ঢাকা, শনিবার, ২১ চৈত্র ১৪২৬, ০৪ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

চায়ের রাজ্যে জাপানি মন্দির, নারী এবং টয় ট্রেন

গ্যাংটকে মান্নুদা বলেছিলেন, ‘টুরিস্ট হিসেবে নয় বরং ট্রাভেলার হিসেবে ঘুরবে। তাতে জীবনবোধ বুঝবে। প্রকৃতিকে জানবে। মন-প্রাণ পূর্ণ হবে।’

টাইগার হিলের ভোর এবং এক কাপ চা

দার্জেলিং যখন পৌঁছলাম তখন রাত বারোটা। আগে থেকে হোটেল বুকড ছিল না। সময় বাঁচাতে গ্যাংটক থেকে সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছিলাম।

বরফ ঢাকা লাচুঙে জ্যোৎস্না-ভরা রাত

সকাল সকাল প্যারাগ্লাইডিং শেষ করে কেমন যেন শান্তি লাগছে! মনে হচ্ছে, এখনও শূন্যে ভাসছি।

আপনার অপেক্ষায় আছে ভাষা জাদুঘর

ঢাকার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট। মূল ফটক দিয়ে ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ে উঁচু সিঁড়ি।

কম বাজেটে ভ্রমণ করবেন কীভাবে?

আপনি কি নিয়মিত ভ্রমণ করতে চান? হুটহাট ভ্রমণ করতে ইচ্ছে হয়? মন চাইলেই উড়াল দিতে চান স্বপ্নের জায়গায়?

রাজধানীর পাশে বেড়ানোর জায়গা

রাজধানীর কাছাকাছি যারা বেড়াতে যেতে চান তাদের জন্য চমৎকার লোকেশন শীতলক্ষ্যা সংলগ্ন নারগানা ইন্টারন্যাশনাল রিসোর্ট।

গ্যাংটকের আকাশে প্যারাগ্লাইডিং

গ্যাংটকে এসেছি দুই দিন হয়ে গেলো।  পরিকল্পনা অনুযায়ী আরো দুই তিনদিন থাকার কথা।  

মৃত্যু তুচ্ছ করে শিখর জয়ের গল্প

ঝড়ের তাণ্ডবে সারারাত এক মুহূর্তের জন্যও ঘুম এলো না চোখে। ঘুম আসবেই বা কীভাবে?

কক্সবাজার ভ্রমণের এ টু জেড

ভ্রমণ সারা বছরের জন্য। তবে শীতকালে ভ্রমণের আনন্দ অন্যরকম। এর অন্যতম কারণ ডিসেম্বরের ছুটি।

নাথুলা-সাঙ্গু হয়ে ফিরে এলাম গ্যাংটক

পুরো দিনটিতে আমি তিন জায়গায় বেড়াব বলে ঠিক করলাম। সাঙ্গু লেক, বাবা মন্দির এবং নাথুলা পাস।

রাতের রাংপো পেরিয়ে গ্যাংটকের পথে

সকালবেলা চারদিক সুনসান। খুব ঠান্ডা! চারপাশে কুয়াশা- মেঘের মিলন। হাত দুটো জ্যাকেটের পকেটে ঢোকানো।

আনতালইয়া এক প্রাচীন জনপদের হাতছানি: শেষ পর্ব

খুব সকালে চললাম অ্যাসপেন্দোস। আরেকটি প্রাচীন নগরী। দিনের পুরোটা কেটেছে অসাধারণ কিছু মানুষের সান্নিধ্যে।

মেঘের দেশে ক্লান্তি শেষে: শেষ পর্ব

মাওস্‌মাই কেভ যেমন চেরাপুঞ্জির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ, তেমনি শিলংয়ের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এলিফ্যান্ট ফলস। এই ফলস না দেখলে শিলং ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।  পাহাড়ের গা বেয়ে ঝরনা নেমে আসছে; পাহাড়ের ধাপে ধাপে তিনটি জায়গা থেকে স্পষ্ট দেখা যায়।

ভয় কাটিয়ে ঘুরে আসুন করমজল

অনেকদিন ধরে সুন্দরবন ভ্রমণের ইচ্ছে ছিল। তবে যেখানে হিংস্র প্রাণির আক্রমণের আশঙ্কা নেই, আমরা তেমন জায়গা নির্বাচন নিয়ে চিন্তিত ছিলাম।

মেঘের দেশে ক্লান্তি শেষে: দ্বিতীয় পর্ব

আমাদের গাড়ি ছেড়েছিল সাড়ে দশটায়।