ঢাকা, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

খাদ্যাভাবে লড়ছে আফ্রিকার সাড়ে ৪ কোটি মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০১-১৬ ৯:২৫:১৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০১-১৭ ১২:২২:৫৫ এএম

দক্ষিণ আফ্রিকা উন্নয়ন গোষ্ঠীর অর্ন্তভূক্ত ১৬টি দেশের সাড়ে চার কোটি মানুষকে খাদ্যাভাবে বেঁচে থাকার লড়াই করতে হচ্ছে। টানা খরা, বিস্তৃত বন্যা ও অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে তাদেরকে এ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল কয়েক বছর ধরেই খরার কবলে পড়েছে। এছাড়া গত বছর এই অঞ্চলের দেশ মোজাম্বিক,জিম্বাবুয়ে ও মালাউইর ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় ইদাইর মতো বিপর্যয়।

দক্ষিণ আফ্রিকার রুটির ঝুড়ি হিসেবে খ্যাত জিম্বাবুয়ে গত এক দশক ধরে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে যাচ্ছে। দেশটিকে এখন চরম মুদ্রাস্ফিতি এবং খাদ্য, জ্বালানি, ওষুধ ও বিদ্যুৎসংকটের মোকাবেলা করতে হচ্ছে।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা বলেছে, ‘এক দশকের মধ্যে জিম্বাবুয়ে সবচেয়ে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের মুখে পড়েছে, যেখানে অর্ধেক অর্থাৎ ৭৭ লাখ মানুষ ভয়াবহ খাদ্য অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে’।

সংস্থার আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলীয় পরিচালক লোলা কাস্ত্রো এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ক্ষুধা সংকটের এই মাত্রা আমরা আগে কখনো দেখিনি এবং যেসব প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে তাতে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে’।

তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম শুরু হয়েছে এবং গত বছরের অনাকাঙ্খিত ঝড়ের কারণে যে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে তার পুনরাবৃত্তি হলে তার ভার আমরা আর বহন করতে পারব না’।

বিশ্ব খাদ্য সংস্থা শুস্ক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, মোজাম্বিক, মাদাগাস্কার, নামিবিয়া, লেসোথো, ইসওয়াতিনি ও মালাউইর ক্ষুধা সংকটে থাকা ৮৩ লাখ লোককে সহযোগিতার পরিকল্পনা করছে। এর জন্য ৪৮ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রয়োজন হলেও নিশ্চিত হয়েছে মাত্রা ২০ কোটি ৫০ লাখ। প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান না হলে শেষ পর্যন্ত  সংস্থাকে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন রয়েছে এমন মানুষদের অল্প পরিমাণেই সহযোগিতা করতে হবে বলে জানান লোলা কাস্ত্রো।

 

ঢাকা/শাহেদ

     
 
রাইজিংবিডি স্পেশাল ভিডিও