বলা হোক খেলাধুল রাজনীতির উর্ধ্বে, কিন্তু চিরশত্রু ভারত-পাকিস্তানের বেলায় সেটা চিরাচরিত নিয়মে যায়নি। তাইতো আইসিসির ইভেন্ট ও এশিয়া কাপের বাইরে এই দল দুটিকে মুখোমুখি হতে দেখা যাচ্ছে না এক যুগেরও বেশি সময় ধরে।

মহামারি করোনাভাইরাসে নাকাল গোটা বিশ্ব। করোনা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের ২০৯টি দেশ। এমন সময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়েছেন সাবেক গতি তারকা শোয়েব আখতার। তিনি আহব্বান জানিয়েছেন নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ভারত-পাকিস্তানের সিরিজ আয়োজন করার। আর এই ম্যাচের মাধ্যমে যা আয় হবে সেটা দুই দেশ ভাগ করে নিবে এবং করোনার বিরুদ্ধে লড়ার ক্ষেত্রে কাজে লাগাবে। ম্যাচগুলো কেবল টেলিভিশনে সম্প্রচার করা হবে।

আখতার বলেছেন, ‘এমন সংকটের সময়ে আমি ভারত-পাকিস্তানের তিন ম্যাচ সিরিজ আয়োজনের প্রস্তাব করতে চাই। এমনটি হলে আমার মনে হয় না কোনো দেশের মানুষ অসুখী হবে। এই সিরিজে বিরাট কোহলি সেঞ্চুরি করলে আমরা খুশি হবো। বাবর আজম সেঞ্চুরি করলে তোমরা (ভারতীয়) খুশি হবে। মাঠের ফল যাই হোক না কেন, দুটি দলই হবে বিজয়ী।’

রুদ্ধদ্বার মাঠে ম্যাচটি হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘ম্যাচটি কেবল টেলিভিশনে দেখানো হবে। যেহেতু এখন সবাই গৃহবন্দি। সুতরাং সবাই দেখবে। সেক্ষেত্রে প্রচুর ভিউ হবে। লক্ষ লক্ষ মানুষ টেলিভিশনে দেখবে। প্রথমবারের মতো দুই দেশ একে-অপরের সঙ্গে খেলবে। এর মাধ্যমে যে অর্থ আসবে সেটা উভয় দেশের সরকার নেবে। সেটা দিয়ে উভয় দেশ করোনার বিরুদ্ধে লড়বে।’

মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে ভারত-পাকিস্তান দুটি দেশই লকডাউন হয়ে আছে। আখতার চাচ্ছেন পরিস্থিতি উন্নতির দিকে আসলে সিরিজটি আয়োজন করতে। তবে তিনি এও বলেছেন যতো দ্রুত এই সিরিজ আয়োজন করা যাবে, ততো ভালো, ‘এখন সবাই বাসায় বসা। সেক্ষেত্রে প্রচুর দর্শক ম্যাচগুলো দেখবে। গোটা বিশ্ব এই ম্যাচ দেখবে। প্রচুর অর্থ আয় হবে। যা দিয়ে সংকট মোকাবিলা করা যাবে। হয়তো এখনই আয়োজন করা সম্ভব হবে না। যখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে, তখন এই ম্যাচগুলো দুবাইয়ের মতো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজন করা যাবে। চার্টার্ড ফ্লাইটে করে সবাই যাবে।’

 

ঢাকা/আমিনুল