ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৩ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

রাইজিংবিডি কার্যালয়ে অগ্নি নির্বাপণ মহড়া

আহমদ নূর : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৯ ২:১৩:৩২ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৪-২৯ ৯:২৫:১৬ পিএম
রাইজিংবিডি কার্যালয়ে অগ্নি নির্বাপণ মহড়া
ছবি : মো. আরিফ আহমেদ
Walton E-plaza

নিজস্ব প্রতিবেদক : অগ্নি দুর্ঘটনা থেকে নিজেদের রক্ষায় মিরপুর মাজার রোডে রাইজিংডির নিজস্ব কার্যালয়ে মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার সকালে কার্যালয়ের ছাদে ডেমো ফায়ার তৈরি করে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আগুনের সূত্রপাত হলে প্রাথমিক অবস্থায় তা কীভাবে নির্বাপণ ও আগুন ছড়াতে থাকলে কীভাবে ফায়ার এক্সিট ডোর ব্যবহার করে ভবনের ভেতর থেকে বের হতে হতে তা শেখানো হয়।

মহড়ায় রাইজিংবিডির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। এছাড়া ওই ভবনে থাকা ওয়ালটন মিডিয়া অফিস, ওয়ালটন ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড স্পোর্টস ডিপার্টমেন্ট এবং ওয়ালটন প্লাজার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী মহড়ায় অংশগ্রহণ করেন।

মহড়ার নেতৃত্ব দেন ওয়ালটন গ্রুপের সেফটি অফিসার মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।

তিনি জানান, নিয়মিত অগ্নি নির্বাপণ মহড়ার অংশ হিসেবে আজকে  প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণে ডেমো ফায়ার তৈরি করে সবাইকে বাস্তব প্রশিক্ষণের মধ্যমে কীভাবে আগুন নেভাতে হয় তা দেখানো হয়েছে। ভবিষ্যতে বাস্তবে আগুন লাগলে এটি কাজে লাগবে।



তিনি বলেন, আমাদের এই ভবনে ফায়ার ডোর এক্সিট ও নরমাল এক্সিট ব্যাবস্থা রয়েছে। ওই ফায়ার ডোরগুলোর মাধ্যমে আমরা আগুনের সূত্রপাত হলে খুব সহজেই বের হতে পারব।

সাধারণত ফায়ার ডোর দুই ঘণ্টা পর্যন্ত অগ্নিপ্রতিরোধে সক্ষম, অর্থাৎ আগুনের সূত্রপাত হলে নির্গমন সিঁড়িতে আগুন প্রবেশ করতে পারে না। আজকের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফায়ার এক্সিট ডোর ব্যবহার করে কীভাবে জরুরী অবস্থায় ভবনের ভেতর থেকে বের হতে হবে তাও শেখানো হয়েছে।

মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, ওয়ালটন মিরপুর কমপ্লেক্সে ফায়ার লে-আউট প্লান অনুযায়ী ফায়ার হাইড্রেন্ট লাইন (ফায়ার হোজ বক্স), কনভেনশনাল ফায়ার এলার্ম সিস্টেম, প্রতি তলায় ১২ থেকে ১৪টি করে ফায়ার এক্সটিংগুইশার (অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র) পর্যায়ক্রমে বসানো হচ্ছে। তাছাড়া দুই সিঁড়ির পাশে ইমার্জেন্সি এক্সিট লাইট বসানো হবে।

সবার স্বত:স্ফুর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফল প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে রাইজিংবিডির সম্পাদক মোহাম্মদ নওশের আলী বলেন, অগ্নিকান্ডে প্রাণহানীর ঘটনা ঘটে, সম্পদের ক্ষতি হয়। জানমাল হারিয়ে মানুষ দেউলিয়া হয়ে যায়। এখন বিশেষ করে মার্চ-এপ্রিলে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটছে বেশি।



অনেক সময় অসচেতনতা, অসতর্কতা বা অসাবধানতার কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটে থাকে। তাই এ দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে অগ্নি নির্বাপণ সম্পর্কে জানতে হবে। দ্রুত সময়ে আগুন নিভানোর সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। অগ্নিকাণ্ড যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

হঠাৎ আগুন লাগলে আমাদের করণীয় এবং কীভাবে তা নেভাতে হয়, বাস্তবে তা দেখাতে ও শেখাতে আজ এ  মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। আগুন নেভানোর কৌশল দেখে ও অংশ নিয়ে আমাদের উপকার হয়েছে। কিভাবে আগুন নেভাতে হয়, তা আমরা শিখেছি। ভবিষ্যতে এটি কাজে লাগবে।



রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৯ এপ্রিল ২০১৯/আহমদ নূর/এনএ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন