অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকতে পারে রোজা রাখলে কি ডায়াবেটিস রোগীদের হাঁটতে হবে?— অথবা ইফতারে একজন ডায়াবেটিসের রোগী কি মিষ্টি ফল খেতে পারবেন?—এই সব প্রশ্নের উত্তর জানিয়েছেন মাহফুজা নাসরীন শম্পা, চীফ ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান এন্ড নিউট্রিশন কনসালট্যান্স ইউ এস বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
তিনি একটি পডকাস্টে বলেন, ‘‘ডায়াবেটিসের রোগীরা ইফতারিতে শুরুতেই কোনো ধরনের শরবত পান না করে শুধু পানি অথবা কচি ডাবের পানি পান করতে পারেন। এ ছাড়া তোকমা, ইসুবগুল অথবা চিয়া সিড ভেজানো পানি পান করতে পারেন। এ ছাড়া খেজুর খেয়েও রোজা খুলতে পারেন। দুই, তিনটি খেজুর খেতে পারেন। যদি খাবার তালিকায় খেজুর রাখেন তাহলে অন্যান্য মিষ্টি ছাড়া যেসব ফল আছে সেগুলো খাবার তালিকায় রাখতে পারেন।
এই পুষ্টিবিদ আরও বলেন, ‘‘একজন ডায়াবেটিসের রোগীর রাতের খাবার হবে সন্ধ্যা রাতের খাবার। ভাত বা রুটি, মাছ, মাংস, ডাল, সবজি এগুলো খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। এবং সেহেরিতে যে খাবার খাবেন- এই খাবার হতে হবে একজন ডায়াবেটিক রোগী দুপুরে যে খাবারটা খেয়ে থাকেন সেরকম। যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীর ব্লাড সুগার লেভেল কমে যেতে পারে তাই সেহেরির শেষ দিকে খাবার গ্রহণ করার চেষ্টা করতে হবে।’’
মাহফুজা নাসরীন শম্পার পরামর্শ
একজন ডায়াবেটিসের রোগী দৈনন্দিন কাজগুলো রমজান মাসে সকালের দিকে সেরে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। কেননা, হাইপোগ্লাইসেমিয়া থেকে বাঁচার জন্য তার এই কাজটি করা খুবই জরুরি।
বিকেলের দিকে বিশ্রামে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
ইফতারের পরে-সেহেরির আগ পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
ডায়াবেটিস রোগী যদি দাঁড়িয়ে তারাবির নামাজ পড়েন তাহলে তার আর আলাদা করে হাঁটার প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু যদি বসে তারাবির নামাজ পড়েন তাহলে ইফতারির পরে অথবা সন্ধ্যা রাতে খাবার গ্রহণের পরে হাঁটতে হবে।