ঢাকা     শনিবার   ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১ ১৪৩২

Risingbd Online Bangla News Portal

বিশ্বকাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

আবু হোসেন পরাগ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:০৩, ২ জুলাই ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
বিশ্বকাপ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

বিশ্বকাপে আরো একটি ফিফটি করেছেন সাকিব আল হাসান

আবু হোসেন পরাগ : ভারতের কাছে হেরে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর 

ভারত: ৫০ ওভারে ৩১৪/৯

বাংলাদেশ: ৪৮ ওভারে ২৮৬

ফল: ভারত ২৮ রানে জয়ী।

সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

জাসপ্রিত বুমরাহকে স্ট্রেইট ড্রাইভে চার মেরে ফিফটি করলেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। প্রায় অসম্ভব এক জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন তিনি। তবে সাইফউদ্দিন সিঙ্গেল নিয়ে নন স্ট্রাইকে যাওয়ার পরই টানা দুই বলে রুবেল হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করে বাংলাদেশের ইনিংসের ইতি টানলেন বুমরাহ। এই হারে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত হয়ে গেল ভারতের।

ভারতের দুর্দান্ত শুরুর পর ঘুরে দাঁড়িয়ে লক্ষ্যটা আয়ত্তেই রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্যাটিংটাই প্রত্যাশামতো হলো না। প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের সবাই উইকেটে থিতু হয়েছিলেন। কিন্তু সাকিব (৬৬) ছাড়া কেউই পঞ্চাশে যেতে পারেননি। শেষ দিকে সাব্বির (৩৬) ও সাইফউদ্দিনের (৫১*) ব্যাটে তবুও আশা জেগেছিল। তবে জয়টা থেকে গেল দূরেই।    

ছক্কার পর আউট মাশরাফি

ভুবনেশ্বর কুমারকে ছক্কা হাঁকানোর পরের বলেই আউট হয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ৫ বলে একটি ছক্কায় বাংলাদেশ অধিনায়ক করেন ৮ রান।

তখন ৪৪ ওভার ২ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৫৭ রান। ৩৩ রানে ব্যাট করা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন রুবেল হোসেন।

সাব্বিরের বিদায়ে ভাঙল জুটি

সপ্তম উইকেট দারুণ এক জুটিতে লড়ছিলেন সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। সাব্বিরকে ফিরিয়ে ৬৬ রানের জুটি ভেঙেছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। ডানহাতি পেসারের স্লোয়ারে বোল্ড হন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

৩৬ বলে ৫ চারে ৩৬ রান করেন সাব্বির। তার বিদায়ের সময় ৪৩ ওভার ১ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ২৪৫ রান। ৩০ রানে ব্যাট করা সাইফউদ্দিনের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।  

সাব্বির-সাইফউদ্দিন জুটির ফিফটি

সপ্তম উইকেটে ফিফটি রানের জুটি গড়েছেন সাব্বির রহমান ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ৪৩ বলে ছুঁয়েছে জুটির পঞ্চাশ।

৪১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২২৯ রান। সাব্বির ৩২ ও সাইফউদ্দিন ২০ রানে ব্যাট করছেন। ৯ ওভার থেকে বাংলাদেশকে করতে হবে আরো ৮৬ রান।

বাংলাদেশের দুইশ

৩৭ ওভার ৩ বলে দলীয় দুইশ রান স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। ৩৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২০৮ রান। সাব্বির রহমান ২৪ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৯ রানে ব্যাট করছেন। ১২ ওভার থেকে বাংলাদেশকে করতে হবে আরো ১০৭ রান।

সাকিবের বিদায়ে ক্ষীণ হলো আশা

হার্দিক পান্ডিয়ার গতির পরিবর্তনে পরাস্ত হলেন সাকিব আল হাসান। অফ কাটারটা ঠিকঠাক খেলতে পারেননি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। এক্সট্রা কাভারে সহজ ক্যাচ নেন দিনেশ কার্তিক।

নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের মাঝে আশা হয়ে টিকে ছিলেন সাকিব। তার বিদায়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের আশাও ক্ষীণ হয়ে গেল অনেকটা।

৭৪ বলে ৬ চারে সাকিব করেন ৬৬ রান। তখন ৩৩ ওভার ৫ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৭৯ রান। ৫ রানে ব্যাট করা সাব্বির রহমানের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

টিকলেন না মোসাদ্দেক

দ্রুতই ফিরেছেন মোসাদ্দেক হোসেন। জাসপ্রিত বুমরাহর অফ কাটার থার্ডম্যানে খেলতে গিয়ে স্টাম্পে টেনে আনেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

মোসাদ্দেক ৭ বলে করেন ৩ রান। তখন ৩২ ওভার ২ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। সাকিব আল হাসান ৬৫ রানে অপরাজিত আছেন। শেষ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেছেন সাব্বির রহমান।  

শর্ট বলে আউট লিটন

হার্দিক পান্ডিয়ার এক বল আগেই মেরেছিলেন দারুণ একটি ছক্কা। এক বল পরই আউট হয়ে গেলেন লিটন দাস। শর্ট বল পুল করে মিড উইকেটে দিনেশ কার্তিকের হাতে ক্যাচ দেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

লিটন ২৪ বলে একটি ছক্কায় ২২ করে ফেরার সময় ২৯ ওভার ৪ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৬২ রান। সাকিব আল হাসান ৫৭ ও মোসাদ্দেক হোসেন শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

সাকিবের আরেকটি ফিফটি

টুর্নামেন্টে আরো একবার পঞ্চাশ ছুঁলেন সাকিব আল হাসান। ৫৮ বলে ফিফটি করতে ৫টি চার মারেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

মুশফিককে থামালেন চাহাল

সাকিব আল হাসানের সঙ্গে ভালোই দলকে টেনে নিচ্ছেলেন মুশফিকুর রহিম। তাকে ফিরিয়ে ৪৭ রানের তৃতীয় উইকেট জুটি ভেঙেছেন যুজবেন্দ্র চাহাল। লেগ স্পিনারকে সুইপ করতে গিয়ে বল মাটিতে রাখতে পারেননি ডানহাতি ব্যাটসম্যান। মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ নেন মোহাম্মদ শামি।

মুশফিক ২৩ বলে ৩ চারে ২৪ রান করে ফেরার সময় ২৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১২১ রান। সাকিব ৩৯ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন লিটন দাস।

বাংলাদেশের একশ

দুই ওপেনারকে হারিয়ে একশ রান করেছে বাংলাদেশ। ১৯ ওভার ৩ বলে ছুঁয়েছে দলীয় শতরান। তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকারের বিদায়ের পর দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম।

২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০৪ রান। সাকিব ২৯ ও মুশফিক ১৭ রানে ব্যাট করছেন।

বাজে শটে আউট সৌম্য

তামিম ইকবালের মতো সৌম্য সরকারও উইকেটে থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে পারলেন না। বরং আউট হলেন বাজে শট খেলে।

প্রথমবারের মতো আক্রমণে আসা হার্দিক পান্ডিয়া বলটা করেছিলেন অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে। হতে পারত ওয়াইড। সেই বলে ব্যাট চালিয়ে সরাসরি এক্সট্রা কাভারে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

সৌম্য ৩৮ বলে ৪ চারে করেন ৩৩ রান। তখন ১৫ ওভার ১ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৭৪ রান। সাকিব আল হাসান ১৬ ও মুশফিকুর রহিম শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।

পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আউট তামিম

প্রথম পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আউট হয়েছেন তামিম ইকবাল। মোহাম্মদ শামিকে অফ সাইডে খেলতে গিয়ে প্লেড-অন হন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

এর আগে সৌম্য সরকারকে সঙ্গে নিয়ে শুরুটা দারুণ করেছিলেন তামিম। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারলেন না। ৩১ বলে ৩ চারে করেন ২২ রান।

তখন ৯ ওভার ৩ বলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৩৯ রান। সৌম্য ১৬ ও সাকিব আল হাসান শূন্য রানে অপরাজিত আছেন।   

মুস্তাফিজের পাঁচে ভারতকে ৩১৪ রানে আটকে রাখল বাংলাদেশ

ইনিংসের শেষ বলে মোহাম্মদ শামিকে বোল্ড করে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তার আগের বলে ওয়াইড ডেলিভারিতে রান আউট হন ভুবনেশ্বর কুমার। আর ওভারের প্রথম দুই বল ডট দিয়ে তৃতীয় বলে আউট হন মহেন্দ্র সিং ধোনি। শেষ ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়ে মুস্তাফিজ নেন ২ উইকেট।

রোহিত শর্মার সেঞ্চুরিতে বিশাল সংগ্রহের পথে ছিল ভারত। পার্ট-টাইমার সৌম্য সরকার ১৮০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর সাকিব ও মুস্তাফিজের অসাধারণ বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত ভারতকে ৩১৪ রানে বেঁধে রেখেছে বাংলাদেশ। শেষ ১০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারত তুলতে পারে মাত্র ৬৩ রান।

সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখতে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩১৫ রান। এই বিশ্বকাপে তিনশ বা এর বেশি রান তাড়া করে জয়ের নজির আছে একটিই। আর সেটা বাংলাদেশেরই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩২২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশ ৭ উইকেটে জিতেছিল ৫১ বল বাকি রেখে। আজ তাই বাংলাদেশের সমর্থকরা আশায় বুক বাঁধতেই পারে!

বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। বাঁহাতি পেসার ১০ ওভারে দিয়েছেন ৫৯ রান। একটি করে উইকেট পেয়েছেন সৌম্য ও রুবেল হোসেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

ভারত: ৫০ ওভারে ৩১৪/৯ (রাহুল ৭৭, রোহিত ১০৪, কোহলি ২৬, পন্ত ৪৮, পান্ডিয়া ০, ধোনি ৩৫, কার্তিক ৮, ভুবনেশ্বর ২, শামি ১, বুমরাহ ০*; মাশরাফি ০/৩৬, সাইফ ০/৫৯, মুস্তাফিজ ৫/৫৯, সাকিব ১/৪১, মোসাদ্দেক ০/৩২, রুবেল ১/৪৮, সৌম্য ১/৩৩)।

ধোনিকে ফিরিয়ে মুস্তাফিজের চতুর্থ

শেষ ওভারের প্রথম দুই বলে কোনো সিঙ্গেল নেননি মহেন্দ্র সিং ধোনি। মুস্তাফিজুর রহমানের তৃতীয় বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান (৩৫)।   

মুস্তাফিজের তৃতীয়

দিনেশ কার্তিককে ফিরিয়ে ইনিংসে নিজের তৃতীয় উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের স্লোয়ার বাউন্সার পুল করেছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। টাইমিং হয়নি ঠিকমতো। মিড উইকেটে সহজ ক্যাচ নেন মোসাদ্দেক হোসেন।

কার্তিক ৯ বলে ৮ রান করে ফেরার সময় ৪৭ ওভার ২ বলে ভারতের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ২৯৮ রান। মহেন্দ্র সিং ধোনি ২৩ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান ভুবনেশ্বর কুমার।

পন্তকে ফিরিয়ে সাকিবের প্রথম

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা ঋষভ পন্তকে ফিরিয়ে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বাঁহাতি স্পিনারের লেংথ বল স্লগ সুইপে উড়াতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। টাইমিং হয়নি ঠিকমতো। স্কয়ার লেগে দুইবারের চেষ্টায় ক্যাচ নেন মোসাদ্দেক হোসেন। বল তার হাত ফসকে পড়ে কাঁধে, এরপর আবার হাতে জমান।

পন্ত ৪১ বলে ৬ চার ও একটি ছক্কায় ৪৮ করে ফেরার সময় ৪৪ ওভার ১ বলে ভারতের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৭৭ রান। মহেন্দ্র সিং ধোনি ১০ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান দিনেশ কার্তিক। সাকিব ১০ ওভারে ৪১ রানে নিয়েছেন একটি উইকেট।

   

মুস্তাফিজের জোড়া উইকেট

আক্রমণে ফিরে একই ওভারে বিরাট কোহলি ও হার্দিক পান্ডিয়ার বড় দুটি উইকেট তুলে নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।

বাঁহাতি পেসারের শর্ট বল ছক্কায় উড়াতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে রুবেল হোসেনের ক্যাচে পরিণত হন কোহলি। ২৭ বলে ৩ চারে কোহলি করেন ২৬ রান।

এক বল পর ডাক মেরে ফেরেন হার্দিক পান্ডিয়া। অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ব্যাট চালিয়ে স্লিপে সৌম্য সরকারের নিচু ক্যাচে পরিণত হন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

মুস্তাফিজের ওভারটি ছিল ডাবল উইকেট মেডেন! তখন ৩৯ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৩৭ রান। ঋষভ পন্ত ২৩ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান মহেন্দ্র সিং ধোনি।

রাহুলকে থামালেন রুবেল

সেঞ্চুরির পথে থাকা লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়েছেন রুবেল হোসেন। ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বল ড্রাইভ করতে গিয়ে উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমের দারুণ ক্যাচে পরিণত হন ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

৯২ বলে ৬ চার ও একটি ছক্কায় ৭৭ রান করেন রাহুল। তার বিদায়ের সময় ৩২ ওভার ৪ বলে ভারতের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৯৫ রান। বিরাট কোহলি ৯ রানে অপরাজিত আছেন। নতুন ব্যাটসম্যান ঋষভ পন্ত।    

জুটি ভাঙলেন সৌম্য

রোহিত শর্মাকে ফিরিয়ে ১৮০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছেন পার্ট টাইমার সৌম্য সরকার। তার অফ কাটার এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে উড়াতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। টাইমিং হয়নি ঠিকমতো, ত্রিশ গজ বৃত্ত থেকে কিছুটা পেছনে গিয়ে ক্যাচ নেন লিটন দাস।

৯ রানে জীবন পেয়ে ৯২ বলে ৭ চার ও ৫ ছক্কায় ১০৪ রান করেন রোহিত। তার বিদায়ের সময় ২৯ ওভার ১ বলে ভারতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৮০ রান। লোকেশ রাহুল ৭১ রানে অপরাজিত আছেন। তিন নম্বরে নেমেছেন বিরাট কোহলি।

আরেকটি সেঞ্চুরিতে রোহিতের রেকর্ড

৯ রানে জীবন পেয়ে সেঞ্চুরি করেছেন রোহিত শর্মা। ৯০ বলে সেঞ্চুরি করতে ৬টি চারের সঙ্গে পাঁচটি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি ওপেনার। এবারের বিশ্বকাপে এটি রোহিতের টানা দ্বিতীয় ও সব মিলিয়ে চতুর্থ সেঞ্চুরি।

বিশ্বকাপের এক আসরে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড এটি। ২০১৫ বিশ্বকাপে টানা চারটি সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলঙ্কান গ্রেট কুমার সাঙ্গাকারা।

রাহুলের ফিফটি

রুবেল হোসেনকে চার মারার পর ডাবল নিয়ে ফিফটি করেছেন লোকেশ রাহুল। ৫৭ বলে ফিফটি করতে ৫টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি ওপেনার।  

রোহিত-রাহুল জুটির একশ

শতরানের উদ্বোধনী জুটি গড়েছেন রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। ১৭ ওভার ২ বলে স্পর্শ করেছে জুটির সেঞ্চুরি। এরই মধ্যে রোহিত তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ফিফটির পথে আছেন রাহুল।

১৮ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১০৫ রান। রোহিত ৫৭ ও রাহুল ৪৪ রানে ব্যাট করছেন।

  

জীবন পেয়ে রোহিতের ফিফটি

৯ রানে জীবন পেয়ে ফিফটি করেছেন রোহিত শর্মা। সাকিব আল হাসানকে ছক্কায় উড়ানোর পর সিঙ্গেল নিয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন ডানহাতি ওপেনার। ৪৫ বলে পঞ্চাশ করতে মারেন ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা।

১৫ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৮৭ রান। রোহিত ৫১ ও লোকেশ রাহুল ৩২ রানে অপরাজিত আছেন।

পাওয়ার প্লেতে উইকেটশূন্য বাংলাদেশ

প্রথম পাওয়ার প্লেতে ভারতের উদ্বোধনী জুটি ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ। সুযোগ অবশ্য এসেছিল একবার। তবে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলেন তামিম ইকবাল। ৯ রানে জীবন পেয়ে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছেন রোহিত। দেখেশুনে খেলছেন লোকেশ রাহুল।

১০ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ৬৯ রান। রোহিত ২৯ বলে ৩৮ ও রাহুল ৩২ বলে ২৮ রানে ব্যাট করছেন।

রোহিতকে জীবন দিলেন তামিম

মুস্তাফিজুর রহমানের বলে রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলেছেন তামিম ইকবাল। বাঁহাতি পেসারের শর্ট বল স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে ছক্কায় উড়াতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ডিপ স্কয়ার লেগ থেকে দৌড়ে গিয়ে বুক উচ্চতার বলটা তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন তামিম। তখন ৯ রানে ব্যাট করছিলেন রোহিত।

৫ ওভার শেষে ভারতের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ২১ রান। রোহিত ১১ ও লোকেশ রাহুল ৮ রানে ব্যাট করছেন।

 

ভারতেরও দুটি পরিবর্তন

বাংলাদেশের মতো ভারতও একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে। রিস্ট স্পিনার কুলদীপ যাদবের জায়গায় ফিরেছেন পেসার ভুবনেশ্বর কুমার। কেদার যাদবের জায়গায় এসেছেন দিনেশ কার্তিক।

ভারত একাদশ

লোকেশ রাহুল, রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), ঋষভ পন্ত, হার্দিক পান্ডিয়া, মহেন্দ্র সিং ধোনি, দিনেশ কার্তিক, ভুবনেশ্বর কুমার, মোহাম্মদ শামি, জাসপ্রিত বুমরাহ, যুজবেন্দ্র চাহাল।  

বাংলাদেশের দুটি পরিবর্তন

বাংলাদেশ দলে আজ দুটি পরিবর্তন হয়েছে। চোটের কারণে খেলতে পারছেন না মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তার জায়গায় খেলছেন সাব্বির রহমান। একাদশে ঢুকেছেন পেসার রুবেল হোসেনও। বাদ পড়েছেন অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। অর্থাৎ বাংলাদেশ আজ চার পেসার নিয়ে খেলছে।

বাংলাদেশ একাদশ

তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), রুবেল হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মুস্তাফিজুর রহমান।
 


টস

টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা জানান, টস জিতলে তিনিও ব্যাটিং নিতেন। বার্মিংহামের এজবাস্টনে ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে তিনটায়।

বাংলাদেশের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার ম্যাচ

ইংল্যান্ডের কাছে ভারতের হারের পরই বাংলাদেশের সেমিফাইনালের সমীকরণ হয়ে গেছে কঠিন। সেমিফাইনালে যেতে হলে শেষ দুই ম্যাচে ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকে জিততেই হবে। পাশাপাশি ইংল্যান্ড যেন নিউজিল্যান্ডের কাছে হারে, করতে হবে সেই প্রার্থনাও। ইংল্যান্ড জিতলেও বাংলাদেশ সেমিতে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে নেট রানরেটে পেছনে ফেলতে হবে কিউইদের। মাশরাফিদের সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ের শুরুটা হচ্ছে আজ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে।

পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-ভারত

দুই দল এর আগে ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে ৩৫ বার। যেখানে ভারতের জয় ২৯টি, বাংলাদেশের পাঁচটি, একটি ম্যাচের ফল হয়নি।

বিশ্বকাপে দুই দলের এর আগে দেখা হয়েছে তিনবার। ২০০৭ সালে প্রথম দেখায় ঐতিহাসিক এক জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। তবে ২০১১ সালে ঘরের মাঠে গ্রুপপর্বে ও ২০১৫ বিশ্বকাপে মেলবোর্নে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ হেরে যায়।  

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২ জুলাই ২০১৯/পরাগ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়