ঢাকা, শনিবার, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানি কমেছে

সাতক্ষীরা সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১১-০৮ ১০:৫৫:৪৮ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১১-০৮ ৩:০৯:০২ পিএম

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফল আমদানি কমেছে। এই স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় ফল আমদানিকারকরা অন্য স্থলবন্দরের দিকে ঝুঁকছেন।

ভোমরা স্থলবন্দরের রাজস্ব শাখার তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের (২০১৯-২০)  প্রথম চার মাসে এ স্থলবন্দর দিয়ে ৩২ হাজার ১৩৩ দশমিক ৪৩৪ টন ফল আমদানি হয়েছে । গত অর্থবছরের একই সময়ে এ স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানি হয় ৪৫ হাজার ৭৯৩ টন, যা চলতি অর্থবছরের তুলনায় ১৩ হাজার ৬৫৯ দশমিক ৫৬৬ টন বেশি। সেই হিসেবে গত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ফল আমদানিতে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ হয় ১৫১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। অথচ চলতি অর্থবছরের গত চার মাসে ফল আমদানিতে রাজস্ব অর্জিত হয়েছে ১০৭ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় ফল আমদানি থেকে রাজস্ব আয় কমেছে ৪৪ কোটি টাকা।

ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রোহিত ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী রামকৃঞ্চ চক্রবর্তী জানান, অন্যান্য বন্দরে ফল আমদানিতে ব্যবসায়ীরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পান, ভোমরা স্থলবন্দরে তার কিছুই পান না।

অন্য স্থলবন্দরে প্রতি ট্রাক আনার ফল আমদানি করলে কার্টন বা বাক্সের মূল ওজন বাদ দিয়ে দেড় টন পর্যন্ত ওজনের বিপরীতে শুল্ক ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু ভোমরা স্থলবন্দরে সব ধরনের ফল আমদানিতে কার্টন বা বাক্সের মূল ওজন ছাড়া বাড়তি কোনো ছাড় পান না ব্যবসায়ীরা।

ভোমরা স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম বলেন, ফল একটি পচনশীল পণ্য। আমদানির সময় পচনসহ নানাভাবে ফল নষ্ট হয়। এজন্য অন্যান্য স্থলবন্দরে বাড়তি টিআর ওয়েট বা মোড়কসামগ্রী ওজন বাবদ ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু ভোমরা স্থলবন্দরে এ সুবিধা ব্যবসায়ীদের দেয়া হয় না। ফলে অতিরিক্ত ব্যয়ভার বহন করতে হয় এ স্থলবন্দর ব্যবহারকারী ফল আমদানিকারকদের। এ কারণে ব্যবসায়ীরা অন্য স্থলবন্দরের দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া সম্প্রতি বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ফল আমদানি শুরু হয়েছে, যার প্রভাবও ভোমরা স্থলবন্দরে পড়েছে।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার মো.রেজাউল করিম বলেন, ‘বন্দরে যে কোনো পণ্য চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আমদানি কম-বেশি হয়।’

 

সাতক্ষীরা/ শাহীন গোলদার/শাহেদ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন