খেলাধুলা

আফগান তোপে একশর আগে গুটিয়ে গেল পাপুয়া নিউগিনি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চলমান আসরে শক্তিশালী বোলিং লাইনআপ আফগানিস্তানের। তাদের বিপক্ষে বাঘা বাঘা দলগুলোও দাঁড়াতে পারে না। সেখানে পাপুয়া নিউগিনি কেমন করে সেটাই দেখার ছিল। যা হওয়ার সেটাই হয়েছে। আফগান বোলিং তোপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে ১৯.৫ ওভারে ৯৫ রানেই গুটিয়ে গেল নিউগিনি।

আজ শুক্রবার (১৪ জুন) ত্রিনিদাদের ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আফগানিস্তানের বোলিংয়ের সামনে ধুঁকতে থাকে নিউগিনি। আইসিসির সহযোগী দেশটির ব্যাটিং লাইনে প্রথম আক্রমণটা করেন মোহাম্মদ নবী। আসাদ ভালাকে ৩ রানে ফিরিয়ে দলকে প্রথম লিড এনে দেন এই অফস্পিনার।

ফজল হক ফারুকি আক্রমণ এসেই পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন। প্রথম বলে ফেরান লেগা সাকাকে। এক বল খেলে রানের খাতাই খুলতে পারেননি এই ব্যাটার। এরপর ফারুকির দ্বিতীয় আঘাতের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরে যান সেসে বাউ। নাভিন উল হক এসে ফেরান হিরিহিরিকে। ৩ বলে ১ রান করেন এই ব্যাটার। পাওয়ার প্লে’তে আরও একটি উইকেট হারিয়ে নিউগিনির সংগরহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৩০ রান।

এরপর জুটি বেঁধে কিছু একটা করার চেষ্টা করেন চাঁদ সুপার ও কিপলিন ডোরিগা। দুজন মিলে দলকে এগিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালেই আবার আঘাত। এবার দৃশ্যপটে নূর আহমেদ। তার সঙ্গে আরেক লেগি রশিদ খানের যুগলবন্দিতে ২৬ বলে ৯ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন চাঁদ। ১০ ওভারে নিউগিনির সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেট হারিয়ে ৪৮ রান।

নরমান ভানুয়া ক্রিজে এসে ৭ বল খেলে রান আউটের শিকার হলে অল্প রানে আউটের শঙ্কা ঝেঁকে বসে নিউগিনিকে। দলের এই উইকেট হারানোর মিছিলে ক্রিজে এসেই আক্রমণ করেন আলেই নাও। করিম জানাতকে এক ওভারেই হাঁকান দুই চার। ডোরিগা আর নাও মিলে দলকে সামনে নিতে থাকেন। ১৮তম ওভারে ডোরিগা ২৭ রানে আউট হলে ভাঙে এই জুটি। 

এরপর আর বেশিদূর যেতে পারেনি পাপুয়া নিউগিনি। আফগানদের দুর্দান্ত বোলিং লাইনের সাড়াশি আক্রমণে গুটিয়ে যায় একশর আগেই। এর মধ্যে দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে একশ বা তার নিচে অলআউটের ঘটনা ঘটলো ৯ বার, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।