ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৬ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

করোনায় কেমন আছে খুলনার আবু নাসের স্টেডিয়াম

আব্দুল্লাহ এম রুবেল : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-০৭ ১০:২০:০৬ এএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-০৭ ১২:১৪:৫৬ পিএম

করোনাভাইরাসের প্রভাবে বন্ধ দেশের সব ধরনের খেলাধুলা। দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা বিসিবির মূল অফিসেও ঝুলছে তালা। বাসায় বসেই কাজ করছেন বিসিবির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। ঠিক একইভাবে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের পরিচালনাকারীরাও থাকছেন বাসায়। ব্যতিক্রম এখানের মাঠকর্মীদের অবস্থায়।

সারা বছর কোনো না কোনো খেলা থাকা খুলনার এই স্টেডিয়ামটি এখন আছে পুরোপুরি বিশ্রামে। আর মাঠকর্মীদের সহায়তায় বন্ধের মধ্যেও তাই চলছে শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামটির মাঠের যত্ন। স্টেডিয়াম সীমানায় এ মাঠের বেশ কয়েকজন মাঠ কর্মীর বাসা। স্টেডিয়ামের ভিতরেও থাকেন কয়েকজন। তাঁরাই প্রতিদিন মাঠে গিয়ে ঘাষ কাটা, উইকেটের পরিচর্যাসহ অন্যান্য কাজ করছেন। ফলে বিশ্রামের পাশাপাশি যত্ন পেয়ে সবুজ হয়ে উঠছে খুলনার প্রধান এই স্টেডিয়াম।


খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ম্যাচ নেই প্রায় চার বছর। তবুও এই সময়ে স্টেডিয়ামটি খেলাধুলায় ব্যস্ত সময়ই পার করছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচ না থাকলেও বয়স ভিত্তিক বিদেশী দল, বিদেশী ‘এ’ দলের সিরিজ নিয়মিত হচ্ছে এখানে। সেই সাথে জাতীয় ক্রিকেট লিগ আর বয়স ভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টেও মাঠ ও উইকেটের ব্যবহার হয় এখানে। টানা খেলা হওয়ার ফলে আবু নাসের স্টেডিয়ামের মাঠের চেহারা অনেকটা ধূসর হয়ে উঠেছিলো। তখন স্টেডিয়ামের প্রধান মাঠ কর্মী নাজমুল বলেছিলেন, ‘টানা খেলা হলে মাঠ আগের অবস্থায় থাকবে না, মাঠের রেস্টের প্রয়োজন।’

অবশেষে সংকেত ছাড়াই বড় ধরনের অবসর পেলো আবু নাসের স্টেডিয়াম। আর এই সময়ে কয়েকজনের নিয়মিত যত্নে স্টেডিয়ামের মাঠ ও উইকেট যেন ফিরে পাচ্ছে তার আসল চেহারা।
 


আবু নাসের স্টেডিয়ামের দায়িত্বে থাকা কিউরেটর জাহিদ রেজা বাবু জানিয়েছেন, করোনার এই সময়ে কাজের জন্য কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না। তবে এসবের মধ্যেও মাঠের নিয়মিত যতটুকু সম্ভব পরিচর্যা করা হচ্ছে। মাঠ কর্মীদের কয়েক জনের বাসা স্টেডিয়ামের কাছেই। এ কারণে মাঠ ও উইকেটের পরিচর্যা করা সম্ভব হচ্ছে। খেলাহীন এই সময়ে মাঠ ও উইকেট আরও ভালো হয়ে উঠবে।

শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামের ভেন্যু ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল বলেন, ‘বিসিবি থেকে ছুটি থাকায় আপাতত স্টেডিয়ামে গিয়ে আমাদের অফিস করতে হচ্ছে না। তবে জরুরি প্রয়োজনে কয়েকবার অফিসে যেতে হয়েছে। স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্বে যারা আছেন, তারা দায়িত্ব পালন করছেন। আর মাঠ কর্মী, যারা স্টেডিয়ামের ভিতরেই থাকেন, তারা মাঠ ও উইকেটের পরিচর্যা করছেন।’



ঢাকা/রুবেল/কামরুল