ঢাকা, বুধবার, ২৫ চৈত্র ১৪২৬, ০৮ এপ্রিল ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

ঢাকার পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পে ১৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-২১ ১২:১০:৫০ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-২১ ২:০৯:৩৫ পিএম

রাজধানীর পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন (পয়ঃনিষ্কাশন) ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশকে ১৭০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেবে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা।

শনিবার (২১ মার্চ) সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয়ের মুখপাত্র মেহরিন এ মাহবুব এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এ সংক্রান্ত ঋণ অনুমোদন দিয়েছে। বাংলাদেশকে ৩৪ বছরে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। চার বছরের গ্রেস (সুদহীন) দিয়ে সার্ভিস চার্জ হবে শুন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ।’

তিনি আরো বলেন, ‘ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট নামে প্রকল্পের অধীনে এই ঋণ সহায়তা ব্যয় হবে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়ন হবে। ফলে প্রায় ১৫ লাখ জনগণ উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধার আওতায় আসবে।’

জানা গেছে, চলতি মাসে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ঢাকা স্যানিটেশন ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্প অনুমোদন দেয়। প্রকল্পের মোট ব্যয় হবে ৪ হাজার ৫৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকার বহন করবে ১ হাজার ১৯৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

ঢাকা শহরের একমাত্র পয়ঃশোধনাগারটির অবস্থান পাগলায়। স্যুয়ারেজ কানেকশন নেটওয়ার্কের ভঙ্গুরতার কারণে এই শোধনাগারটির ক্ষমতাও অর্ধেক কমে গেছে। ঢাকা শহরের অধিকাংশ জনগণ তাদের পয়ঃবর্জ্য আশপাশের স্টর্ম ওয়াটার ড্রেনেজ লাইনে অথবা খাল-বিলে নিষ্কাশন করছে। ফলে নদী ও পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে সার্বিকভাবে ঢাকা শহরের জনগণের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবনতি ঘটছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি স্যুয়ারেজ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়।

এই মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ঢাকার দক্ষিণে অবস্থিত পাগলা ক্যাচমেন্টের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়। এই লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ২০১৬ সালে বিশ্বব্যাংকে অর্থায়নের প্রস্তাব করা হয়। এ সময় সংস্থাটি ঋণ দেয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্ট্যাডিসহ অন্যান্য প্রস্তুতিমূলক কাজ করা হয়। বর্তমানে প্রকল্পের আওতায় যাবতীয় কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে।

 

ঢাকা/হাসান/জেনিস