বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্ন প্রদর্শনী ও ঐতিহ্য উৎসব শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জমজমাট হয়ে উঠেছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শওকাত আলী, রেজিস্ট্রার ফেরদৌস রহমান, বিভাগের প্রধান আরা তানজিয়া,সহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সবার অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত ছিল পুরো আয়োজন।
প্রদর্শনীতে গৌড় নগরী, কান্তজীর মন্দির, সোমপুর বিহার, নওগাঁ কুসুম্বা মসজিদসহ বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনার প্রতিরূপ ও তথ্য উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য ছিল ঐতিহ্যবাহী খাবারের আয়োজনও।
ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী আশমীরা আলম প্রান্ত বলেন, “আমরা প্রত্নতত্ত্বের শিক্ষার্থী। আমরা চাই, শুধু আমরা নয়, সবাই যেন গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান ও তাদের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে। এই প্রত্ন প্রদর্শনী ও ঐতিহ্য উৎসবের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন বাংলাদেশের প্রত্নসম্পদ সম্পর্কে জানে এবং এগুলো সংরক্ষণে আগ্রহী হয়, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
আয়োজনটির নেতৃত্বে থাকা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহাগ আলী বলেন, “শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ না থেকে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বাস্তব জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন। এখানে প্রত্ন নিদর্শনের পাশাপাশি এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী খাবার ও পোশাকও তুলে ধরা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক ঐতিহ্যের একটি চিত্র উপস্থাপন করা হচ্ছে।”