ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৫ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৭ ৪:৪১:০৬ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৪-০৭ ৪:৪১:০৬ পিএম

দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রতি মাসে ভোজ্য লবণের মোট চাহিদা ৭৫ হাজার মেট্রিক টন।  গত ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১০.২৬ লাখ মেট্রিক টন লবণ মজুদ রয়েছে। এছাড়া সব জেলার ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা পর্যায়েও আয়োডিনযুক্ত ভোজ্য লবণ মজুদ রয়েছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর লবণ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, আয়োডিনযুক্তকরণ, মজুদ ও মূল্য সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  চলতি ২০১৯-২০২০ মৌসুমে লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮.৫০ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১০.৩৪ লাখ মেট্রিক টন লবণ উৎপাদিত হয়েছে।

গত ২০১৮-১৯ মৌসুমে এ সময় লবণ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৯.৭৫ লাখ মেট্রিক টন।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে মোট নিবন্ধিত লবণ মিলের সংখ্যা ২৭০টি।

এরমধ্যে করোনা প্রভাবের আগে ১৮০টি মিল চালু ছিল। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে ১৭০টি মিল চাহিদা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় করোনা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে স্বল্প পরিসরে চালু রয়েছে।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধ এবং এর প্রাদুর্ভাবজনিত পরিস্থিতিতে মাঠে লবণ উৎপাদন, মিলে প্রক্রিয়াজাত ও আয়োডিনযুক্তকরণ ও বাজারজাতকরণে বিসিক বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ও বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে লবণ মিলগুলো চালু রাখার জন্য বিসিকের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিতে নিরবচ্ছিন্নভাবে আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন ও বাজারজাত অব্যাহত রাখতে চাহিদা অনুযায়ী লবণ মিলগুলোতে পটাশিয়াম আয়োডেট সরবরাহ করা হচ্ছে।

এছাড়া, বিসিকের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে মাঠে লবণ উৎপাদন, মিলে লবণ প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আয়োডিনযুক্তকরণ এবং বাজারজাতকরণসহ সার্বিক বিষয়ে সহযোগিতা দেওয়াসহ নিয়মিত তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে।  পাশাপাশি লবণ চাষিদের নিয়মিত আবহাওয়া সংবাদ দেওয়া, লবণ উৎপাদন ও মজুদ বিষয়ে কারিগরি সহায়তা দেওয়া, ক্রুড লবণ  বাজারজাতকরণের জন্য লবণ চাষি ও মিলারদের সঙ্গে যোগাযোগের  মাধ্যম সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া লবণ মিলে শিল্প ও আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদন, বিক্রি, মজুদ ও  মূল্য সম্পর্কিত নিয়মিত প্রতিবেদন তৈরি করে তা বিসিকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।


ঢাকা/হাসান/জেডআর