খেলাধুলা

প্রতিপক্ষকে এখন আর গোনায় ধরে না বাংলাদেশ

বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স উন্নতির পথে তা গত বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে দেখিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। ফলাফল নিজেদের পক্ষে না আনতে পারলেও পারফরম্যান্সের উন্নতি চোখে পড়েছে। ব্যাটাররা আগের থেকে সাবলীল হয়েছেন। বোলাররা হয়েছেন ক্ষুরধার।

আরেকটি বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা যখন উঁকি মারছে তখন বাংলাদেশ আবারও আশাবাদী হয়ে উঠছে নিজেদের মেলে ধরার। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে হবে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১২ দলের বিশ্বকাপে বাছাই পর্বে দারুণ পারফর্ম করে বাংলাদেশ নাম লিখিয়েছে। নিজেদের সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার অপেক্ষায় বাংলাদেশ। যদিও আগের ছয় বিশ্বকাপে নেই ভালো করার রেকর্ড। সব মিলিয়ে ২৫ ম্যাচে জয় পেয়েছে ৩টিতে। এবার ভালো করার যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছে বাংলাদেশ তাতে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে প্রতিপক্ষ কে তাকে নিয়ে বাড়তি চিন্তা না করা। নিজেদের শক্তির জায়গায় স্থির থেকে বাকিদের নিয়ে অতো বেশি ভাবনার অযথা কারণ দেখেন না বাংলাদেশের অধিনায়ক।

বাংলাদেশের গ্রুপে আছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দল অস্ট্রেলিয়া। প্রশ্নটা অস্ট্রেলিয়াকে নিয়েই উঠেছে, বাংলাদেশ কী কখনো অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারবে? জ্যোতির উত্তরটা তেমন আশাব্যাঞ্জক না হলেও বাংলাদেশের অধিনায়ক জানিয়ে রাখলেন, এখন মাঠে নামার আগে প্রতিপক্ষ কে তা গোণায় ধরে না দল। তার মুখেই শুনুন বাকিটা, ‘‘অস্ট্রেলিয়ার সাথে পার্থক্য অনেক বেশি। তো সেটা একদিক। তবে আমি মনে করি আমাদের পজিটিভ আউটকাম বের করা, এটা অনেক বেশি ইম্পরট্যান্ট। আগের যে জিনিসটা ছিল, আমরা অনেক সময় নাম চিন্তা করতে গিয়ে নিজেদের ভেতর থেকে অনেক কিছু ফেস করতাম। আমাদের মনে হয় অনেক ভীতি কাজ করত। কিন্তু এখন মাইন্ডসেট এরকম যে আমরা খেলার আগে পার্টিকুলার প্লেয়ারকে নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি না। আমরা তাদের এগেইনস্টে খেলতে নামছি এবং ডেফিনেটলি আমরা আমাদের বেস্ট আউটপুটটা দেওয়ার ট্রাই করব। সো এখানে ওটা অস্ট্রেলিয়ার এগেইনস্টে খেলা, ইট ডাজন্ট ম্যাটার। দিনশেষে খেলা ফিফটি-ফিফটি। যারা ওই দিন ভালো পারফর্ম করতে পারবে, ওরাই ওইদিন ম্যাচ জিতবে।’’

বিশ্বকাপে ভালো পারফর্ম করে নিজেদের মেলে ধরতে মুখিয়ে জ্যোতিরা, ‘‘আমরা ওয়ার্ল্ড কাপের স্টেজে ভালো খেলতে চাই এবং আমরা ম্যাচ জয় করতে চাই। সো, ওই দিক থেকে চিন্তা করলে আমার কাছে মনে হয় এবার আমরা আরও বেটার করতে পারব। আরও দুই-একটা থেকে তিন-চারটা ম্যাচ জয় করার যে ক্রিকেটটা, ওইটার সামর্থ্য আছে এবং দেখা যাক টপ অফ দ্য টিম যে অবস্থান করছে এবং কিছু প্লেয়ার অনেক বেশি কনসিসটেন্ট টিমের জন্য। স্পেশালি টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আমাদের অনেক বেটার প্লেয়ার রয়েছে। তো আমরা যদি কালেক্টিভ ক্রিকেটটা খেলতে পারি, ওয়ার্ল্ড কাপের স্টেজে তাহলে আমরা একটা বেটার রেজাল্ট করব লাস্ট ওয়ার্ল্ড কাপের থেকে।’’