ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

সবার নজর বারমাসি আম গাছে

মামুন চৌধুরী : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৭-৩১ ১১:৩৪:১৯ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৭-৩১ ১:৩৮:৪৯ পিএম

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা: মেলায় প্রবেশ করতেই দেখা গেল সবার কৌতুহল একটি আম গাছকে ঘিরে। কারণ জানা গেল, এটি বারোমাসি আম গাছ।

হাওর, পাহাড় ও শহর নিয়ে গড়ে ওঠা জেলা হবিগঞ্জে চলছে ৭দিন ব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান এবং বৃক্ষ ও ফলদ বৃক্ষ মেলা । ২৯ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এ মেলা শেষ হবে ৪ আগস্ট।

মেলায় জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে নানা প্রজাতির গাছের চারা নিয়ে এসেছেন নার্সারি মালিকরা। ক্রেতারা মেলা ঘুরে পছন্দের চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

সবার নজর কেড়ে নেয়া বারোমাসি আম গাছটি মেলার বিউটি প্লান্ট নার্সারির। গাছটির আকর্ষণ এ গাছে অনেকগুলো আম রয়েছে। এরমধ্যে কিছু পাকা ও কিছু কাঁচা।

ক্রেতারা আমসহ গাছটি কেনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু দরদামে না হওয়ায় বিক্রেতাও বিক্রি করছেন না। মেলায় প্রবেশ করেই এ আম গাছটি নজরে পড়ছে সবার।

এ স্টলের মালিক হবিগঞ্জ সদর উপজেলার ভাদৈ এর আব্দুল মতলিবের সাথে আলাপ হলে তিনি জানান, তার নার্সারিতে প্রায় ৩০০ প্রজাতির বৃক্ষের চারা আছে। লোকজন সুলভ মূল্যে চারাগুলো ক্রয় করে নিচ্ছে। আর লোকজনের মাঝে ভালমানের চারা পরিচয় করিয়ে দিতেই তার এ মেলায় অংশগ্রহণ।

আব্দুল মতলিব বারমাসি আম গাছটি’র দাম হেঁকেছেন ২২ হাজার টাকা।

তিনি বলেন, ‘১২ হাজার টাকা দাম উঠেছে। প্রকৃত মূল্য পেলে গাছটি বিক্রি করে দিব। এ গাছে বারমাস আম আসে। এর আম দেখতে সুন্দর খেতেও সুস্বাদু। পুষ্টিভরা এ আম চাষ করে যে কেউ লাভবান হতে পারেন।’

মেলার দর্শনার্থী কাজল আক্তার বলেন, ‘কলেজে এসেছিলাম। বাড়ি ফেরার পথে কয়েকটি গাছের চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছি। কারণ গাছ ছাড়া পরিবেশ চিন্তা করা যায় না। সবাই বাসা বাড়ির আঙিনায় একটি করে গাছ লাগাই। এতে করে অক্সিজেন পাওয়া যাবে। তার সাথে ফলও খাওয়া হবে।’

তার মতো আরও কয়েকজন দর্শনার্থীর সাথে আলাপকালে তারাও বৃক্ষরোপণের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।  

হবিগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো: তমিজ উদ্দিন খান বলেন, ‘বৃক্ষ মেলায় নানা প্রজাতির প্রচুর চারা এসেছে। নার্সারি মালিকরা স্টল দিয়ে চারাগুলো সাজিয়ে রেখেছেন। ক্রেতারা এসব চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘মেলায় আমাদেরও স্টল রয়েছে। এ স্টলে নানা প্রজাতির ফল ও বৃক্ষ চারার প্রদর্শন করা হচ্ছে। দর্শনার্থীরা এসে মেলা উপভোগ করছেন।

কালেঙ্গা বনবিট কর্মকর্তা হেলাল আহমেদ বলেন, ‘বৃক্ষ ছাড়া বনের পরিচয় মিলে না। বন ছাড়া পরিবেশ রক্ষা কঠিন। তাই বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।’

দর্শনার্থীরা মেলায় এসে হবিগঞ্জ বনবিভাগের স্টলও পরিদর্শন করছেন বলে জানান তিনি। স্টলে পাহাড়ের চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। দর্শনার্থীরা এসব চিত্র দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন।


রাইজিংবিডি/হবিগঞ্জ/৩১ জুলাই ২০১৯/মো. মামুন চৌধুরী/টিপু

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন