ঢাকা, রবিবার, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ওয়ালটন এসি কিনে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল ফ্রি পেলেন ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-৩০ ২:২৬:০৩ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-৩০ ৬:৫০:৩৭ পিএম
ওয়ালটন এসি বিভাগের পক্ষে মো. শাহজাহানের হাতে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল তুলে দেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক

এসি কিনে বিদ্যুৎ বিল ফ্রি! তাও ১২ বছরের! এমন অভাবনীয় সুযোগ দিচ্ছে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্র্যান্ড ওয়ালটন।

ওয়ালটনের চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৫ এর আওতায় এ সুবিধা দেয়া হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি ওয়ালটন এসি কিনে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল পেয়েছেন গাজীপুরের কাপাসিয়ার ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান।

উল্লেখ্য, অনলাইনে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে কাস্টমার ডাটাবেজ তৈরি করছে ওয়ালটন। এ উপলক্ষে দেশব্যাপী ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে তারা। এর মাধ্যমে ক্রেতার নাম, ফোন নম্বর এবং পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য ওয়ালটনের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে গেলেও গ্রাহক দেশের যেকোনো ওয়ালটন সার্ভিস সেন্টার থেকে সহজেই কাঙ্ক্ষিত সেবা নিতে পারছেন। ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনে ক্রেতাদের উদ্বুদ্ধ করতে এসিতে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল ফ্রি, নিশ্চিত ক্যাশব্যাক, ফ্রি ইন্সটলেশনসহ বিভিন্ন সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

গত রোববার (২৭ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে মো. শাহজাহানের হাতে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল তুলে দেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টোক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শরীফ মো. ওয়াহিদ, সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য হাজী মো. চানু মিয়া এবং ওয়ালটনের ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মীর মোহাম্মদ গোলাম ফারুক, উত্তরা জোনের এরিয়া ম্যানেজার রায়হান কবির, পল্টন জোনের এরিয়া ম্যানেজার মনোয়ার হোসেন, পুরান ঢাকা জোনের এরিয়া ম্যানেজার কাজী আরিফ হোসেন প্রমুখ।

ক্রেতা মো. শাহজাহান জানান, বীর উজালী বাজারে তার ডিমের আড়ত আছে। সম্প্রতি সেখানে একটি অফিস করেছেন। তার জন্য টোক বাজার ওয়ালটন প্লাজা থেকে তিনটি দেড় টনের এসি কেনেন। এরপর ডিজিটাল ক্যাম্পেইনে রেজিস্ট্রেশন করলে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল ফ্রি পাওয়ার মেসেজ যায় তার মোবাইল ফোনে।

মো. শাহজাহান বলেন, ওয়ালটনের পণ্য ভালো সার্ভিস দেয়। এসি প্রয়োজন হলে দ্বিতীয় চিন্তা না করে ওয়ালটন শোরুমে চলে যাই। তাছাড়া, তাদের শোরুম আমার অফিসের কাছে হওয়ায় ডিজিটাল ক্যাম্পেইন এবং বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে জানা ছিল। কিন্তু ওয়ালটন এসি কিনে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল ফ্রি পাব, এতটা আশা করিনি। বিদ্যুৎ বিল বাবদ যে টাকা পেয়েছি, তা মা-বাবা, স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে এবং আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে ভাগ করে দেব।

চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক বলেন, অনেকের ধারণা, এসি একটি বিলাসী পণ্য। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নয়নে বর্তমানে এসি একটি প্রয়োজনীয় পণ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়ালটন এসিতে বিদ্যুৎ খরচ খুবই কম। রয়েছে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবাসহ নানান সুবিধা। আন্তর্জাতিক মানের ওয়ালটন এসি রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

ইউপি চেয়ারম্যান শরীফ মো. ওয়াহিদ বলেন, ওয়ালটন আমাদের দেশের গর্ব। তারা কম দামে ক্রেতাদের ভালো মানের পণ্য দেয়। অল্প আয়ের মানুষ যেন কিনতে পারে, সেজন্য ওয়ালটন কিস্তি সুবিধা রেখেছে। ওয়ালটন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে, এই আশা রাখি।

জানা গেছে, ওয়ালটন এসিতে রয়েছে সঠিক বিটিইউর নিশ্চয়তা। এর ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসর ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে। কম্প্রেসরে ব্যবহৃত হয়েছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর৪১০এ রেফ্রিজারেন্ট। রয়েছে টার্বোমুড ও আয়োনাইজার প্রযুক্তি, যা দ্রুত ঠান্ডা করার পাশাপাশি রুমের বাতাসকে ধুলা-ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া থেকে মুক্ত করে। কন্ডেন্সারে ব্যবহার করা হচ্ছে মরিচারোধক গোল্ডেন ফিন কালার প্রযুক্তি। যার ফলে ওয়ালটন এসি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী। বাংলাদেশে ওয়ালটনই প্রথম মুঠোফোনে নিয়ন্ত্রণযোগ্য স্মার্ট এসি বাজারে ছেড়েছে।

ওয়ালটন সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিল এবং নিশ্চিত ক্যাশব্যাকের পাশাপাশি যেকোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসির বদলে ২৫ শতাংশ ছাড়ে ওয়ালটনের নতুন এসি কেনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, যেকোনো ব্যাংকের ডেবিট-ক্রেডিট কার্ড কিংবা বিকাশ ও রকেটে পেমেন্ট করলেই মিলবে ১০ শতাংশ ডিসকাউন্ট। মাত্র ৪ হাজার ৯০০ টাকা ডাউন পেমেন্টে ৩৬ মাসের সহজ কিস্তির সুবিধা, জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই (ইক্যুয়াল মান্থলি ইনস্টলমেন্ট), ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এবং টুইন-ফোল্ড ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ১০ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের প্রতিটি এসি আন্তর্জাতিক মানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস থেকে মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়ের পর বাজারজাত করা হচ্ছে। এর ফলে ক্রেতাদের কাছে ওয়ালটন এসি এখন হটকেক।

ওয়ালটনের রয়েছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এর আওতায় সারা দেশে রয়েছে ৭০টিরও বেশি সার্ভিস সেন্টার। বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে নিয়োজিত রয়েছেন আড়াই হাজারের বেশি প্রকৌশলী ও টেকনিশিয়ান।

 

ঢাকা/অগাস্টিন সুজন/রফিক

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন