ঢাকা, সোমবার, ৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ অক্টোবর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

কর্পোরেট করহার হ্রাস না হওয়ায় হতাশ নারী উদ‌্যোক্তারা

এম এ রহমান মাসুম : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১৮ ৯:১০:০৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৬-১৮ ৯:১০:০৯ পিএম
ফাইল ফটো

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক: নারী উদ্যোক্তাদের দ্বারা পরিচালিত কর্পোরেট ও কোম্পানিসমূহে করহার হ্রাসের দাবি জানানো হলেও প্রস্তাবিত বাজেটে এ দাবি আমলে না নেয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন ওমেন এন্টারপ্রিনিয়ার্স নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (ওয়েন্ড)।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ইকোনোমিক রিপোটার্স ফোরামে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনটির সভাপতি ড. নাদিয়া বিনতে আমিন এ হতাশার কথা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে সরকার নারী উদ্যোক্তা দ্বারা পরিচালিত বাৎসরিক টার্নওভার পঞ্চাশ লাখ টাকা রয়েছে- এমন প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট অব্যাহতির দাবি জানানোর পরিপ্রেক্ষিতে বাজেটে এর প্রতিফলন দেখতে পেয়েছি। যদিও নারী হিসেবে পৃথকভাবে নয়, এসএমই খাতে এই সুবিধা দেয়া হয়েছে। তথাপি ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত এই সুবিধার কারণে নারীদের ভ্যাট সংক্রান্ত জটিল হিসাব নিকাশ, নিয়মিত রিটার্ন দাখিল, ভ্যাট নিবন্ধন জটিলতা থেকে মুক্তি দেবে। তথাপি ভ‌্যাট অব‌্যাহতি এক কোটি টাকা পর্যন্ত হলে নারী উদ্যাক্তারা আরো অনুপ্রাণিত হতো। তবে নারীদের বিশেষভাবে, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অফিস, বাড়ি, কারখানা ভাড়ার ক্ষেত্রে কোন ভ্যাট প্রদান করতে হবে না, সেজন্য অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

সংগঠনটি বলছে, নারী উদ্যোক্তাদের দ্বারা পরিচালিত কর্পোরেট ও কোম্পানিসমূহে করহার হ্রাসের দাবি জানানো হলেও প্রস্তাবিত বাজেটে এ দাবি আমলে না নেয়ায় ওয়েন্ড হতাশা ব্যক্ত করছে। কর্পোরেট ওয়ার্ল্ডে নারী উদ্যোক্তাদের আরও বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিতে নারী উদ্যোক্তাদের দ্বারা পরিচালিত করহার হ্রাসের জন্য ওয়েন্ড অনুরোধ জানাচ্ছে।

নাদিয়া বিনতে বলেন, ‘চাল আমদানিতে আমাদের কৃষকদের দিকে খেয়াল রেখে সর্বোচ্চ কাষ্টমস ও রেগুলেটরি ডিউটি ২৫ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সেজন্য সরকারকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। নারী দ্বারা পরিচালিত কোম্পানিসমুহে আমদানি রপ্তানি শুল্কহার হ্রাস করা হলে তা নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা প্রসারে সহায়ক হতো।

তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সফলতার সাথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষতা একটি অন্যতম প্রতিবন্ধকতা। এই প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের লক্ষ্যে নারীদের জন্য বিশেষ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করার বিকল্প নাই। তাই দেশের আটটি বিভাগে নারী উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দান ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে প্রতি বিভাগে একটি করে সাপোর্ট সেন্টার করার জন্য ইতোপূর্বে অনুরোধ জানানো হলেও এ বিষয়ে বাজেটে কোন আলোকপাত করা হয়নি। এ ছাড়া সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন ইকোনমিক জোন, এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন, বিসিক শিল্প নগরী, আইটি পার্ক ইত্যাদিতে নারী উদ্যাক্তাদের বিশেষ সুবিধায় প্লট বরাদ্দ করার বিষয়ে কোন আলোকপাত করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনার পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/১৮ জুন ২০১৯/এম এ রহমান/শাহনেওয়াজ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন