ঢাকা, মঙ্গলবার, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৩ জুলাই ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জন সম্ভব’

আরিফ সাওন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৬-২৯ ৮:০২:১১ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৬-২৯ ৮:০২:১১ পিএম
‘সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জন সম্ভব’
Voice Control HD Smart LED

নিজস্ব প্রতিবেদক : মানসম্মত চিকিৎসা সেবা নিশ্চতে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রচারের মাধ্যমে গণমাধ্যম বিরাট ভূমিকা রাখতে পারে। তবে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং গণমাধ্যমের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জন সম্ভব।

শনিবার সরকারের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর তত্বাবধানে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় স্কাউট ভবনের শামস মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সার্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা ও গণমাধ্যেমে প্রচার জোরদার করণ শীর্ষক’ এক কর্মশালায় এসব কথা বলা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের মহাপরিচালক ডা. মো. শাহাদত হোসেন মাহমুদ।  

বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারের স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরোর বিভীগায় কর্মকর্তা ও যুগ্ম সচিব মো. মিজানুর রাহমান ও মো. সাজ্জাদুর রহমানসহ প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, মানুষের ৫টি মৌলিক অধিকারের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা প্রাপ্তি। এজন্য মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছায়ে দিতে বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। অবকাঠামো উন্নয়ন দক্ষ জনশক্তি তৈরি, চিকিৎসা কেন্দ্র অত্যাধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহ এবং ডিজিটিাল তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবার মান যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে মানুষের গড় আয়ু বাড়ার পাশাপাশি মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হয়েছে। এমনকি স্বাস্থ্য খাতে সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার জাতিসংঘ ঘোষিত এমডিজজি অ্যাওয়ার্ড, সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেছে। মা ও শিশুর টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গ্লোবাল এ্যালয়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমুনাইজাইশন (গ্যাভি) পুরস্কার অর্জন করেছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নয়নে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য স্বাস্থ্য সেবায় অর্থায়ন কৌশলপত্র প্রণোয়ন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, স্বাস্থ্য বিমার মত অত্যাবশ্যাকীয় সেবা প্যাকেজ চালু, কমিউনিটি ক্লিনিকি স্থাপন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা কর্মসূচি নামে পাইলট প্রকল্প চালু করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে নানা উন্নীতির বিষয় তুলে ধরে সভায় বক্তারা আরো বলেন, ২০১৫ সালে প্রতি এক লাখে মাতৃ মৃত্যুহার ছিল ১৮১ জন যা ২০১৮ সালে ১৭২ জনে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। পাশাপাশি ২০১৫ সালে প্রতি এক হাজারে নবজাতকের মৃত্যুহার ছিল ২০ জন ২০১৮ সালে সেটি ১৭ জনে নেমে এসেছে।

এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, ২০০০ সালে বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৬৫ দশমিক ৩ বছর। কিন্তু স্বাস্থ্য সেবার পরিধি বাড়ায় ২০১৬ সালে এসে তা ৭২ এবং ২০১৮ সালে ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে ৯৭ ভাগ মানুষ পরিবার পরিকল্পনা সুবিধা ও শতকরা ৭৩ ভাগ শিশু টিকা পাচ্ছে। ৬৫ ভাগ মানুষকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সারা দেশে ১৩ হাজার ৭০০টি কমিউিনিটি ক্লিনিক নির্মাণ করা হযেছে। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ২ লাখ মানুষ সেবা নিচ্ছে।


রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ জুন ২০১৯/সাওন/সাইফ

Walton AC
ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন
       

Walton AC
Marcel Fridge