সারা বাংলা

নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষণ ও সেনা মোতায়েন চেয়েছেন জায়েদা খাতুন

সুষ্ঠু বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য বিদেশি কূটনীতিকদের দ্বারা নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও নির্বাচনী এলাকায় সেনা মোতায়েন চেয়েছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী জায়েদা খাতুন। 

এ মর্মে তিনি অনুরোধ করে বাংলাদেশে অবস্থানরত কুটনৈতিকদেরও চিঠি দিয়েছেন। 

চিঠিতে আবেদনে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য বিদেশি কূটনীতিকদের দ্বারা গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন-২০২৩ পর্যবেক্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়। এ ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার অনুরোধ জানানো হয়। 

সোমবার (২২ মে) সকালে চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জায়েদা খাতুনের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়কারী তার ছেলে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম। 

ইংরেজিতে লেখা জায়েদা খাতুনের আবেদন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, চীন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের দেওয়া হয়েছে। 

পাঠানো চিঠিতে জায়েদা খাতুন বলেছেন, আপনারা সবাই অবগত যে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আমার ছেলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে জনপ্রিয় নির্বাচিত মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলমের প্রার্থিতা সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে বাতিল করা হয়েছে। আমি এবারের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘টেবিল ঘড়ি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। আমার ছেলের প্রতি অন্যায়-অবিচারের প্রতিবাদ ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। 

গত ৯ মে প্রতীক পাওয়ার পর থেকে নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।  আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থী ক্ষমতাসীন দলের অ্যাডভোকেট আজমত উল্লা খান আমাকে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণায় বাধা দিচ্ছেন। আমার জনসংযোগে হামলা করছেন। আমার নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত পোলিং এজেন্ট এবং সম্ভাব্য পোলিং এজেন্টদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। ব্যক্তিগত পরিচয় মুছে ফেলারও হুমকি রয়েছে গুণ্ডা ও প্রশাসনের ছদ্মবেশে.. বিশেষ পুলিশ প্রশাসনের। আজমত উল্লাহ খান তার সন্ত্রাসী লোকজন নিয়ে আমার গণসংযোগের সময় আমার গাড়ি বহরে বাধা দিচ্ছেন এবং তার পক্ষে উস্কানিমূলক স্লোগান দিচ্ছেন এবং পুলিশ প্রশাসনের লোকজন অযথা বিভিন্ন স্থানে আমার নির্বাচনী কর্মীসমর্থকদের অবৈধভাবে হয়রানি করছেন।

উক্ত ঘটনা নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেছি। গত ১৮ মে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।