ঢাকা, বুধবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৩ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

টিসিবির ট্রাকসেলে অনিয়ম হলে ব্যবস্থা

বিশেষ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৯ ৯:৩৩:৪১ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৪-০৯ ৯:৩৩:৪১ পিএম

খোলা বাজারে পণ্য বিক্রিতে কোনও ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কঠোর হচ্ছে।  সাধারণ মানুষের ক্রয় অধিকার নিশ্চিত করতে ডিলারদের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ পাওয়া গেলেই তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে টিসিবি সূত্রে জানা গেছে।

সম্প্রতি টিসিবি একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।  এতে বলা হয়েছে চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের চলমান ষষ্ঠ কিস্তির বরাদ্দে টিসিবির পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ডিলার কর্তৃক কোনও অনিয়ম হলে প্রিন্ট অথবা ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় অনিয়ম সংক্রান্ত কোনও রিপোর্ট পাওয়া গেলে অথবা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভোক্তা অধিকার, র‌্যাব, পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসন  বা কোনও কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ডিলারের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম থেকে প্রত্যাহার করে করণীয় বিষয়ে সুপারিশসহ প্রধান কার্যালয়কে অবহিত করতে হবে।

অফিস আদেশটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা  টিসিবির সব আঞ্চলিক কার্যালয় এবং দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। 

আসন্ন রমজান উপলক্ষে টিসিবি সারা দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে  ৩৫০টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে চিনি, মুসর ডাল ও সয়াবিন তেল বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে।

এর মধ্যে ঢাকায়-৫০ টি, চট্টগ্রামে-১৬টি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে ১০টি করে ও জেলা সদরে-৪টি করে ট্রাকে বা ডিলারের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রি করবে।  টিসিবির ৬ষ্ঠ কিস্তির কার্যক্রম ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ২০ মে পর্যন্ত চলবে বলে টিসিবি সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, ট্রাক সেল প্রক্রিয়ায় প্রতি দিন প্রতিটি ট্রাকের জন্য ১০০০ থেকে ১৫,০০ কেজি বিক্রি হবে ৫০ টাকা।  প্রতি ক্রেতা ৪ কেজি করে চিনি কিনতে পারবেন।  মশুর ডাল ট্রাক প্রতি ২০০ থেকে ৩০০ কেজি বরাদ্দ দেওয়া হবে।  প্রতি কেজি মশুর ডালের দাম পড়বে ৫০ টাকা। একজন ক্রেতা ২ কেজি করে ডাল কিনতে পারবেন। প্রতিটি ট্রাকে ১৫০০ লিটার সয়াবিন তেল সরবরাহ করা হবে। প্রতি লিটার সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ৮০ টাকায়।  একজন ক্রেতা ৫ লিটার সয়াবিন তেল কিনতে পারবেন।

টিসিবি নিযুক্ত ডিলাররা ৫০ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত হলে তারা প্রতি কেজি/লিটারে ৪ টাকা, ৫১-১০০ কিলোমিটার দূরত্বেও মধ্যে হলে ৫ টাকা এবং ১০০ কিলোমিটার দূরত্বের বাইরে হলে ৬ টাকা হারে পরিচালন ব্যয় বাবদ প্রাপ্য হবেন।

ঢাকায় পণ্য বিক্রয়ের সম্ভাব্য স্থানগুলো হচ্ছে—প্রেসক্লাব, সচিবালয় গেট, দিলকুশা, বাংলাদেশ ব্যাংক, যাত্রবাড়ী বাজার, ইত্তেফাক মোড়, শান্তিনগর বাজার, ডিসি অফিস, শাজাহানপুর বাজার, শ্যামলী মোড ন্যাম গার্ডেন, গাবতলী/টেকনিক্যাল, বাংলা কলেজ, সাভার বাজার, খামারবাড়ী, আনন্দ সিনেমা (ফার্মগেট), বেগুনবাড়ী, মিরপুর-১ মাজার রোড, নন্দীপাড়া কৃষি ব্যাংক, উত্তরা/আবদুল্লাহপুর, আদাবর/মনসুরাবাদ, হাজী ক্যাম্প, শেওড়াপাড়া, ৬০ ফিট (ভাঙ্গা মসজিদ), মিরপুর-১০ গোলচক্কর, মিরপুর-১১, মিরপুর-২/২২, মিরপুর-১৩ দিগন্ত সমবায় সমিতি, মিরপুর-১৪ কচুক্ষেত, আনসার ক্যাম্প মিরপুর, ভাষনটেক বাজার, কালশী (ইসিবি), পলাশি ছাপড়া মসজিদ, জিগাতলা/ধানমন্ডি সরকারি কলোনী, শাহ সাহেব বাজার/আজিমপুর, বছিলা, মতিঝিল সরকারি কলোনী, মধ্যবাড্ডা, সাতারকুল বাজার, বনশ্রী বাজার, মেরাদিয়া বাজার, মুগদা, গুপিবাগ কমিউিনিটি সেন্টার, শনির আখড়া, সারুলিয়া বাজার, গুলশান ভাটারা বাজার, উত্তর বাড্ডা বাজার, সাতারকুল, রামপুরা বাজার, মালিবাগ বাজার, বাসাবো বাজার, ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার, মৌচাক, মালিবাগ বাজার, খিলগাঁও তালতলা, কাপ্তান বাজার, শোয়ারিঘাট/নবাবগঞ্জ সেকশন, রাজলক্ষী/জসিমউদ্দিন, উত্তরা আজমপুর, আশকোনা হাজী ক্যাম্প,২৩০, গুদামের পেছনে, ৩৪৪/সি গুদামের সামনে, কচুক্ষেত বাজার, পান্থপথ, গোপীবাগ খোকন কমিউনিটি সেন্টার, শনির আখড়া, নিপ্পন বটতলা, রায়ের বাজার, খিলক্ষেত বাজার, টঙ্গী বাজার ঢাকা উদ্যান, শাহবাগ জাদুঘর, নিউমার্কেট, কামরাঙ্গী চর লোহার পুল, বাবু বাজার ওভারব্রিজ, ভিক্টোরিয়া পার্ক, নন্দিপাড়া কৃষি ব্যাংকের সামনে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলবে।


হাসনাত/সাইফ