ঢাকা, সোমবার, ৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

বাসের টিকিট : এক হাত থেকে অন্য হাতে

আসাদ আল মাহমুদ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-০৫-২৪ ২:১৩:১০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০৫-২৬ ৪:৩৩:৩১ পিএম
বাসের টিকিট : এক হাত থেকে অন্য হাতে

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ২৪ মে শুরু হয়েছে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। এক সপ্তাহ পরও শুক্রবার সকাল থেকে বাস কাউন্টারগুলোর সামনে অপেক্ষা করছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। যাত্রীদের কাছে ২৯ মে থেকে ৪ জুনের টিকিটের চাহিদা বেশি।

যাত্রীদের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তারা কাঙ্ক্ষিত টিকিট পাচ্ছেন না। কাউন্টারের লোকজনকে বাড়তি টাকা দিলেই কাঙ্ক্ষিত টিকিট পাওয়া যাচ্ছে।

শুক্রবার রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে গিয়ে টিকিটপ্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সৌদিয়া, সাকুরা রয়েল, স্টার লাইন, তিশা, দোয়েল, ঈগল, হানিফ, সোহাগ, শ্যামলী, একে ট্রাভেলস, এস আলমসহ বিভিন্ন পরিবহন কাউন্টারের সামনে মানুষের লাইন রয়েছে।

সায়েদাবাদে টিকিট কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে জানান, মাদারীপুরের যাওয়ার জন্য ২ জুনের টিকিট কিনতে ভোররাতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। সৌদিয়া পরিবহনের কাউন্টারে সকাল ৮টায় বলা হচ্ছে টিকিট শেষ। পরে কাউন্টারের লোকজনকে অতিরিক্ত টাকা দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কাউন্টারের লোকজন ২৯ মে থেকে ৪ জুনের টিকিট বিভিন্ন নামে বুকিং দিয়েছে। কাউন্টার থেকে বলা হচ্ছে, টিকিট নেই। ।কিন্তু দ্বিগুণ টাকা দিলে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। বাসের টিকিটি এক হাত থেকে অন্য হাতে দিচ্ছে। ৩৫০ টাকার টিকিট ৭০০ টাকায় নিচ্ছে।’

সৌদিয়া পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার আব্দুল হক রাইজিংবিডিকে জানান, ২৯ মে থেকে ৫ জুনের টিকিটের চাহিদা বেশি।  ঢাকা-মাদারীপুর ভাড়া ৩০০ টাকায় টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। কারো কাছ থেকে বাড়তি টাকা নেওয়া হচ্ছে না।

সায়েদাবাদ সাকুরা বাস কাউন্টারে কথা হয় রায়হান মাহমুদের সঙ্গে। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘গ্রামে বাবা-মা থাকে। ঈদে বাড়ি যেতে হবে। তাই টিকিটের জন্য কাউন্টারে আসি। কাউন্টার থেকে বলা হয়, সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। পরে  পরিবহনের এক সুপারভাইজারকে ৪০০ টাকার টিকিট ৮০০ টাকা দিয়ে ২ জুনের চারটি টিকিট সংগ্রহ করেছি।’

সাকুরা পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার বাশার মিয়া রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘আগামী ২৯ থেকে ৪ জুনের মাদারীপুর, বরিশাল বিভাগের ১৫০টি বাসের ৬০০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে। প্যাসেঞ্জারের বেশি চাপ থাকলে অতিরিক্ত বাস যোগ করা হবে। সবাই টিকিট পাবেন, বাড়ি যেতে পারবেন। ’



রাই‌জিং‌বি‌ডি/ঢাকা/২৪ মে ২০১৯/আসাদ/সাইফুল

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন