ঢাকা, শুক্রবার, ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

ভোটে বিজয়ী হলেন যারা

এনএ : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৮-১২-৩১ ৮:৪৫:১৯ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-০১-১৩ ১১:৪১:৩৪ এএম

রাইজিংবিডি ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে রোববার। এদিন সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয় এবং তা একটানা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ভোট গ্রহণ করা হয় ২৯৯ আসনে। গাইবান্ধা-৩ আসনের এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোট স্থগিত করে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী ওই আসনে ২৭ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।

এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দল অংশ নেয়। মোট অংশ নেওয়া দলের সংখ্যা ৩৯। তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় মূলতঃ আওয়ামী লীগ (নৌকা) ও বিএনপির (ধানের শীষ) মধ্যে।

এবারই প্রথমবারের মতো ছয়টি আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়। এই ছয় আসন হচ্ছে- ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২ ও সাতক্ষীরা-২।

ভোট গণনা শেষে  ২৯৮ আসনের ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের ৩টি কেন্দ্রের ফল স্থগিত করা হয়েছে। ওই সব কেন্দ্রে নতুন করে ভোট হওয়ার পর ফল ঘোষণা করা হবে।

নির্বাচনে ২৯৮ আসনে যারা বিজয়ী হয়েছেন- (জাতীয় সংসদের আসন নম্বরের ক্রমানুযায়ী)

পঞ্চগড়-১ : বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের মজাহারুল হক প্রধান। প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৮৮। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার নওশাদ জমির পেয়েছেন ১ লাখ ৩২ হাজার ৫৩৯।

পঞ্চগড়-২ : আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজন ১ রাখ ৬৭ হাজার ১৬৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৫ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রমেশ চন্দ্র সেন- ২ লাখ ২৪ হাজার ৭৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৯০৯ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের দবিরুল ইসলাম- ২ লাখ ২৪ হাজার ৩১৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবদুল হাকিম- ৪ হাজার ৩২৮ ভোট।

ঠাকুরগাঁও-৩ : বিজয়ী বিএনপির জাহিদুর রহমান- ৮৭ হাজার ১৬৫ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী  ইমদাদুল হক- ৮৪ হাজারি ১০৯ ভোট।

দিনাজপুর- : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনোরঞ্জন শীল গোপাল- ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৯২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী  বিএনপির মোহাম্মদ হানিফ- ৭৮ হাজার ৯২৮ ভোট।

দিনাজপুর-২ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের খালিদ মাহমুদ চৌধুরী- ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সাদিক রিয়াজ চৌধুরী- ৪৮ হাজার ৮২২ ভোট।

দিনাজপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইকবালুর রহিম- ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৪৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খায়রুজ্জামান- ৩৯ হাজার ২৪৭ ভোট।

দিনাজপুর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী- ২ লাখ ৩ হাজার ৮৬৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আখতারুজ্জামান মিয়া- ৬১ হাজার ৭০৬ ভোট।

দিনাজপুর-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান- ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির এজেডএম রেজওয়ানুল হক- ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৬৭ ভোট।

দিনাজপুর-: বিজয়ী আওয়ামী লীগের শিবলী সাদিক- ২লাখ ৮১ হাজার ৮৯১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনোয়ারুল ইসলাম- ৬৯ হাজার ৭৬৯ ভোট।

নীলফামারী-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আফতাব উদ্দিন সরকার- ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৮৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রফিকুল ইসলাম- ৮৮ হাজার ৯৯১ ভোট।

নীলফামারী-২ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান নূর- ১ লাখ ৭৮ হাজার ৩০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মনিরুজ্জামান মন্টু- ৮০ হাজার ২৮৩ ভোট।

নীলফামারী-৩ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির রানা মোহাম্মদ সোহেল- ১,৩৭,৫৩৮ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আজিজুল ইসলাম- ৪৪,০৯৩ ভোট।

নীলফামারী-৪ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির আহসান আদেলুর রহমান- ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯৩০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম- ২৭ হাজার ২৯৪ ভোট।

লালমনিরহাট-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোতাহার হোসেন- ২ লাখ ৬৪ হাজার ৩১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাসান রাজীব প্রধান- ১২ হাজার ৩ ভোট।

লালমনিরহাট-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নুরুজ্জামান আহমেদ- ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির  রোকন উদ্দিন বাবুল- ৭৩ হাজার ৫৩৩ ভোট।

লালমনিরহাট-৩ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির জি এম কাদের- ১ লাখ ১২ হাজার ৬৬৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আসাদুল হাবিব দুলু- ৭৮ হাজার ১৩৩ ভোট।

রংপুর-১ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির মসিউর রহমান রাঙ্গা- ১ লাখ ৯৮ হাজার ৯১৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ রহমত উল্যাহ- ১৯ হাজার ৪৯৩ ভোট।

রংপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আহসানুল হক চৌধুরী- ১ লাখ ১৮ হাজার ৩৬৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার- ৫৩ হাজার ৩৪০ ভোট।

রংপুর-৩ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির এইচ এম এরশাদ- ১ লাখ ৪২ হাজার ৯২৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির রিটা রহমান- ৫৩ হাজার ৮৯ ভোট।

রংপুর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের টিপু মুনশি- ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা- ১ রাখ ৪ হাজার ১৭০ ভোট।

রংপুর-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এইচ এন আশিকুর রহমান- ২ লাখ ৫৫ হাজার ১৪৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ সোলায়মান আলম- ৬৩ হাজার ৪৬৯ ভোট।

রংপুর-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শিরীন শারমিন চৌধুরী- ২ লাখ ৩৪ হাজার ৪২৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাইফুল ইসলাম- ২৪ হাজার ৫৩ ভোট।

কুড়িগ্রাম-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আছলাম হোসেন সওদাগর- ১ লাখ ২৩ হাজার ৪৭৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির- সাইফুর রহমান রানা ১ লাখ ১৯ হাজার ২২৭ ভোট।

কুড়িগ্রাম-২ : বিজয়ী জাপার পনির উদ্দিন আহমেদ- ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৪ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রতীকের গণফোরাম প্রার্থী- আমসাআ আমিন- ১ লাখ ৪ হাজার ৩০২ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এমএ মতিন- ১ লাখ ৩১ হাজার ৯১০ ভোট।  নিকটতম বিএনপির  তাসভীর উল ইসলাম- ৬৯ হাজার ২৮৫ ভোট।

কুড়িগ্রাম-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. জাকির হোসেন- ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৬ ভোট। নিকটতম  বিএনপির আজিজুর রহমান- ৫৫ হাজার ১৮৯ ভোট।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) : বিজয়ী জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারী (লাঙ্গল)- ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী জামায়াতের মাজেদুর রহমান- ৬৫ হাজার ১৭৩ ভোট।

গাইবান্ধা-২ (সদর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাহাবুব আরা বেগম গিনি- ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুর রশীদ সরকার-৬৮ হাজার ৬৭০ ভোট।

গাইবান্ধা-৩ : ভোটগ্রহণ হয়নি।

গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনোয়ার হোসেন চৌধুরী ৩ লাখ ৮৬০ ভোট। নিকটতম জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) কাজী মো. মশিউর রহমান- ৫ হাজার ৭১৭ ভোট।

গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. ফজলে রাব্বি মিয়া- ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৬১ ভোট। নিকটতম বিএনপির মো. ফারুক আলম সরকার- ১৯ হাজার ৯৯৬ ভোট।

জয়পুরহাট- ১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুল আলম দুদু- ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩১৭ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র আলেয়া বেগম- ৩ হাজার ১৭ ভোট।

জয়পুরহাট- ২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন- ২ লাখ ৩১ হাজার ২৮৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবু ইউসুফ মো. খলিলুর রহমান- ২৫ হাজার ৬৫১ ভোট।

বগুড়া-১ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবদুল মান্নান- ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির কাজী রফিকুল ইসলাম- ১৬ হাজার ৬৯০ ভোট।

বগুড়া-২ :  বিজয়ী জাতীয় পার্টির শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ- ১ লাখ ৭৮ হাজার ১৮২ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহমুদুর রহমান মান্না- ৫৯ হাজার ৭১৩ ভোট।

বগুড়া-৩ :  বিজয়ী জাতীয় পার্টির নুরুল ইসলাম তালুকদার- ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৫৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবদুল মহিত তালুকদার- ৫৮ হাজার ৬৪৪ ভোট।

বগুড়া-৪ :  বিজয়ী বিএনপির মোশারফ হোসেন- ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৮৫ ভোট। নিকটতম জাসদের রেজাউল করিম তানসেন ৮৬ হাজার ৪৮ ভোট।

বগুড়া-৫ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাবিবর রহমান- ৩ লাখ ৩১ হাজার ৫৪৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির জি এম সিরাজ- ৪৯ হাজার ৭৪০ ভোট।

বগুড়া-৬ :  বিজয়ী বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- ২ লাখ ৭ হাজার ২৫ ভোট। নিকটতম লাঙ্গলের নুরুল ইসলাম ওমর- ৪০ হাজার ৩৬২ ভোট।

বগুড়া-৭ : বিজয়ী  স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম বাবলু- ১ লাখ ৯০ হাজার ২৯৯ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র ফেরদৌস আরা খান- ৬৫ হাজার ২৯২ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সামিল উদ্দীন আহমেদ- ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের শাহজাহান মিঞা- ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৫০ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ : বিজয়ী ঐক্যফ্রন্টের আমিনুল ইসলাম- ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৬৬ ভোট। নিকটতম মহাজোটের মুহা. জিয়াউর রহমান- ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫২ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ : বিজয়ী ঐক্যফ্রন্টের হারুনুর রশিদ- ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬১ ভোট। নিকটতম মহাজোটের আব্দুল ওদুদ- ৮৫ হাজার ৯৩৮ ভোট।

নওগাঁ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাধন চন্দ্র মজুমদার ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৯২ ভোট। নিকটতম বিএনপির ছালেক চৌধুরী ১ রাখ ৪১ হাজার ৩৬৪ ভোট।

নওগাঁ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শহীদুজ্জামান সরকার- ১ লাখ ৭২ হাজার ১৩১ ভোট। নিকটতম বিএনপির শামসুজ্জোহা খান- ১ লাখ ৬৬৫ ভোট।

নওগাঁ-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ছলিম উদ্দীন তরফদার- ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৯৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকি- ১ লাখ ১৪২ ভোট।

নওগাঁ-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইমাজউদ্দিন প্রামাণিক ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬২ ভোট। নিকটতম বিএনপির সামসুল আলম প্রামাণিক- ৪৯ হাজার ৯৭১ ভোট।

নওগাঁ-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন জলিল- ১ লাখ ৫৬ হাজার ৯৬৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির জাহিদুল ইসলাম ধলু- ৮৩ হাজার ৭৫৯ ভোট।

নওগাঁ-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইসরাফিল আলম- ১ লাখ ৯০ হাজার ৪২৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির- ৪৬ হাজার ১৫৪ ভোট।

রাজশাহী-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ওমর ফারুক চৌধুরী- ২ লাখ ৩ হাজার ৪৭৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমিনুল হক- ১৮ হাজার ৯৮ ভোট।

রাজশাহী-২ : বিজয়ী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির ফজলে হোসেন বাদশা- ১ লাখ ১৫ হাজার ৪৫৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির মিজানুর রহমান মিনু- ১ লাথ ৩ হাজার ৩২৭ ভোট।

রাজশাহী-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আয়েন উদ্দিন- ২ রাখ ১১ হাজার ৩৮৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির শফিকুল হক মিলন- ৮০ হাজার ৮০৬ ভোট।

রাজশাহী-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এনামুল হক- ১ রাখ ৯০ হাজার ৪১২ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবু হেনা- ১৪ হাজার ১৫৭ ভোট।

রাজশাহী-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনসুর রহমান- ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩৭০ ভোট। নিকটতম বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল- ২৮ হাজার ৬২৭ ভোট।

রাজশাহী-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহরিয়ার আলম- ২ লাখ ৬০ হাজার ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস সালাম সুরুজ- ২৫ হাজার ৪৩২ ভোট।

নাটোর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শহিদুল ইসলাম-২ লাখ ৪৭ হাজার ৫৪৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির কামরুন্নাহার শিরিন ১৫ হাজার ৩৩৮ ভোট।

নাটোর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শফিকুল ইসলাম- ২ লাখ ৬০ হাজার ৫০৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাবিনা ইয়াসমিন-  ১৩ হাজার ৪৫৯ ভোট।

নাটোর-৩ : বিজযী আওয়ামী লীগের জুনাইদ আহম্মেদ- ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির দাউদার মাহমুদ- ৮ হাজার ৭৫০ ভোট।

নাটোর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুল কুদ্দুস- ২ লাখ ৮৬ হাজার ২৬২ ভোট। নিকটতম জাতীয় পার্টির- আলাউদ্দিন মৃধা- ৬ হাজার ৯৭৯ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ নাসিম- ৩ লাখ ২৪ হাজার ৪২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা- ১ হাজার ১১৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-২ (সদর-কামারখন্দ) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাবিবে মিল্লাত মুন্না- ২ লাখ ৯৪ হাজার ৮০৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির রুমানা মাহমুদ- ১৩ হাজার ৭২৮ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ-তাড়াশ) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুল আজিজ- ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল মান্নান তালুকদার- ২৬ হাজার ২০০ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের তানভীর ইমাম- ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬ ভোট। নিকটতম জামায়াত নেতা রফিকুল ইসলাম খান ধানের শীষে ২৪ হাজার ৮৯৩ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৫ (বেলকুচি-চৌহালী) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুল মমিন মন্ডল ২ লাখ ৫৯ হাজার ৮৬২ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমিরুল ইসলাম খান- ২৭ হাজার ৭১৭ ভোট।

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাসিবুর রহমান স্বপন- ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এম এ মুহিত ১৪ হাজার ৬৯৭ ভোট।

পাবনা-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুল হক টুকু- ২ লাখ ৮২ হাজার ৯৯২ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী আবু সাইয়িদ- ১৫ হাজার ৩৯১ ভোট।

পাবনা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আহমেদ ফিরোজ কবির- ২ লাখ ৪২ হাজার ৬৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির একেএম সেলিম রেজা হাবিব- ৫ হাজার ৩৮৩ ভোট।

পাবনা-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মকবুল হোসেন- ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির কেএম আনোয়ারুল ইসলাম- ৫৬ হাজার ৮২০ ভোট।

পাবনা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামসুর রহমান শরিফ ডিলু- ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৬৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাবিবুর রহমান হাবিব- ৪৮ হাজার ৩৮৩ ভোট।

পাবনা-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের গোলাম ফারুক প্রিন্স- ৩ লাখ ২১ হাজার ৪৫৮ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের (জামায়াত) হাফেজ মোহা. ইকবাল হোসাইন- ২০ হাজার ৬৩৬ ভোট।

মেহেরপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফরহাদ হোসেন- ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাসুদ অরুণ- ১৪ হাজার ১৯৩ ভোট।

মেহেরপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. শহিদুজ্জামান- ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০১ ভোট। নিকটতম বিএনপির জাভেদ মাসুদ- ৭ হাজার ৭৯২ ভোট।

কুষ্টিয়া-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ ক ম সারোয়ার জাহান- ২ লাখ ৭৭ হাজার ১৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির রেজা আহাম্মেদ- ৩ হাজার ৪২০ ভোট।

কুষ্টিয়া-২ : বিজয়ী মহাজোট প্রার্থী জাসদের হাসানুল হক ইনু- ২ লাখ ৮২ হাজার ৬২২ ভোট। নিকটতম বিএনপির আহসান হাবিব লিংকন- ৩৫ হাজার ৭৫১ ভোট।

কুষ্টিয়া-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাহবুবুল আলম হানিফ- ২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৯২ ভোট। নিকটতম বিএনপির জাকির হোসেন সরকার- ১৪ হাজার ৩৭৯ ভোট।

কুষ্টিয়া-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সেলিম আলতাফ জর্জ- ২ রাখ ৭৮ হাজার ৮৬৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি- ১২ হাজার ৩১৯ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-১ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন- ৩ লাখ ৯ হাজার ৯৭২ ভোট। নিকটতম বিএনপির মো. শরীফুজ্জামান-২৩ হাজার ১২০ ভোট।

চুয়াডাঙ্গা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আলী আজগার টগর- ২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু- ২৬ হাজার ৯২৪ ভোট।

ঝিনাইদহ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবদুল হাই- ২ লাখ ২ হাজার ২৩৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান- ৬ হাজার ৬৬২ ভোট।

ঝিনাইদহ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের তাহজীব আলম সিদ্দিকী- ৩ লাখ ২৫হাজার ৮৮৬ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের ফখরুল ইসলাম-  ৯ হাজার ২৯৩ ভোট।

ঝিনাইদহ-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শফিকুল আজম খান- ২ লাখ ৪২ হাজার ৫৩২ ভোট। নিকটতম বিএনপির মতিয়ার রহমান- ৩২ হাজার ২৪৯ ভোট।

ঝিনাইদহ-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আজীম আনার- ২ রাখ ২৬ হাজার ৫৭০ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাইফুল ইসলাম ফিরোজ- ৯ হাজার ৪৪২ ভোট।

যশোর-১ (শার্শা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শেখ আফিল উদ্দিন- ২ লাখ ১১ হাজার ৪৪৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মফিকুল হাসান তৃপ্তি- ৪ হাজার ৯৮১ ভোট।

যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নাসির উদ্দিন ৩ লাখ ২৫ হাজার ৭৯৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মুহাদ্দিস আবু সাইদ- ১৩ হাজার ৯৪০ ভোট।

যশোর-৩ (সদর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কাজী নাবিল আহমেদ- ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩৩৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের অনিন্দ্য ইসলাম অমিত- ৩১ হাজার ৭১০ ভোট।

যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর বসুন্দিয়া) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রণজিত কুমার রায়- ২ লাখ ৭২ হাজার ১৬৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির টিএস আইয়ুব ৩০ হাজার ৮৭৪ ভোট।

যশোর-৫ (মণিরামপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের স্বপন ভট্টাচার্য- ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৫৬ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মুফতি ওয়াক্কাস- ২৪ হাজার ৬২১ ভোট।

যশোর-৬ (কেশবপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইসমত আরা সাদেক- ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫০৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ- ৫ হাজার ৬৭৩ ভোট।

মাগুরা- ১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান শিখর- ২ লাখ ৭৪ হাজার ১৩০ ভোট। নিকটতম বিএনপির মনোয়ার হোসেন- ১৬ হাজার ৪৬৭ ভোট।

মাগুরা- ২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের বীরেন শিকদার- ২ লাখ ৩০ হাজার ১১২ ভোট। নিকটতম বিএনপির নিতাই রায় চৌধুরী- ৬৫ হাজার ৮২৮ ভোট।

নড়াইল-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কবিরুল হক মুক্তি- ১ লাখ ৮২ হাজার ৫২৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর- ৮ হাজার ৯১৯ ভোট।

নড়াইল-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাশরাফি বিন মর্তুজা-  ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকে ঐক্যফ্রন্টের ফরিদুজ্জামান ফরহাদ- ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট।

বাগেরহাট-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শেখ হেলাল উদ্দীন- ২ রাখ ৫৩ হাজার ২৪১ ভোট। নিকটতম বিএনপির শেখ মাসুদ রানা- ১১ হাজার ৩৪৯ ভোট।

বাগেরহাট-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শেখ তম্ময়- ২ লাখ ২০ হাজার ৯১২ ভোট। নিকটতম বিএনপির এম এ সালাম- ৪ হাজার ৫৯০ ভোট।

বাগেরহাট-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাবিবুন নাহার- ১ লাখ ৮৮ হাজার ৯০৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবদুল ওয়াদুদ শেখ- ১৩ হাজার ৪০৮ ভোট।

বাগেরহাট-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোজাম্মেল হক- ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪১ ভোট। নিকটতম হাতপাখার আ. মজিদ হাওলাদার- ২ হাজার ৪৭১ ভোট।

খুলনা- : বিজয়ী আওয়ামী লীগের পঞ্চানন বিশ্বাস- ১ লাখ ৭২ হাজার ৫৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমীর এজাজ খান- ২৮ হাজার ৪৩৭ ভোট।

খুলনা-২ : বিজয়ী আওয়মী লীগের শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল- ১ লাখ ১২ হাজার ১০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু- ২৭ হাজার ৩৭৯ ভোট।

খুলনা-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের বেগম মন্নুজান সুফিয়ান- ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩০৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল- ২৩ হাজার ৬০৬ ভোট।

খুলনা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুস সালাম মুর্শেদী- ২ লাখ ২৩ হাজার ২১৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আজিজুল বারী হেলাল- ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট।

খুলনা-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নারায়ণ চন্দ্র চন্দ- ২ লাখ ৩১ হাজার ৭২৫ ভোট। নিকটতম জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার- ১৪ হাজার ১৮৭ ভোট।

খুলনা-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আক্তারুজ্জামান বাবু- ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৫৯ ভোট। নিকটতম জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ- ১৯ হাজার ২৫৭ ভোট।

সাতক্ষীরা-১ : বিজয়ী মহাজোট প্রার্থী ওয়ার্কার্স পার্টির মুস্তফা লুৎফুল্লাহ নৌকা প্রতীকে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৪০১  ভোট। নিকটতম বিএনপির- হাবিবুল ইসলাম হাবিব ১৬ হাজার ৯০২ ভোট।

সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মীর মোস্তাক আহমেদ রবি- ১ লাখ ১০ হাজার ভোট। নিকটতম জামায়াতের আবদুল খালেক ধানের শীষ প্রতীকে ১৩ হাজার ভোট।

সাতক্ষীরা-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ ফ ম রুহুল হক- ৩ লাখ ৪ হাজার ৩৩৬  ভোট। নিকটতম বিএনপির শহিদুল আলম- ২৪ হাজার ৩৫৩ ভোট।

সাতক্ষীরা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এসএম জগলুল হায়দার- ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৭ ভোট। নিকটতম ২০ দলীয় জোটের জামায়াতের গাজী নজরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ৩০ হাজার ৪৮৬ ভোট।

বরগুনা- : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু- ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯৫৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মতিয়ার রহমান তালুকদার- ১৫ হাজার ৩৪৪ ভোট।

বরগুনা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শওকত হাচানুর রহমান রিমন- ২ লাখ ৩২৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির খন্দকার মাহবুব হোসেন- ৯ হাজার ৫১৮ ভোট।

পটুয়াখালী-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহজাহান মিয়া- ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭০ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আলতাফুর রহমান- ১৫ হাজার ১০৩ ভোট।

পটুয়াখালী-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ স ম ফিরোজ- ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের নজরুল ইসলাম- ৯ হাজার ২৬৭ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এস এম শাহাজাদা- ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৯ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের কামাল খাঁন- ৯ হাজার ২৬৭ ভোট।

পটুয়াখালী-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মুহিব্বুর রহমান মুহিব- ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১২ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের হাবিবুর রহমান হাওলাদার- ৬ হাজার ৮০৪ ভোট।

ভোলা-১ (সদর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের তোফায়েল আহমেদ- ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪০৯ ভোট। নিকটতম হাতপাখা প্রতীকের ইয়াসীন আহমেদ- ৭ হাজার ৮০১ ভোট।

ভোলা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আলী আজম মুকুল- ২ লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম- ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট।

ভোলা-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন- ২ লাখ ৫০  হাজার ৪১১ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাফিজ উদ্দিন- দুই হাজার ৫০২ ভোট।

ভোলা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব- ২ লাখ ৯৯  হাজার ১৫০ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলনের মো. মহিবুল্লাহ- ৬ হজার ২২২ ভোট।

বরিশাল-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ- ২ লাখ ৫ হাজার ৫০২ ভোট। নিকটতম বিএনপির ধানের শীষের জহিরউদ্দিন স্বপন- ১ হাজার ৩০৫ ভোট।

বরিশাল-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহে আলম- ২ লাখ ১২ হাজার ৩৪৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু- ১১ হাজার ১৩৭ ভোট।

বরিশাল-৩ : বিজয়ী জাপার গোলাম কিবরিয়া টিপু- ৫৪ হাজার ৭৭৮। নিকটতম বিএনপির জয়নুল আবেদীন- ৪৭ হাজার ২৮৭ ভোট।

বরিশাল-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের পংকজ নাথ- ২ লাখ ৪১ হাজার ৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের নূরুর রহমান জাহাঙ্গীর- ৯ হাজার ২৮২ ভোট।

বরিশাল-৫ : বিজয়ী -আওয়ামী লীগের জাহিদ ফারুক শামিম ২ লাখ ১৫ হাজার ৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির মজিবর রহমান সরওয়ার ৩১ হাজার ৩৬২ ভোট।

বরিশাল-৬ : বিজয়ী জাপার নাসরিন জাহান রতনা- ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৮ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের আবুল হোসেন ১৩ হাজার ৬৫৮ ভোট।

ঝালকাঠি-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের বজলুল হক হারুন- ১ লাখ ৩১ হাজার ৫২৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহজাহান ওমর- ৬ হাজার ১৫১ ভোট।

ঝালকাঠি-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আমির হোসেন আমু- ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির জীবা আমিনা খান- ৫ হাজার ৯৮২ ভোট।

পিরোজপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শ ম রেজাউল করিম- ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬১০ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী- ৮ হাজার ৩০৮ ভোট।

পিরোজপুর-২ : বিজয়ী মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জেপি) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু- ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪২৫ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট মনোনীত বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান- ৬ হাজার ৩২৬ ভোট।

পিরোজপুর-৩ : বিজয়ী মহাজোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (এরশাদ) রুস্তুম আলী ফরাজী- ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩১০ ভোট। নিকটতম বিএনপির রুহুল আমীন দুলাল- ৭ হাজার ৬৯৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুর রাজ্জাক- ২ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৭ ভোট। নিকটতম বিএনপি সরকার শহিদ- ১৬ হাজার ৪০৬ ভোট।

টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের তানভীর হাসান ছোট মনির- ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৩২ ভোট। নিকটতম বিএনপির সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু- ১১ হাজার ১৪৯ ভোট।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান খান- ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৫১ ভোট। নিকটতম বিএনপির লুৎফর রহমান খান আজাদ- ৮ হাজার ৫৭০ ভোট।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ হাসান ইমাম খান- ২ লাখ ২৪ হাজার ১২ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের লিয়াকত আলী- ৩৪ হাজার ৩৮৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ছানোয়ার হোসেন- ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহমুদুল হাসান- ৭৮ হাজার ৩৫৮ ভোট।

টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আহসানুল ইসলাম টিটু- ২ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির গৌতম চক্রবর্তী- ৪০ হাজার ৩২৪ ভোট।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের একাব্বর হোসেন- ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯১ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী- ৮৭ হাজার ৯৪৯ ভোট।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জোয়াহেরুল ইসলাম ২ লাখ ৮ হাজার ৩৩৪ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কুড়ি সিদ্দিকী- ৭২ হাজার ২১১ ভোট।

জামালপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদ- ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৫ ভোট। নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের- আব্দুল মজিদ ৫ হাজার ২২৪ ভোট।

জামালপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফরিদুল হক খান দুলাল- ১ লাখ ৮০ হাজার ৪১৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির সুলতান মাহমুদ বাবু ১৬ হাজার ৭২১ ভোট।

জামালপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মির্জা আজম- ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৮২৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল- ৪ হাজার ৬৫৬ ভোট।

জামালপুর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মুরাদ হাসান ২ লাখ ১৭ হাজার ১৯৮ ভোট। নিকটতম জাতীয় পার্টির মোখলেছুর রহমান- ১ হাজার ৫৯৩ ভোট।

জামালপুর-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন- ৩ লাখ ৭১ হাজার ৪৩৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন- ৩৪ হাজার ৮৭ ভোট।

শেরপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আতিউর রহমান আতিক- ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫২ ভোট। নিকটতম বিএনপির ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা- ২৭ হাজার ৬৪৩ ভোট।

শেরপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মতিয়া চৌধুরী- ৩ লাখ ৪৪২ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফাহিম চৌধূরী- ৭ হাজার ৬৫২ ভোট।

শেরপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল চান- ২ লাখ ৫১ হাজার ৯৩৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির মাহামুদুল হক রুবেল- ১২ হাজার ৪৯১ ভোট।

ময়মনসিংহ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জুয়েল আরেং- ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৩ ভোট। নিটকতম ধানের শীষ প্রতীকে আফজাল এইচ খান- ২৮ হাজার ৬৩৮ ভোট।

ময়মনসিংহ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শরীফ আহম্মেদ- ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৮৯ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের শাহ শহীদ সারোয়ার- ৬২ হাজার ৩শ ৩৪ ভোট।

ময়মনসিংহ-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ- ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসাইন- ২৪ হাজার ৫১৯ ভোট।

ময়মনসিংহ-৪ : বিজয়ী জাপার রওশন এরশাদ- ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবু ওয়াহাব আকন্দ- ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কেএম খালিদ বাবু- ২ লাখ ৩২ হাজার ৫৬৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের জাকির হোসেন বাবলু- ২২ হাজার ২০৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোসলেম উদ্দিন- ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৮৫ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের ইঞ্জিনিয়ার শামস্ উদ্দিন- ৩২ হাজার ৩৩২ ভোট।

ময়মনসিংহ-৭ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী- ২ লাখ ৪ হাজার ৭৩৪ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের মাহবুবুর রহমান লিটন- ৩৬ হাজার ৪০৮ ভোট।

ময়মনসিংহ-৮ : বিজয়ী মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের ফখরুল ইমাম- ১ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৯ ভোট। নিটকতম ধানের শীষ প্রতীকে গণফোরামের এ এইচ এম খালেকুজ্জামান- ৩৪ হাজার ৬৩ ভোট।

ময়মনসিংহ-৯ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন- ২ লাখ ২৭ হাজার ২৭৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকে খুররুম খান চৌধুরী ২০ হাজার ৮৬০ ভোট।

ময়মনসিংহ-১০ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল-২ লাখ ৮১ হাজার ২৩০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকে এলডিপির সৈয়দ মাহমুদ মোর্শেদ- ২৭ হাজার ভোট।

ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কাজিম উদ্দিন আহম্মেদ ধনু- ২ লাখ ২২ হাজার ২৪৮ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকে ফখর উদ্দিন আহম্মেদ- ২৭ হাজার ২৭৭ ভোট।

নেত্রকোণা-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মানু মজুমদার- ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৭৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির কায়সার কামাল- ১৭ হাজার ৬৫২ ভোট।

নেত্রকোণা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আশরাফ আলী খান খসরু- ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির- আনোয়ারুল হক ৩০ হাজার ৩৭০ ভোট।

নেত্রকোণা-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের অসীম কুমার উকিল- ২ লাখ ৬২ হাজার ৯২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির রফিকুল ইসলাম হিলালী- ৭ হাজার ২২০ ভোট।

নেত্রকোণা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রেবেকা মমিন- ২ লাখ ৪ হাজা ৪৪৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির তাহমিনা- ৩৮ হাজার ১৮১ ভোট।

নেত্রকোণা-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল- ১ লাখ ৬৬ হাজার ৪৭৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির- আবু তাহের তালুকদার ১৫ হাজার ৬৩৮ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম- ২ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির- রেজাউল করিম খান ৭১ হাজার ৭৩৩ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নূর মোহাম্মদ- ৩ লাখ ৭৭৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির- আখতারুজ্জমান ৫৪ হাজার ৫০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৩ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নু- ২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৬ ভোট। নিকটতম জাসদের (রব) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম- ৩১ হাজার ৫৬২ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক- ২ লাখ ৫৮ হাজার ২২৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফজলুর রহমান- ৪ হাজার ৮৭০ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আফজাল হোসেন ২ লাখ ২ হাজার ১৭৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল- ২৭ হাজার ৫৯৪ ভোট।

কিশোরগঞ্জ-৬ : আওয়ামী লীগের নাজমুল হাসান পাপন- ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৩৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির শরীফুল আলম- ২৭ হাজার ৮৯০ ভোট।

মানিকগঞ্জ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নাঈমুর রহমান দুর্জয়- ২ লাখ ৫১ হাজার ২৫৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির খোন্দকার আবদুল হামিদ- ৫৬ হাজার ৪৪৭ ভোট।

মানিকগঞ্জ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মমতাজ বেগম- ২ লাখ ৭৮ হাজার ৪৩৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির মঈনুল ইসলাম খান- ৫০ হাজার ৩৪ ভোট।

মানিকগঞ্জ-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জাহিদ মালেক- ২ লাখ ২৬ হাজার ৯৬ ভোট। নিকটতম গণফোরামের মফিজুল ইসলাম খান -৩০ হাজার ৩৮১ ভোট।

মুন্সীগঞ্জ-১ : বিজয়ী মহাজোটের প্রার্থী নৌকা প্রতীকে বিকল্প ধারার মাহী বি. চৌধুরী- ২ লাখ ৮৬ হাজার ৬৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন- ৪৪ হাজার ৮৮৮ ভোট।

মুন্সীগঞ্জ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি- ২ লাখ ১৫ হাজার ৩৮৫ ভোট। নিকটতম বিএনপি মিজানুর রহমান সিনহা- ১৪ হাজার ৬৫ ভোট।

মুন্সীগঞ্জ-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মৃণাল কান্তি দাস- ৩ লাখ ১৩ হাজার ৩৫৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল হাই- ১২ হাজার ৭৩৬ ভোট।

ঢাকা-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সালমান এফ রহমান- ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৯৩ ভোট। নিকটতম  স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমা ইসলাম- ৩৭ হাজার ৮৭৪ ভোট।

ঢাকা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কামরুল ইসলাম- ২ রাখ ৬৬ হাজার ৬৯৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির ইরফান ইবনে আমান অমি- ৩২ হাজার ৪৯০ ভোট।

ঢাকা-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নসরুল হামিদ- ২ লাখ ১৯ হাজার ৬৩২ ভোট। নিকটতম বিএনপির গয়েশ্বর চন্দ্র রায়- ১৬ হাজার ৬১২ ভোট।

ঢাকা-৪ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির সৈয়দ আবু হোসেন ১ লাখ ৬ হাজার ৯৫৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির সালাহ উদ্দিন আহমেদ- ৩৩ হাজার ১১৭ ভোট।

ঢাকা-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাবিবুর রহমান মোল্লা- ২ লাখ ২ হাজার ৮৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির নবীউল্লা নবী- ৬৭৮ হাজার ৫৭২ ভোট।

ঢাকা-৬ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ- ৯৩ হাজার ৫৫২ ভোট। নিকটতম গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী ২৩ হাজার ৬৯০ ভোট।

ঢাকা-৭ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মো. সেলিম- ১ লাখ ৭৩ হাজার ৬৮৭ ভোট। নিকটতম গণফোরামের মোস্তফা মোহসীন মন্টু- ৫১ হাজার ৬৭২ ভোট।

ঢাকা-৮ : বিজয়ী বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন- ১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মির্জা আব্বাস- ৩৮ হাজার ৭১৭ ভোট।

ঢাকা-৯ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাবের হোসেন চৌধুরী- ২ লাখ ২৪ হাজার ২৩০ ভোট। নিকটতম বিএনপির  আফরোজা আব্বাস- ৫৯ হাজার ১৬১ ভোট।

ঢাকা-১০ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নূর তাপস- ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৭২ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবদুল মান্নান- ৪৩ হাজার ৮৩১ ভোট।

ঢাকা-১১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এ কে এম রহমতুল্লাহ- ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬৮১ ভোট। নিকটতম বিএনপির শামীম আরা- ৫৪ হাজার ৭২১ ভোট।

ঢাকা-১২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান খাঁন- ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাইফুল আলম নীরব- ৩২ হাজার ৬৭৮ ভোট।

ঢাকা-১৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাদেক খান- ১ লাখ ৩ হাজার ১৬৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবদুস সালাম- ৪৭ হাজার ২৩২ ভোট।

ঢাকা-১৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আসলামুল হক- ১ লাখ ৯৭ হাজার ১৩০ ভোট। নিকটতম বিএনপির সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক- ৫৪ হাজার ৯৮১ ভোট।

ঢাকা-১৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কামাল আহমেদ মজুমদার- ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৬৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির শফিকুর রহমান- ৩৯ হাজার ৭১ ভোট।

ঢাকা-১৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লাহ- ১ লাখ ৭৫ হাজার ৫০৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আহসান উল্লাহ হাসান- ৫০ হাজার ৫৩৫ ভোট।

ঢাকা-১৭ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আকবর হোসেন পাঠান ফারুক- ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬১০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আন্দালিব রহমান পার্থ- ৩৮ হাজার ৬৩৯ ভোট।

ঢাকা-১৮ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাহারা খাতুন- ৩ লাখ ২ হাজার ৬ ভোট। নিকটতম জাসদের শহীদ উদ্দিন মাহমুদ- ৭১ হাজার ৭৯২ ভোট।

ঢাকা-১৯ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এনামুর রহমান- ৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৮৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন- ৬৯ হাজার ৪১০ ভোট।

ঢাকা-২০ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের বেনজির আহমেদ- ২ লাখ ৫৯ হাজার ৭৮৭ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুল মান্নান- ৭ হাজার ২৬৮ ভোট।

গাজীপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ ক ম মোজাম্মেল হক ৪ লাখ ১ হাজার ৫১৮ ভোট। নিকটতম চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী- ৯৪ হাজার ৭২৩ ভোট।

গাজীপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জাহিদ আহসান রাসেল- ৪ লাখ ১২ হাজার ১৪০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের সালাহ উদ্দিন সরকার- ১ লাখ ১ হাজার ৪০ ভোট।

গাজীপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩২০ ভোট। নিকটতম বিএনপির ইকবাল সিদ্দিকী- ৩৭ হাজার ৭৮৬ ভোট।

গাজীপুর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সিমিন হোসেন রিমি- ২ লাখ ৩ হাজার ২৫৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহ রিয়াজুল হান্নান- ১৮ হাজার ৫৮২ ভোট।

গাজীপুর-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মেহের আফরোজ চুমকি- ২ লাখ ৭ হাজার ৬৯৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এ কে এম ফজলুল হক মিলন- ২৭ হাজার ৯৭৬ ভোট।

নরসিংদী-১ (সদর) : মহাজোটের নজরুল ইসলাম (হিরু) নৌকায়- ২ লাখ ৭১ হাজার ৪৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির খায়রুল কবির খোকন- ২৪ হাজার ৭৮৭ ভোট।

নরসিংদী-২ (পলাশ) : মহাজোটের আনোয়ারুল আশরাফ খান দিলীপ নৌকায়- ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৩৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান- ৭ হাজার ৩৬০ ভোট।

নরসিংদী- ৩ (শিবপুর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জহিরুল হক ভূইয়া মোহন- ৯৪ হাজার ৩৫ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা- ৫২ হাজার ৮৭৬ ভোট।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন- ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল- ১৬ হাজার ৫০৫ ভোট।

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু- ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৮৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আশরাফুল ইসলাম বকুল- ২০ হাজার ৪৩১ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-১ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের গোলাম দস্তগীর গাজী- ২ ৪৩ হাজার ৭৩৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির কাজী মনিরুজ্জামান- ১৬ হাজার ৪৩২ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-২ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম বাবু- ২ লাখ ৩২ হাজার ৭২২ ভোট। নিকটতম বিএনপির নাসির উদ্দিন- ৫ হাজার ১২ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৩ :  বিজয়ী জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকা- ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির আজহারুল ইসলাম মান্নান- ১৮ হাজার ৪৭ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৪ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের শামীম ওসমান- ৩ লাখ ৯৩ হাজার ১৩৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির মনির হোসাইন- ৭৬ হাজার ৫৮২ ভোট।

নারায়ণগঞ্জ-৫ :  বিজয়ী জাতীয় পার্টির এ কে এম সেলিম ওসমান- ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫৪৫ ভোট। নিকটতম জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের এস এম আকরাম- ৫২ হাজার ৩৫২ ভোট।

রাজবাড়ী-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কাজী কেরামত আলী- ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম-  ৩৩ হাজার ভোট।

রাজবাড়ী-২: বিজয়ী আওয়ামী লীগের জিল্লুল হাকিম- ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৯৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির নাসিরুল হক সাবু-৫ হাজার ৪৭৫ ভোট।

ফরিদপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মনজুর হোসেন- ৩ লাখ ৫ হাজার ৪৯১ ভোট। নিকটতম প্রার্থী বিএনপির শাহ মো. আবু জাফর ২৭ হাজার ৭৯ ভোট।

ফরিদপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী- ২ লাখ ১৯ হাজার ২০৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম রিঙ্কু- ১৪ হাজার ৮৮৫ ভোট।

ফরিদপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন- ২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭১ ভোট। নিকটতম বিএনপির চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ- ২১ হাজার ৫০০ ভোট।

ফরিদপুর-৪ : বিজয়ী স্বতন্ত্র মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন- ১ লাখ ৪৪ হাজার ১৭৯ ভোট। নিকটতম আওয়ামী লীগের কাজী জাফরউল্লাহ- ৯৪ হাজার ২৩৬ ভোট।

গোপালগঞ্জ-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মুহাম্মদ ফারুক খান ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৪২ ভোট। নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মিজানুর রহমান- ৭০২ ভোট।

গোপালগঞ্জ-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শেখ ফজলুল করিম সেলিম- ২ লাখ ৮১ হাজার ৯০৯ ভোট। নিকটতম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের- তসলিম সিকদার ৬০৮ ভোট।

গোপালগঞ্জ-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা- ২ লাখ ২৯ হাজার ৫৩৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এসএম জিলানী- ১২৩ ভোট।

মাদারীপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নূর ই আলম চৌধুরী লিটন- ২ লাখ ২৭ হাজার ৪৫৪ ভোট। নিকটতম হাতপাখা- ৪৩৬ ভোট।

মাদারীপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাজাহান খান- ৩ লাখ ১১ হাজার ৭৪০ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের- ২ হাজার ৫৮৮ ভোট।

মাদারীপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুস সোবাহান গোলাপ- ২ লাখ ৫২ হাজার ৬৪১। নিকটতম ধানের শীষের- ৩ হাজার ৩০০ ভোট।

শরীয়তপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইকবাল হোসেন- ২ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৯ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের তোফয়েল আহমেদ- ১ হাজার ৪২৭ ভোট।

শরীয়তপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এ কে এম এনামুল হক শামীম- ২ লাখ ৭২ হাজার ১৯২ ভোট। নিকটতম বিএনপির শফিকুর রহমান কিরণ- ২ হাজার ১১৫ ভোট।

শরীয়তপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নাহিম রাজ্জাক- ২ লাখ ৭ হাজার ২১৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন অপু- ২ হাজার ৬৬৪ ভোট।

সুনামগঞ্জ-১ (তাহিরপুর-জামালগঞ্জ-ধর্মাপাশা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ২ লাখ ৬৪ হাজার ২৪ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকে ঐক্যফ্রন্টের নজির হোসেন- ৭৮ হাজার ৯১৫ ভোট।

সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জয়া সেনগুপ্তা- ১ লাখ ২৪ হাজার ১৭ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের নাছির উদ্দিন চৌধুরী- ৬৭ হাজার ৫৮৭ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-দক্ষিণ সুনামগঞ্জ) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এম এ মান্নান- ১ লাখ ৬৩ হাজার ১৪৯ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের শাহিনূর পাশা চৌধুরী ৫২ হাজার ৯২৫ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) : বিজয়ী মহাজোটের প্রার্থী পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ লাঙ্গল প্রতীকে ১ লাখ ৩৭ হাজার ২৮৯ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের ফজলুল হক আছপিয়া ধানের শীষে ৬৯ হাজার ৭৪৯ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক-দোয়ারা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মুহিবুর রহমান মানিক ২ লাখ ২১ হাজার ৩২৮ ভোট। নিকটতম ঐক্যফ্রন্টের মিজানুর রহমান চৌধুরী ধানের শীষে ৮৯ হাজার ৬৪২ ভোট।

সিলেট-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের একে আব্দুল মোমেন- ২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল মুক্তাদির- ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৫১ ভোট।

সিলেট-২ : বিজয়ী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মুকাব্বির খান-৬৯ হাজার ৪২০ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র মুহিবুর রহমান- ৩০ হাজার ৪৪৯ ভোট।

সিলেট-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস- ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির শফি আহমদ চৌধুরী- ৭৯ হাজার ৮৬৫ ভোট।

সিলেট-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ইমরান আহমদ- ২ লাখ ২৩ হাজার ৬৭২ ভোট । নিকটতম বিএনপির দিলদার হোসেন সেলিম- ৯২ হাজার ৪৪৮ ভোট।

সিলেট-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাফিজ আহমদ মজুমদার ২ লাখ ৭ হাজার ১৯১ ভোট। নিকটতম জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ ফারুক- ১ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬০ ভোট।

সিলেট-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম নাহিদ- ১ লাখ ৯৬ হাজার ১৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফয়সল আহমদ চৌধুরী- ১ লাখ ৮ হাজার ৭৯ ভোট।

মৌলভীবাজার-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহাব উদ্দিন- ১ লাখ ৪৪ হাজার ১২১ ভোট। নিকটতম বিএনপির নাছির উদ্দিন আহমেদ- ৬৮ হাজার ৫২৩ ভোট।

মৌলভীবাজার-২ : বিজয়ী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের (গণফোরাম) সুলতান মোহাম্মদ মনসুর- ৭৯ হাজার ৭৪২ ভোট। নিকটতম বিকল্প ধারার এম এম শাহীন- ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট।

মৌলভীবাজার-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নেসার আহমেদ- ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৭৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির নাসের রহমান- ১ লাখ ৪ হাজার ৫৯৫ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুস শহীদ- ২ লাখ ১৬ হাজার ৬১৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির মুজিবর রহমান চৌধুরী- ৯৩ হাজার ২৯৫ ভোট।

হবিগঞ্জ-১ : : বিজয়ী আওয়ামী লীগের গাজী মোহাম্মদ শাহনওয়াজ- ১ লাখ ৫৮ হাজার ১৮৮ ভোট। নিকটতম গণফোরামের রেজা কিবরিয়া- ৮৫ হাজার ১৯৭ ভোট।

হবিগঞ্জ-২ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবদুল মজিদ খান- ১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৩১ ভোট। নিকটতম খেলাফত মজলিসের আবদুল বাসিত আজাদ- ৬০ হাজার ২৫ ভোট।

হবিগঞ্জ-৩ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবু জাহির- ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির জি কে গউছ- ৬৮ হাজার ৭৮ ভোট।

হবিগঞ্জ-৪ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাহবুব আলী- ৩ লাখ ৯ হাজার ৬৫৩ ভোট। নিকটতম খেলাফত মজলিসের আহমদ আবদুল কাদের- ৪৫ হাজার ১৫১ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম- ১ লাখ ১ হাজার ১১০ ভোট। নিকটতম বিএনপির এস এ কে একরামুজ্জামান- ৬০ হাজার ৭৩৪ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : ফল স্থগিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী- ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫২৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির খালেদ হোসেন মাহবুব- ৪৬ হাজার ৭৭ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আনিসুল হক- ২ লাখ ৮২ হাজার ৬২ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম- ২ হাজার ৯৪৯ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এবাদুল করিম বুলবুল- ২ লাখ ৫১ হাজার ৫২২ ভোট। নিকটতম বিএনপির কাজী নাজমুল হোসেন- ১৭ হাজার ১১ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এ বি এম তাজুল ইসলাম- ২ লাখ ৭৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবদুল খালেক- ১ হাজার ৩২৯ ভোট।

কুমিল্লা-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের  সুবিদ আলী ভুঁইয়া- ১ লাখ ৩৫ হাজার ৮৭৩ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের- মোশারফ হোসেন ৯৫ হাজার ৫৪২ ভোট।

কুমিল্লা-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সেলিনা আহমাদ মেরী  ২ লাখ ৬১৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (ধানের শীষ) খন্দকার মোশারফ হোসেন- ২০ হাজার ৯২৫ ভোট।

কুমিল্লা-৩ :  বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইউসুফ আব্দল্লা হারুন- ২ লাখ ৭৩ হাজার ১৮২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মজিবুর রহমান ১২ হাজার ৩৫৮ ভোট।

কুমিল্লা-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রাজী মোহাম্মদ ফখরুল- ২ লাখ ৪০ হাজার ৫৪৪ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের আব্দুল মালেক রতন- ৭ হাজার ৯৫৮ ভোট।

কুমিল্লা-৫ : আওয়ামী লীগের আব্দুল মতিন খসরু- ২ লাখ ৯০ হাজার ৫৪৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের অধ্যাপক ইউনুস- ১২ হাজার ১১৩ ভোট।

কুমিল্লা-৬ (সদর) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার- ২ লাখ ৯৬  হাজার ৩০০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমিন উর রশিদ ইয়াছিন- ১৮ হাজার ৫৩৫ ভোট।

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আলী আশরাফ- ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯০১ ভোট। নিকটতম ধানের শীষ প্রতীকের এলডিপি মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ- ১৫ হাজার ৭৪৭ ভোট।

কুমিল্লা-৮ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নাছিমুল আলম চৌধুরী- ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৫৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির জাকারিয়া তাহের- ৩৪ হাজার ২১৬ ভোট।

কুমিল্লা-৯ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের তাজুল ইসলাম- ২ লাখ ৭০ হাজার ৬০২ ভোট। নিকটতম বিএনপির আনোয়ার উল আজিম- ১২ হাজার ৪৮ ভোট।

কুমিল্লা-১০ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আ হ ম মুস্তফা কামাল- ৪ রাখ ৫ হাজার ২৯৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী- ১২ হাজার ৪৮ ভোট।

কুমিল্লা-১১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মুজিবুল হক- ২ লাখ ৮২ হাজার ২৭৩ ভোট। নিকটতম ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের কামাল উদ্দিন ভুঁইয়া- ২ হাজার ২৫৭ ভোট।

চাঁদপুর-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মহিউদ্দিন খান আলমগীর- ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির মোহাম্মাদ মোশাররফ হোসেন- ৭ হহাজার ৯০৪ ভোট।

চাঁদপুর-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নুরুল আমিন- ৩ লাখ ১ হাজার ৫০ ভোট। নিকটতম বিএনপির জালাল উদ্দিন ১০ হাজার ২৭৭ ভোট।

চাঁদপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের দীপু মনি- ৩ লাখ ৬ হাজার ৮৯৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক- ৩৫ হাজার ৮০২ ভোট।

চাঁদপুর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শফিকুর রহমান- ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৬৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির লায়ন হারুনুর রশিদ- ৩০ হাজার ৭৯৯ ভোট।

চাঁদপুর-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের রফিকুল ইসলাম- ২ রাখ ৯৮ হাজার ১০৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির মমিনুল হক- ২৬ হাজার ৫৬৪ ভোট।

ফেনী-১ : বিজয়ী জাসদের শিরীন আখতার- ২ লাখ ১ হাজার ২৯৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির মুন্সি রফিকুল আলম মজনু- ২৬ হাজার ৬১৬ ভোট।

ফেনী-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন হাজারী- ২ লাখ ৯০ হাজার ৬৬২ ভোট। নিকটতম বিএনপির জয়নাল আবেদিন- ৫ হাজার ৭৭২ ভোট।

ফেনী-৩ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী- ২ লাখ ৮৮ হাজার ৭৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির আকবর হোসেন- ১৪ হাজার ৬৭৪ ভোট।

নোয়াখালী-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এইচ এম ইব্রাহিম- ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৭০ ভোট। নিকটতম বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন- ১৪ হাজার ৮৬২ ভোট।

নোয়াখালী-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোরশেদ আলম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৯১ ভোট। নিকটতম বিএনপির জয়নাল আবদিন ফারুক- ২৬ হাজার ১৬৯ ভোট।

নোয়াখালী-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মামুনুর রশীদ কিরণ- ২ লাখ ১৭ হাজার ৭২৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির বরকত উল্লাহ বুলু- ৫৩ হাজার ৭৯০ ভোট।

নোয়াখালী-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের একরামুল করিম চৌধুরী- ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২২ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহজাহান- ২৩ হাজার ২৫৭ ভোট।

নোয়াখালী-৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের- ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির মওদুদ আহমদ- ১০ হাজার ৯৭০ ভোট।

নোয়াখালী-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউস- ২ লাখ ১০ হাজার ১৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির ফজলুল আজিম- ৪ হাজার ৭১৫ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-১ : বিজযী আওয়ামী লীগের আনোয়ার হোসেন খান- ১ লাখ ৮৫ হাজার ৪৩৮ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের প্রার্থী এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম- ৩৮ হাজার ৮৯২ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-২ : বিজয়ী স্বতন্ত্র শহীদুল ইসলাম পাপুল (কুয়েত আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক)- ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৮০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবুল খায়ের ভুইয়া- ২৮ হাজার ৬৫ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এ কে এম শাহাজাহান কামাল- ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী- ১৪ হাজার ৪৯২ ভোট।

লক্ষ্মীপুর-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আব্দুল মান্নান- ১ লাখ ৮৩ হাজার ৯০৬ ভোট। নিকটতম ধানের শীষের আ স ম আব্দুর রব- ৪০ হাজার ৯৭৩ ভোট।

চট্টগ্রাম-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন- ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৬ ভোট। নিকটতম  বিএনপির নুরুল আমিন- ৩ হাজার ৯৯১ ভোট।

চট্টগ্রাম-২ : বিজয়ী তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী- ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৩০ ভোট। নিকটতম বিএনপির আজিম উল্লাহ বাহার- ৪৯ হাজার ৭৫৩ ভোট।

চট্টগ্রাম-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মাহফুজুর রহমান মিতা- ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৫৩ ভোট। নিকটতম বিএনপির কামাল পাশা- ৩ হাজার ১২২ ভোট।

চট্টগ্রাম-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের দিদারুল আলম- ২ লাখ ৬৯ হাজার ৮৮৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির আসলাম চৌধুরী- ২৯ হাজার ৪০৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-৫ : বিজয়ী জাতীয় পার্টির আনিসুল ইসলাম মাহমুদ- ২ লাখ ৭৭ হাজার ৯০৯ ভোট। নিকটতম কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম- ৪৪ হাজার ৩৮১ ভোট।

চট্টগ্রাম-৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী- ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৪২ ভোট। নিকটতম বিএনপির জসিম উদ্দিন শিকদার- ২ হাজার ৩০৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-৭ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাছান মাহমুদ- ২ লাখ ১৭ হাজার ১৫৫ ভোট। নিকটতম লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নুরুল আলম- ৬ হাজার ৬৫ ভোট।

চট্টগ্রাম-৮ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মইন উদ্দীন খান বাদল- ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮০৮ ভোট। নিকটতম বিএনপির আবু সুফিয়ান- ৫৯ হাজার ১৩৫ ভোট।

চট্টগ্রাম-৯ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল- ২ লাখ ২৩ হাজার ৬১৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির  শাহাদাত হোসেন- ১ লাখ ৭ হাজার ৬৪২ ভোট।

চট্টগ্রাম-১০ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আফসারুল আমিন- ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির আব্দুল্লাহ আল নোমান- ৪১ হাজার ৩৮৭ ভোট।

চট্টগ্রাম-১১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের এম আবদুল লতিফ- ২ লাখ ৮৩ হাজার ১৬৭ ভোট। নিকটতম বিএনপির আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী- ৫২ হাজার ৮৯৮ ভোট।

চট্টগ্রাম-১২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সামছুল হক চৌধুরী- ১ লাখ ৮৩ হাজার ১৭৯ ভোট। নিকটতম বিএনপির এনামুল হক- ৪৪ হাজার ৫৯৮ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরী- ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম- ৩ হাজার ১৫৩ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম চৌধুরী- ১ লাখ ৮৯ হাজার ১৮৬ ভোট। নিকটতম লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির অলি আহমদ- ২২ হাজার ২২৫ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৫ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভী- ২ লাখ ৮৯ হাজার ৩৭৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির আ ন ম শামসুল ইসলাম- ৩৫ হাজার ৯৮৬ ভোট।

চট্টগ্রাম-১৬ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী- ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩৪১ ভোট। নিকটতম বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী- ২৬ হাজার ৩৭০ ভোট।

কক্সবাজার-১ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের জাফর আলম- ২ ৭৩ হাজার ৮৫৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির হাসিনা আহমেদ- ৫৬ হাজার ৬০১ ভোট।

কক্সবাজার-২ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের আশেক উল্লাহ রফিক- ২ লাখ ১৩ হাজার ৯১ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ- ১৮ হাজার ৫৮৭ ভোট।

কক্সবাজার-৩ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের সাইমুম সরওয়ার কমল- ২ রাখ ৫৩ হাজার ৮২৫ ভোট। নিকটতম বিএনপির লুতফর রহমান- ৮৭ হাজার ৭১৮ ভোট।

কক্সবাজার-৪ : বিজয়ী আওয়ামী লীগের শাহিনা আক্তার চৌধুরী- ১ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭৪ ভোট। নিকটতম বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী- ৩৭ হাজার ১৮ ভোট।

পার্বত্য খাগড়াছড়ি : বিজয়ী আওয়ামী লীগের কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা- ২ লাখ ৩৬ হাজার ১৫৬ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী- নতুন কুমার চাকমা ৫৯ হাজার ২৫৭ ভোট।

পার্বত্য রাঙ্গামাটি : বিজয়ী আওয়ামী লীগের দীপঙ্কর তালুকদার- ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৪৬ ভোট। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী ঊষাতন তালুকদার- ৯৪ হাজার ৪৯৫ ভোট।

পার্বত্য বান্দরবান : বিজয়ী আওয়ামী লীগের বীর বাহাদুর উ শৈ সিং- ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৬ ভোট। নিকটতম বিএনপির সাচিং প্রু- ৫৮ হাজার ৭১৯ ভোট।




রাইজিংবিডি/ঢাকা/৩১ ডিসেম্বর ২০১৮/এনএ

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন