দৃষ্টিভঙ্গি, ভাবনা একটুও পাল্টেনি মাশরাফির
বার্মিংহাম থেকে ক্রীড়া প্রতিবেদক: ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচে শুধু বাংলাদেশ না, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কাও ভারতকে সমর্থন করেছিল। ভারতের এক জয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ত বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের এবং টিকে থাকত শ্রীলঙ্কা।
তাইতো ভারতের জয়ের প্রার্থণা করেছিল এশিয়ার বাকি তিন জায়ান্ট। বিশ্বকাপের এমন প্রতিযোগীতার ভেতরে এশিয়ার দলগুলোর এমন সমর্থণে আপ্লুত মাশরাফি,‘ক্রিকেটে এই প্রথম দেখলাম যে সব এশিয়ার মানুষ একসাথে হয়েছে। চমৎকার। পেশাদারিত্বের এ যুগে সবাইকে একসাথ করা কঠিন। এটা ক্রিকেটের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। ’
ইংল্যান্ড জিতে যাওয়ায় দুই ম্যাচ হাতে রেখে বিদায় নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এখনও টিকে আছে, তবে তাদের সামনে কঠিন সমীকরণ। ইংল্যান্ড নিজেদের শেষ ম্যাচে হারলে এবং বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তানকে হারালে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে যেতে পারবে। ভারত ইংল্যান্ডকে হারালে বাংলাদেশের পাকিস্তানকে হারালেই হতো। এখনকার সমীকরণটা কঠিন। কাজটাও কঠিন।
নিজেদের জয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের এখন অপেক্ষা করতে হবে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের। এসব নিয়ে এখন আর ভাবছেন না মাশরাফি। আগেও তার চিন্তা ছিল নিজেদের শেষ দুই ম্যাচ নিয়ে, এখনও তার দৃষ্টিভঙ্গি একই রকম, ভাবনা একই বিন্দুতে।
‘আমরা এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে যা পেয়েছি সেটা নিজেদের পারফরম্যান্সে পেয়েছি। তিনটা ম্যাচ জিতে ছয় পয়েন্ট পেয়েছি। বৃষ্টিতে এক পয়েন্ট। যে ম্যাচ গুলো জিতেছি সেগুলো নিজেরা ভালো খেলে জিতেছি। কালকের ম্যাচে জিততে হলে ভালো খেলেই জিততে হবে। অন্যদের থেকে তাকিয়ে থেকে আমার মনে হয় না কোনো লাভ আছে। ’
‘কাল ম্যাচ হারলে অবশ্যই আমাদের বিশ্বকাপ শেষ। ভারত শেষ ম্যাচ জিতে গেলে ভিন্ন সমীকরণ হতো। কিন্তু আমি ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিচ্ছি। আমরা কালকে ভালো খেললে জিততেও পারি সেই চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছি। কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করা দরকার। শুধু বিশ্বকাপে না ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটে নিজেদের সামনের স্টেজে নিয়ে যাওয়ার জন্য কঠিন পরিস্থিতে খেলতে হবে। সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটাই সেরা সময়।’ – বলেছেন মাশরাফি।
রাইজিংবিডি/বার্মিংহাম/১ জুলাই ২০১৯/ইয়াসিন/শামীম
রাইজিংবিডি.কম