বেড়াতে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

ফাইল ফটো
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় ঈদের দিন বেড়াতে নিয়ে ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে রাতভর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ ভুক্তভোগী শিশুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো. দুলাল মিয়া (৩০)। তিনি উপজেলার নামা মহিষতারা গ্রামের মন্নেছ আলীর ছেলে। দুলাল মিয়াকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগে উত্তেজিত জনতা মজিদ মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। সেই সঙ্গে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৩১ মার্চ) ঈদের দিন বিকেলে দুলাল শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে নিয়ে যাবার কথা বলে নিজের মেয়েকে দিয়ে পাশের বাড়ির ৯ বছর বয়সী মেয়েটিকে ডেকে নেয়। পরে নিজের মেয়েসহ ওই শিশুকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যায়। পরে নিজের মেয়েকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে ওই শিশুকে বাইরে নিয়ে গিয়ে রাতভর ধর্ষণ করে। মঙ্গলবার সকালে শিশুটিকে একটি ভ্যানে করে অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে পৌঁছে দেন দুলাল। এসময় শিশুটি তার পরিবারকে জানায়, দুলাল তাকে রাতভর ধর্ষণ করেছে। পরে পরিবারের লোকজন দুলালকে আটক করতে গেলে স্থানীয় মজিদ তাকে পালাতে সহযোগিতা করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। তবে, এ সময় পালিয়ে যান দুলাল। পরে উত্তেজিত জনতা দুলালের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরে তারা মজিদকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা মজিদের দোকান ও বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
মুক্তাগাছা থানার ওসি (তদন্ত) রিপন চন্দ্র গোপ বলেন, ‘‘মূল অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করার অভিযোগ মজিদ নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। ভিকটিম শিশুটিকে চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মূল অভিযুক্ত দুলাল পালিয়েছেন। তাকে ধরার চেষ্টা এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান আছে।’’
ঢাকা/মিলন/রাজীব