ঢাকা, শনিবার, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

১৯৮২ বিশ্বকাপ: স্পেনের সাম্রাজ্যে ইতালির মুকুট জয়

ইয়াসিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-০৬-০৪ ৯:২১:২৮ এএম     ||     আপডেট: ২০১৮-০৬-০৪ ১১:৪০:০২ এএম

ইয়াসিন হাসান: আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা! তার পরেই শুরু `গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ`। বিশ্বকাপ ফুটবল। এক মাস সারা পৃথিবীকে এক সুরে বেঁধে রাখবে সেই এক খেলা। সারা বিশ্ব জুড়ে কয়েক কোটি মানুষ টিভির পর্দাতেই রোনালদো, মেসি, নেইমারদের পায়ের জাদুতে মগ্ন হবেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে এসে গেল ফুটবল বিশ্বকাপের মৌসুম। দরজায় কড়া নাড়ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের মাসকট ‘জাভিবাকা’।

প্রায় শতবর্ষের কাছাকাছি চলে যাওয়া এই টুর্নামেন্টের শুরুটা হয়েছিল কিভাবে? ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসই বা কি ছিল? বিশ্বকাপের আগের আসরগুলো কেমন ছিল? রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে এ প্রশ্নগুলো ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনে। তাঁদের জন্য রাইজিংবিডি’র বিশেষ আয়োজন ‘‘ফিরে দেখা বিশ্বকাপ’’। ধারাবাহিকভাবে প্রচার করা হবে বিশ্বকাপের আগের ২০টি আসর। আজ প্রকাশ করা হচ্ছে দ্বাদশ পর্ব।



১৯৮২ বিশ্বকাপ :
১৯৮২’র ফুটল বিশ্বকাপ কারো ভোলার কথা নয়। কারণ সেবারই প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজন হয়েছিল বৈশ্বিক চিন্তায়! ১৬ দল থেকে বেড়ে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে ২৪ দল। এতে শুধু অংশগ্রহণ বাড়েনি, বেড়েছে ফুটবলের প্রতি প্রেমের পরিধিও। বিশেষ করে আফ্রিকা ও এশিয়াতে ফুটবলের জোয়ার লেগে যায়।



১২তম ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজক হয় স্পেন। ১৩ জুন থেকে ১১ জুলাই পর্যন্ত চলে ফুটবলের মহরণ। ওয়েস্ট জার্মানিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে স্পেনের সাম্রাজ্য থেকে মুকুট ছিনিয়ে আনে ইতালি। আর সেবারই প্রথমবারের মতো ব্রাজিলকে ধরার সুযোগ পায় ইতালি। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নেয় আলজেরিয়া, ক্যামেরুন, হন্ডুরাস, কুয়েত এবং নিউজিল্যান্ড।

তবে সবথেকে বাজে পারফর্ম করেছিল হট ফেবারিট আর্জেন্টিনা। ওই বিশ্বকাপ দিয়েই বিশ্বকাপে অভিষেক দিয়োগো ম্যারাডোনার। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম সেরা এ ফুটবলার বিশ্বকাপে নাম লিখালেও নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে দ্বিতীয় রাউন্ডেই। ইতালি শিরোপা জিতলেও তাদের শুরুটা ছিল বাজে। গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের কোনোটিতেই তারা জিতেনি। ড্র করে যায় দ্বিতীয় রাউন্ডে।



এরপর অবশ্য তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে। পরের ৭ ম্যাচে ১২ গোল করে পাওলো রসি, ব্রুনো কন্তি এবং ফ্রান্সেসকো গ্রাজিনিয়ারিরা। যার ৬টি দেন পাওলো রসি। অসাধারণ পারফরম্যান্সে জিতেছিলেন গোল্ডেন বুট ও টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। ওই বিশ্বকাপে অফিসিয়াল বলের নাম ছিল ট্যাঙ্গো। ফুটবলপ্রেমিদের অবশ্য ৮২’র বিশ্বকাপকে মনে রেখেছেন ভিন্ন এক কারণেও।



সেবারই প্রথম পেনাল্টি শুট বা স্পট কিকের নিয়ম আনা হয় বিশ্বকাপে। পাশাপাশি হাঙ্গেরি এল সালভাদোরকে ১০-১ গোলে হারানোয় অনেকেই ওই বিশ্বকাপকে বলেছিলেন গোল উৎসবের বিশ্বকাপ। ইতালির ৪০ বছর বয়সি গোলরক্ষক ডিনো জোফ বিশ্বকাপের সবথেকে বেশি বয়সি ফুটবলার হন ওই বিশ্বকাপে। এরপর অবসরে চলে যান।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৪ জুন ২০১৮/ইয়াসিন/আমিনুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন