ঢাকা, মঙ্গলবার, ৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

আনন্দে মাতলেন ঢাবি ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-২৪ ৮:০০:৩১ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-২৪ ৮:০০:৩১ পিএম

হাজারো কর্মব্যস্ততা ভুলে স্মৃতি রোমন্থনে পুরো একটি দিন আনন্দের ভেলায় ভাসলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীরা।

পড়াশোনা শেষ করে যার যার পেশায় চলে গেলেও বছর শেষে জড়ো হন নিজের পরিচিত জনদের সঙ্গে। সবাই সহপাঠীদের সঙ্গে মাতলেন গল্প, আড্ডা আর গানে। প্রাণের বন্ধনে একে অন্যের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে প্রত্যেকেই যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য ফিরে গিয়েছিলেন সেইসব হারানো দিনে। তাঁরা হাতড়ে ফেরেন ক্যাম্পাস জীবনের সেই উচ্ছ্বল, বাধাহীন তারুণ্য এবং যৌবনের ছোটগল্পগুলোকে।

শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে (টিএসসি) এক মহামিলনমেলায় পরিণত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি বিভাগের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান।

ঢাবি ইংলিশ ডিপার্টমেন্ট সোসাইটি (ইডাস) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণ করেন সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, র‍্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরীসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তি, বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। সবাই হাসি-গান-আড্ডায় মেতে উঠেন।

আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় স্মৃতি আজকের খোরাক। মজার বিষয় হচ্ছে, ‘আমি আজকে এখানে মোস্ট সিনিয়র হলাম। এখানে আসলে আমি সবসময় আবেগাপ্লুত হয়ে যাই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিষয়ে স্মৃতিচারণ করার আনূষ্ঠানিক সুযোগ তৈরি হয়।’

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মৃতি সবসময় আমাদের নাড়া দেয়। এটাই আমাদের মনের কথা। পড়াশোনা শেষে অনেকদিন পর অনেক সিনিয়র জুনিয়রের মিলন মেলা। এ দিনটির জন্য আমরা প্রতিবছর তাকিয়ে থাকি।’

তিনি বলেন, ‘এখানে আসলে আমাদের বিভিন্ন শিক্ষক রাজনীতিবিদদের দেখতে পাই। তাদের দেখে অনুপ্রাণিত হয়। শিক্ষকদের মধ্যে আমাদের যে সম্মান ভালোবাসা সেটি এখনো রয়েছে,ভবিষ্যতেও থাকবে। আমরা যেন সব সময় আমাদের সিনিয়রদের সুস্থ সুন্দর ভাবে দেখতে পাই, এটা আমাদের বড় প্রত্যাশা।’


ঢাকা/ইয়ামিন/সাজেদ