আবেগতাড়িত হচ্ছেন না মাশরাফি
বার্মিংহাম থেকে ক্রীড়া প্রতিবেদক: নক আউট পর্বে না উঠলে ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের মঞ্চে আর দেখা হবে না মাশরাফি বিন মুর্তজার।
এটা তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। সেই ঘোষণা দেশ থেকেই দিয়ে এসেছেন। একে একে শেষ পর্যায়ে চলে এসেছেন। সেমিফাইনাল কিংবা ফাইনালে না উঠলে মাশরাফি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছেন আর দুটি। যার শুরুটা আগামীকালের ম্যাচ দিয়ে। সেটাও প্রিয় প্রতিপক্ষ ভারতের বিপক্ষে। বাংলাদেশ ভারতকে ওয়ানডে ক্রিকেটে হারিয়েছে পাঁচবার। প্রথম দুই জয়ের নায়ক মাশরাফি।
২০০৪ সালে মাশরাফির শুরুর আঘাতেই তো ব্যাকফুটে গিয়েছিল ভারত। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ২৩০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নড়াইল এক্সপ্রেসের তৃতীয় বলে বোল্ড হয়েছিলেন বীরেন্দর শেভাগ। ২০০৭ বিশ্বকাপে ভারতকে ডুবানোর নায়কও ছিলেন মাশরাফি। আবারও শেবাগকে ফেরান তৃতীয় ওভারে। ইনিংসের সপ্তম ওভারে নেন রবিন উথাপ্পার উইকেট। ভারতীয় ক্রিকেটের সবথেকে শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ ব্যাকগিয়ারে চলা শুরু হয় মাশরাফির আক্রমণে।
এছাড়া ভারতের বিপক্ষে তার সুখস্মৃতি কম নয়। সেই দলের বিপক্ষে বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচ খেলার আগে আবেগতাড়িত হচ্ছেন না মাশরাফি। দলের সাফল্যই তার কাছে সবথেকে বড়,‘আবেগতাড়িত হচ্ছি না। এটাই বাস্তবতা। ভারতের বিপক্ষে আমার ভালো স্মৃতি রয়েছে। আমার প্রত্যাশা সব কিছু ঠিকঠাক মতো যাবে। আমার কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের সাফল্য। আমিই কাজটা করবো এমনটা নয়। আরেকজন যেন ভালো করে। দলের জয় গুরুত্বপূর্ণ। ’
‘২০০৭ এবং ২০০৪ এ ভালো স্মৃতি রয়েছে। সেই সময়ে সুমন ভাই (হাবিবুল বাশার) অধিনায়ক ছিলেন। উনি কিন্তু শুধুমাত্র আমাকে নিয়ে পরিকল্পনা করে মাঠে নামেননি। আর চার জন যারা বোলার ছিল তাদের নিয়ে মাঠে নেমেছিল। ভাগ্য ভালো থাকায় আমি তাদের থেকে ভালো করেছি। আমি এখন অধিনায়ক। আমি অবশ্যই চাইবো আমি সহ এমন কেউ এমন পারফর্ম করুক…যেটা সাকিব করে আসছে, কেন আবার এ ম্যাচেও না? আমরা ভালো খেলে ম্যাচটি জিততে পারি সেটাই প্রত্যাশা করছি। ’ – যোগ করেছেন মাশরাফি।
রাইজিংবিডি/বার্মিংহাম/১ জুলাই ২০১৯/ইয়াসিন
রাইজিংবিডি.কম